১
ঈমান বুনিয়াদ ও পরিণতি
লেখকঃ কামাল উদ্দীন মোল্লা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
কিতাবসমূহের ওপর ঈমান আনার অর্থ:
১. এমন বিশ্বাস পোষণ করা যে, সকল কিতাব আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে আলোকবর্তিকা, হিদায়াতের আকর হিসেবে, সত্য ধর্ম নিয়ে।
২. বিশ্বাস করা যে এ হলো আল্লাহর কালাম বা কথা। কোনো সৃষ্টির কালাম নয়। জিবরীল আল্লাহর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন আর রাসূল শ্রবণ করেছেন জিবরীল থেকে।
৩. বিশ্বাস করা যে, সকল কিতাবে বর্ণিত যাবতীয় বিধি-বিধান ঐ জাতির জন্য অবশ্যই পালনীয় ছিল, যাদের ওপর কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে।
৪. বিশ্বাস করা যে, আল্লাহর সকল কিতাব একটি অপরটিকে সত্যায়ন করে। পরস্পর কোনো বিরোধ নেই। তবে বিধি বিধানের ক্ষেত্রে ভিন্নতা তাৎপর্যপূর্ণ বিশেষ কোনো কারণে হয়ে থাকে, যা একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন।
৫. কিতাবসমূহ হতে যেগুলোর নাম আমারা জানি সেগুলো বিশ্বাস করা। যেমন,
• আল কুরআনুল কারীম: যা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর অবতীর্ণ হয়েছে।
• তাওরাত: যা মুসা আলাইহিস সালামের ওপর অবতীর্ণ হয়েছে।
• ইঞ্জিল: যা ঈসা আলাইহিস সালামের ওপর অবতীর্ণ হয়েছে।
• যাবূর: যা দাউদ আলাইহিস সালামের ওপর অবতীর্ণ হয়েছে।
• ইবরাহীম এবং মূসা আলাইহিমাস সালামের ওপর সহীফাহসমূহ।
এছাড়া সাধারণভাবে ঐ সকল আসমানী কিতাবের প্রতি বিশ্বাস করা যার নাম আমাদের জানা নেই।
৬. বিশ্বাস করা আসমানী সকল কিতাব এবং তার বিধান রহিত হয়েছে কুরআনুল কারীম অবতীর্ণের মাধ্যমে। রহিত সে কিতাবগুলোর বিধান অনুসারে আমল কারো জন্য বৈধ নয়; বরং সকলের প্রতি কুরআনের অনুকরণ, অনুসরণ ফরয। এ একমাত্র কিতাব, যার কার্যকারিতা কিয়ামত অবধি অব্যাহত থাকবে। অন্য কোনো কিতাব কুরআনুল কারীমের বিধানকে রহিত করতে পারবে না।
৭. নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রমাণিত অন্যান্য ঐশী গ্রন্থগুলো বাণী-বক্তব্যের সত্যতার প্রতি কুরআনের মতো-ই বিশ্বাস স্থাপন করা।
৮. এ মত পোষণ করা যে পূর্বের সকল কিতাবে পরিবর্তন-বিকৃতি ঘটেছে। কেননা যে জাতির নিকট কিতাব অবতীর্ণ হয়েছিল, রক্ষার দায়িত্বও তাদের হাতে দেওয়া হয়েছিল; কিন্তু কুরআনুল কারীম যাবতীয় বিকৃতি থেকে সুরক্ষিত। কেননা এর রক্ষার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ আপন দায়িত্বে রেখেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِنَّا نَحۡنُ نَزَّلۡنَا ٱلذِّكۡرَ وَإِنَّا لَهُۥ لَحَٰفِظُونَ ٩﴾ [ الحجر : ٩ ]
“নিশ্চয় আমরা এ কুরআনকে অবতীর্ণ করেছি এবং আমরাই তার সংরক্ষক। [সুরা আল-হিজর, আয়াত: ৯]
২. বিশ্বাস করা যে এ হলো আল্লাহর কালাম বা কথা। কোনো সৃষ্টির কালাম নয়। জিবরীল আল্লাহর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন আর রাসূল শ্রবণ করেছেন জিবরীল থেকে।
৩. বিশ্বাস করা যে, সকল কিতাবে বর্ণিত যাবতীয় বিধি-বিধান ঐ জাতির জন্য অবশ্যই পালনীয় ছিল, যাদের ওপর কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে।
৪. বিশ্বাস করা যে, আল্লাহর সকল কিতাব একটি অপরটিকে সত্যায়ন করে। পরস্পর কোনো বিরোধ নেই। তবে বিধি বিধানের ক্ষেত্রে ভিন্নতা তাৎপর্যপূর্ণ বিশেষ কোনো কারণে হয়ে থাকে, যা একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন।
৫. কিতাবসমূহ হতে যেগুলোর নাম আমারা জানি সেগুলো বিশ্বাস করা। যেমন,
• আল কুরআনুল কারীম: যা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর অবতীর্ণ হয়েছে।
• তাওরাত: যা মুসা আলাইহিস সালামের ওপর অবতীর্ণ হয়েছে।
• ইঞ্জিল: যা ঈসা আলাইহিস সালামের ওপর অবতীর্ণ হয়েছে।
• যাবূর: যা দাউদ আলাইহিস সালামের ওপর অবতীর্ণ হয়েছে।
• ইবরাহীম এবং মূসা আলাইহিমাস সালামের ওপর সহীফাহসমূহ।
এছাড়া সাধারণভাবে ঐ সকল আসমানী কিতাবের প্রতি বিশ্বাস করা যার নাম আমাদের জানা নেই।
৬. বিশ্বাস করা আসমানী সকল কিতাব এবং তার বিধান রহিত হয়েছে কুরআনুল কারীম অবতীর্ণের মাধ্যমে। রহিত সে কিতাবগুলোর বিধান অনুসারে আমল কারো জন্য বৈধ নয়; বরং সকলের প্রতি কুরআনের অনুকরণ, অনুসরণ ফরয। এ একমাত্র কিতাব, যার কার্যকারিতা কিয়ামত অবধি অব্যাহত থাকবে। অন্য কোনো কিতাব কুরআনুল কারীমের বিধানকে রহিত করতে পারবে না।
৭. নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রমাণিত অন্যান্য ঐশী গ্রন্থগুলো বাণী-বক্তব্যের সত্যতার প্রতি কুরআনের মতো-ই বিশ্বাস স্থাপন করা।
৮. এ মত পোষণ করা যে পূর্বের সকল কিতাবে পরিবর্তন-বিকৃতি ঘটেছে। কেননা যে জাতির নিকট কিতাব অবতীর্ণ হয়েছিল, রক্ষার দায়িত্বও তাদের হাতে দেওয়া হয়েছিল; কিন্তু কুরআনুল কারীম যাবতীয় বিকৃতি থেকে সুরক্ষিত। কেননা এর রক্ষার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ আপন দায়িত্বে রেখেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِنَّا نَحۡنُ نَزَّلۡنَا ٱلذِّكۡرَ وَإِنَّا لَهُۥ لَحَٰفِظُونَ ٩﴾ [ الحجر : ٩ ]
“নিশ্চয় আমরা এ কুরআনকে অবতীর্ণ করেছি এবং আমরাই তার সংরক্ষক। [সুরা আল-হিজর, আয়াত: ৯]