hadith book logo

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত প্রয়োজনীয় দো‘আর এক অনবদ্য সংকলন আল-হিসনুল ওয়াকী

লেখকঃ আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ আল-সাদহান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৯

সালাত ও আযানের ফযীলত

* আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি চল্লিশ দিন ইখলাসের সাথে জামা‘আতে সালাত আদায় করে, তার জন্য দু’টি পরওয়ানা লেখা হয়।

এক. জাহান্নাম থেকে মুক্তির পরওয়ানা

দুই. মুনাফেকী থেকে মুক্তির পরওয়ানা [ইবন হিববান ৬/৩১২]

* আউস ইবন আউস সাকাফী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন উত্তমরূপে গোসল করে, অতি প্রত্যুষে মসজিদে যায়, সওয়ারিতে আরোহণ না করে পায়ে হেঁটে যায়, ইমামের কাছাকাছি বসে মনোযোগ সহকারে খুৎবা শোনে, খুৎবার সময় কোনো অহেতুক কথা বলে না, সে প্রতি কদমের বিনিময়ে এক বছর সাওম ও এক বছর রাতের ইবাদতের সাওয়াব লাভ করবে। [তিরমিযী, হাদীস নং ২৯১]

* আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, লোকেরা যদি আযান ও প্রথম কাতারে সালাত আদায়ের সাওয়াব জানতো এবং লাটারী ছাড়া আযান ও প্রথম কাতার অর্জন করা সম্ভব না হতো, তবে অবশ্যই তারা লটারী করতো। [সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৪৫]

* আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি দৈনিক বার রাকাত সালাত পড়ার পাবন্দী করে, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে মহল তৈরি করেন। চার রাকাত সালাত জোহরের পূর্বে, দুই রাকাত জোহরের পরে, দুই রাকাত মাগরিবের পর, দুই রাকাত ইশার পর এবং দুই রাকাত ফজরের পূর্বে। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬১৫]

* উসমান ইবন আফ্ফান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের সালাত জামা‘আতের সাথে আদায় করে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহ তা‘আলার যিকিরে মশগুল থাকে, অতঃপর দুই রাকাত নফল সালাত পড়ে, সে হজ ও উমরার সাওয়াব লাভ করে, আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনবার বলেছেন: পরিপূর্ণ হজ ও উমরা, পরিপূর্ণ হজ ও উমরার পরিপূর্ণ হজ ও উমরার সাওয়াব লাভ করে। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৪৯১]