১
ঈমান বুনিয়াদ ও পরিণতি
লেখকঃ কামাল উদ্দীন মোল্লা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
তাকদীরের ওপর ঈমানের স্তরসমূহ:
তাকদীরে বিশ্বাসের চারটি স্তর রয়েছে:
১. আল-ইলম বা জানা: এর দ্বারা উদ্দেশ্য সৃষ্টির জন্য কোনো বস্তু সৃষ্টির পূর্বেই তার সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত এবং বিস্তারিত সবকিছুর সম্পর্কেই আল্লাহ তা‘আলার অবগত হওয়া। আল্লাহ বলেন,
﴿وَكَانَ ٱللَّهُ بِكُلِّ شَيۡءٍ عَلِيمٗا ﴾ [ الاحزاب : ٤٠ ]
“আর আল্লাহ সব বিষয় জ্ঞাত।” [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৪০]
২. আল-কিতাবাহ বা লিখন: এর দ্বারা উদ্দেশ্য আকাশ এবং পৃথিবীসমূহ সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বে আল্লাহ তা‘আলা কর্তৃক সব কিছু লাওহে মাহফুযে লিখে রাখা। দলীল, আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿مَآ أَصَابَ مِن مُّصِيبَةٖ فِي ٱلۡأَرۡضِ وَلَا فِيٓ أَنفُسِكُمۡ إِلَّا فِي كِتَٰبٖ مِّن قَبۡلِ أَن نَّبۡرَأَهَآۚ إِنَّ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرٞ ٢٢ ﴾ [ الحديد : ٢٢ ]
“পৃথিবীতে এবং ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের ওপর এমন কোনো বিপদ আসে না, যা জগত সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ করা হয় নি। নিশ্চয় এ আল্লাহর পক্ষে সহজ।” [সূরা আল-হাদীদ, আয়াত: ২২]
৩. আল-মাশিয়্যাত বা ইচ্ছা: এর উদ্দেশ্য আল্লাহ যা ইচ্ছে করেন তা-ই হয়, আর তিনি যা ইচ্ছে করেন না তা কখনোই হয় না। দলীল, আল্লাহর বাণী:
﴿وَرَبُّكَ يَخۡلُقُ مَا يَشَآءُ وَيَخۡتَارُۗ﴾ [ القصص : ٦٨ ]
“আপনার প্রভু যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং পছন্দ করেন।” [সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ৬৮]
৪. আল-খালকু বা সৃষ্টি: এর উদ্দেশ্য সারা জগত তার সকল অস্তিত্ব, রূপ এবং কর্মসহ একমাত্র আল্লাহরই সৃষ্টি বা মাখলুক। দলীল: আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَخَلَقَ كُلَّ شَيۡءٖ فَقَدَّرَهُۥ تَقۡدِيرٗا﴾ [ الفرقان : ٢ ]
“তিনি প্রত্যেক বস্তু সৃষ্টি করেছেন অতঃপর নির্ধারণ করেছেন পরিমিতভাবে।” [সূরা আল-ফুরকান, আয়াত: ২]
১. আল-ইলম বা জানা: এর দ্বারা উদ্দেশ্য সৃষ্টির জন্য কোনো বস্তু সৃষ্টির পূর্বেই তার সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত এবং বিস্তারিত সবকিছুর সম্পর্কেই আল্লাহ তা‘আলার অবগত হওয়া। আল্লাহ বলেন,
﴿وَكَانَ ٱللَّهُ بِكُلِّ شَيۡءٍ عَلِيمٗا ﴾ [ الاحزاب : ٤٠ ]
“আর আল্লাহ সব বিষয় জ্ঞাত।” [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৪০]
২. আল-কিতাবাহ বা লিখন: এর দ্বারা উদ্দেশ্য আকাশ এবং পৃথিবীসমূহ সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বে আল্লাহ তা‘আলা কর্তৃক সব কিছু লাওহে মাহফুযে লিখে রাখা। দলীল, আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿مَآ أَصَابَ مِن مُّصِيبَةٖ فِي ٱلۡأَرۡضِ وَلَا فِيٓ أَنفُسِكُمۡ إِلَّا فِي كِتَٰبٖ مِّن قَبۡلِ أَن نَّبۡرَأَهَآۚ إِنَّ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرٞ ٢٢ ﴾ [ الحديد : ٢٢ ]
“পৃথিবীতে এবং ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের ওপর এমন কোনো বিপদ আসে না, যা জগত সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ করা হয় নি। নিশ্চয় এ আল্লাহর পক্ষে সহজ।” [সূরা আল-হাদীদ, আয়াত: ২২]
৩. আল-মাশিয়্যাত বা ইচ্ছা: এর উদ্দেশ্য আল্লাহ যা ইচ্ছে করেন তা-ই হয়, আর তিনি যা ইচ্ছে করেন না তা কখনোই হয় না। দলীল, আল্লাহর বাণী:
﴿وَرَبُّكَ يَخۡلُقُ مَا يَشَآءُ وَيَخۡتَارُۗ﴾ [ القصص : ٦٨ ]
“আপনার প্রভু যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং পছন্দ করেন।” [সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ৬৮]
৪. আল-খালকু বা সৃষ্টি: এর উদ্দেশ্য সারা জগত তার সকল অস্তিত্ব, রূপ এবং কর্মসহ একমাত্র আল্লাহরই সৃষ্টি বা মাখলুক। দলীল: আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَخَلَقَ كُلَّ شَيۡءٖ فَقَدَّرَهُۥ تَقۡدِيرٗا﴾ [ الفرقان : ٢ ]
“তিনি প্রত্যেক বস্তু সৃষ্টি করেছেন অতঃপর নির্ধারণ করেছেন পরিমিতভাবে।” [সূরা আল-ফুরকান, আয়াত: ২]