১
যিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন, ঈদ, কুরবানি ও আইয়ামে তাশরীকের দিনসমূহ
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
৮. কুরবানির দিন তথা দশ তারিখের আমল: কুরবানির দিনের ফযীলত
[১] এ দিনের একটি নাম হলো ইয়াওমুল হাজ্জিল আকবর বা শ্রেষ্ঠ হজের দিন। যে দিনে হাজীগণ তাদের পশু যবেহ করে হজকে পূর্ণ করেন। হাদীসে এসেছে: ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত,
«أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم النحر : [ أي يوم هذا ] ؟ قالوا : يوم النحر، قال : «هذا يوم الحج الأكبر» .
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানির দিন জিজ্ঞেস করলেন, এটা কোন দিন? সাহাবীগণ উত্তর দিলেন এটা ইয়াওমুন্নাহার বা কুরবানির দিন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: এটা হলো ইয়াওমুল হাজ্জিল আকবর বা শ্রেষ্ঠ হজের দিন”। [আবূ দাউদ, হাদীস নং ১৯৪৫, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
[২] কুরবানির দিনটি হলো বছরের শ্রেষ্ঠ দিন। হাদীসে এসেছে: আব্দুল্লাহ ইবন কুরত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«إن أعظم الأيام عند الله تبارك وتعالى : يوم النحر ثم يوم القر»
“আল্লাহর নিকট দিবসসমূহের মাঝে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দিন হলো কুরবানির দিন, তারপর পরবর্তী তিনদিন”। [আবূ দাঊদ, হাদীস নং ১৭৬৫।]
এ দিনগুলোর ব্যাপারে অনেক মুসলিমই গাফেল, অথচ অনেক আলেমের মতে নিঃর্শতভাবে এ দিনগুলো উত্তম, এমনকি ‘আরাফার দিন থেকেও। ইবনুল কাইয়্যেম রহ. বলেছেন: আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম দিন, নহরের দিন। আর তাই হলো হাজ্জে আকবারের দিন। যেমন, সুনানে আবূ দাঊদে রয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় দিন হলো নহরের দিন, অতঃপর মিনায় অবস্থানের দিন। অর্থাৎ এগারতম দিন। কেউ কেউ বলেছেন: ‘আরাফার দিন তার থেকে উত্তম। কারণ, সে দিনের সিয়াম দুই বছরের গুনাহের কাফ্ফারা। আল্লাহ ‘আরাফার দিন যে পরিমাণ লোক জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেন, তা অন্য কোনো দিন করেন না। আরও এ জন্যও যে, আল্লাহ তা‘আলা সে দিন বান্দার নিকটবর্তী হন এবং ‘আরাফায় অবস্থানকারীদের নিয়ে ফিরিশতাদের সাথে গর্ব করেন। তবে প্রথম বক্তব্যই সঠিক, কারণ হাদীস তারই প্রমাণ বহন করে, এর বিরোধী কিছু নেই। যাই হোক, উত্তম হয় ‘আরাফার দিন নতুবা মিনার দিন, হাজী বা বাড়িতে অবস্থানকারী সবার উচিৎ সে দিনের ফযীলত অর্জন করা এবং তার মুহুর্তগুলো থেকে উপকৃত হওয়া।
«أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم النحر : [ أي يوم هذا ] ؟ قالوا : يوم النحر، قال : «هذا يوم الحج الأكبر» .
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানির দিন জিজ্ঞেস করলেন, এটা কোন দিন? সাহাবীগণ উত্তর দিলেন এটা ইয়াওমুন্নাহার বা কুরবানির দিন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: এটা হলো ইয়াওমুল হাজ্জিল আকবর বা শ্রেষ্ঠ হজের দিন”। [আবূ দাউদ, হাদীস নং ১৯৪৫, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
[২] কুরবানির দিনটি হলো বছরের শ্রেষ্ঠ দিন। হাদীসে এসেছে: আব্দুল্লাহ ইবন কুরত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«إن أعظم الأيام عند الله تبارك وتعالى : يوم النحر ثم يوم القر»
“আল্লাহর নিকট দিবসসমূহের মাঝে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দিন হলো কুরবানির দিন, তারপর পরবর্তী তিনদিন”। [আবূ দাঊদ, হাদীস নং ১৭৬৫।]
এ দিনগুলোর ব্যাপারে অনেক মুসলিমই গাফেল, অথচ অনেক আলেমের মতে নিঃর্শতভাবে এ দিনগুলো উত্তম, এমনকি ‘আরাফার দিন থেকেও। ইবনুল কাইয়্যেম রহ. বলেছেন: আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম দিন, নহরের দিন। আর তাই হলো হাজ্জে আকবারের দিন। যেমন, সুনানে আবূ দাঊদে রয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় দিন হলো নহরের দিন, অতঃপর মিনায় অবস্থানের দিন। অর্থাৎ এগারতম দিন। কেউ কেউ বলেছেন: ‘আরাফার দিন তার থেকে উত্তম। কারণ, সে দিনের সিয়াম দুই বছরের গুনাহের কাফ্ফারা। আল্লাহ ‘আরাফার দিন যে পরিমাণ লোক জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেন, তা অন্য কোনো দিন করেন না। আরও এ জন্যও যে, আল্লাহ তা‘আলা সে দিন বান্দার নিকটবর্তী হন এবং ‘আরাফায় অবস্থানকারীদের নিয়ে ফিরিশতাদের সাথে গর্ব করেন। তবে প্রথম বক্তব্যই সঠিক, কারণ হাদীস তারই প্রমাণ বহন করে, এর বিরোধী কিছু নেই। যাই হোক, উত্তম হয় ‘আরাফার দিন নতুবা মিনার দিন, হাজী বা বাড়িতে অবস্থানকারী সবার উচিৎ সে দিনের ফযীলত অর্জন করা এবং তার মুহুর্তগুলো থেকে উপকৃত হওয়া।