১
যিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন, ঈদ, কুরবানি ও আইয়ামে তাশরীকের দিনসমূহ
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
আইয়ামুত তাশরীকে করণীয়:
এ দিনসমূহ যেমনি ইবাদত-বন্দেগি, যিকির-আযকারের দিন তেমনি আনন্দ-ফুর্তি করার দিন। যেমন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‘আইয়ামুত-তাশরীক হলো খাওয়া-দাওয়া ও আল্লাহর যিকিরের দিন।’
এ দিনগুলোতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দেওয়া নি‘আমত নিয়ে আমোদ-ফুর্তি করার মাধ্যমে তার শুকরিয়া ও যিকির আদায় করা। যিকির আদায়ের কয়েকটি পদ্ধতি হাদীসে এসেছে।
[১] সালাতের পর তাকবীর পাঠ করা। এবং সালাত ছাড়াও সর্বদা তাকবীর পাঠ করা। এ তাকবীর আদায়ের মাধ্যমে আমরা প্রমাণ দিতে পারি যে এ দিনগুলো আল্লাহর যিকিরের দিন। আর এ যিকিরের নির্দেশ যেমন হাজীদের জন্য তেমনই যারা হজ পালনরত নন তাদের জন্যও।
[২] কুরবানি ও হজের পশু যবেহ করার সময় আল্লাহ তা‘আলার নাম ও তাকবীর উচ্চারণ করা।
[৩] খাওয়া-দাওয়ার শুরু ও শেষে আল্লাহ তা‘আলার জিকির করা। আর এটা তো সর্বদা করার নির্দেশ রয়েছে তথাপি এ দিনগুলোতে এর গুরুত্ব বেশি দেওয়া। এমনিভাবে সকল কাজ ও সকাল-সন্ধ্যার যিকিরগুলোর প্রতি যতœবান হওয়া।
[৪] হজ পালন অবস্থায় কঙ্কর নিক্ষেপের সময় আল্লাহ তা‘আলার তাকবীর পাঠ করা।
[৫] এ গুলো ছাড়াও যে কোনো সময় ও যে কোনো অবস্থায় আল্লাহর যিকির করা।
এ দিনগুলোতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দেওয়া নি‘আমত নিয়ে আমোদ-ফুর্তি করার মাধ্যমে তার শুকরিয়া ও যিকির আদায় করা। যিকির আদায়ের কয়েকটি পদ্ধতি হাদীসে এসেছে।
[১] সালাতের পর তাকবীর পাঠ করা। এবং সালাত ছাড়াও সর্বদা তাকবীর পাঠ করা। এ তাকবীর আদায়ের মাধ্যমে আমরা প্রমাণ দিতে পারি যে এ দিনগুলো আল্লাহর যিকিরের দিন। আর এ যিকিরের নির্দেশ যেমন হাজীদের জন্য তেমনই যারা হজ পালনরত নন তাদের জন্যও।
[২] কুরবানি ও হজের পশু যবেহ করার সময় আল্লাহ তা‘আলার নাম ও তাকবীর উচ্চারণ করা।
[৩] খাওয়া-দাওয়ার শুরু ও শেষে আল্লাহ তা‘আলার জিকির করা। আর এটা তো সর্বদা করার নির্দেশ রয়েছে তথাপি এ দিনগুলোতে এর গুরুত্ব বেশি দেওয়া। এমনিভাবে সকল কাজ ও সকাল-সন্ধ্যার যিকিরগুলোর প্রতি যতœবান হওয়া।
[৪] হজ পালন অবস্থায় কঙ্কর নিক্ষেপের সময় আল্লাহ তা‘আলার তাকবীর পাঠ করা।
[৫] এ গুলো ছাড়াও যে কোনো সময় ও যে কোনো অবস্থায় আল্লাহর যিকির করা।