১
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত প্রয়োজনীয় দো‘আর এক অনবদ্য সংকলন আল-হিসনুল ওয়াকী
লেখকঃ আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ আল-সাদহান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
ইলম ও নিয়ত
* নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রকৃত পক্ষে দুনিয়া হলো চার ব্যক্তির জন্য।
এক. এমন বান্দা- যাকে আল্লাহ তা‘আলা সম্পদ ও ইলম উভয় দান করেছেন। তবে সে তা খরচ করতে আপন রবকে ভয় করে (অর্থাৎ হারাম পথে ব্যয় করে না।), আত্মীয় স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য মালর হক মোতাবেক আমল করে (অর্থাৎ যথাস্থানে খরচ করে)। ঐ ব্যক্তি হলো সর্বোচ্ছ মর্যাদার অধিকারী।
দুই. এমন বান্দা- যাকে আল্লাহ ইলম দান করেছেন; কিন্তু সম্পদ দান করেন নি। তবে সে সত্য এবং সঠিক নিয়তে বলে যদি আমার মাল থাকত, তাহলে আমি অমুকের ন্যায় সাওয়াবের পথে খরচ করতাম। এ দু’ব্যক্তির সাওয়াব একই সমান।
তিন. এমন বান্দা- যাকে আল্লাহ মাল দিয়েছেন, কিন্তু ইলম দান করেন নি। ইলম না থাকার দরুন সে নিজের সম্পদের ব্যাপারে স্বেচ্ছাচারিতায় লিপ্ত হয়ে পড়ে। এতে সে আল্লাহকে ভয় করে না, আত্মীয়-স্বজনের আর্থিক হক আদায় করে না এবং নিজ সম্পদ হক পথে ব্যয় করে না। এ ব্যক্তি হলো সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট পর্যায়ের।
চার. এমন বান্দা- যার কাছে মালও নেই, ইলমও নেই। সে আকাংখা করে বলে, যদি আমার নিকট সম্পদ থাকত, তাহলে আমি অমুক ব্যক্তির মতো (যেখানে সেখানে) ব্যয় করতাম। এ বান্দাও তার নিয়ত অনুযায়ী হবে এবং তাদের গুনাহ হবে বরাবর অর্থাৎ মন্দ নিয়তের কারণে গুনাহের ক্ষেত্রে সে হবে তৃতীয় ব্যক্তির সমান। [তিরমিযী, হাদীস নং ২২৬৭]
* আবু বাকরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তুমি হয়ত আলেম হও অথবা তালেবে ইলম (ইলমের তালাশকারী) হও অথবা মনোযোগ সহকারে ইলমের শ্রবণকারী হও অথবা ইলম ও আলেমদের ভালোবাস। (এ চার ছাড়া) পঞ্চম প্রকার হয়ো না, তাহলে ধ্বংস হয়ে যাবে। পঞ্চম প্রকার হলো তুমি ইলম ও আলেমদের সাথে শক্রতা পোষণ কর। [মাজমায়ে যাওয়ায়েদ ১/৩২৮]
এক. এমন বান্দা- যাকে আল্লাহ তা‘আলা সম্পদ ও ইলম উভয় দান করেছেন। তবে সে তা খরচ করতে আপন রবকে ভয় করে (অর্থাৎ হারাম পথে ব্যয় করে না।), আত্মীয় স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য মালর হক মোতাবেক আমল করে (অর্থাৎ যথাস্থানে খরচ করে)। ঐ ব্যক্তি হলো সর্বোচ্ছ মর্যাদার অধিকারী।
দুই. এমন বান্দা- যাকে আল্লাহ ইলম দান করেছেন; কিন্তু সম্পদ দান করেন নি। তবে সে সত্য এবং সঠিক নিয়তে বলে যদি আমার মাল থাকত, তাহলে আমি অমুকের ন্যায় সাওয়াবের পথে খরচ করতাম। এ দু’ব্যক্তির সাওয়াব একই সমান।
তিন. এমন বান্দা- যাকে আল্লাহ মাল দিয়েছেন, কিন্তু ইলম দান করেন নি। ইলম না থাকার দরুন সে নিজের সম্পদের ব্যাপারে স্বেচ্ছাচারিতায় লিপ্ত হয়ে পড়ে। এতে সে আল্লাহকে ভয় করে না, আত্মীয়-স্বজনের আর্থিক হক আদায় করে না এবং নিজ সম্পদ হক পথে ব্যয় করে না। এ ব্যক্তি হলো সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট পর্যায়ের।
চার. এমন বান্দা- যার কাছে মালও নেই, ইলমও নেই। সে আকাংখা করে বলে, যদি আমার নিকট সম্পদ থাকত, তাহলে আমি অমুক ব্যক্তির মতো (যেখানে সেখানে) ব্যয় করতাম। এ বান্দাও তার নিয়ত অনুযায়ী হবে এবং তাদের গুনাহ হবে বরাবর অর্থাৎ মন্দ নিয়তের কারণে গুনাহের ক্ষেত্রে সে হবে তৃতীয় ব্যক্তির সমান। [তিরমিযী, হাদীস নং ২২৬৭]
* আবু বাকরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তুমি হয়ত আলেম হও অথবা তালেবে ইলম (ইলমের তালাশকারী) হও অথবা মনোযোগ সহকারে ইলমের শ্রবণকারী হও অথবা ইলম ও আলেমদের ভালোবাস। (এ চার ছাড়া) পঞ্চম প্রকার হয়ো না, তাহলে ধ্বংস হয়ে যাবে। পঞ্চম প্রকার হলো তুমি ইলম ও আলেমদের সাথে শক্রতা পোষণ কর। [মাজমায়ে যাওয়ায়েদ ১/৩২৮]