hadith book logo

আকীদাহ্ সম্পর্কিত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মাস’আলাহ্

লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী, শাইখ মুহাম্মাদ আবদুন নূর মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৪

১৯. প্রশ্ন: আমরা সাধারণত ‘ইবাদাত বলতে বুঝি কালেমাহ্, সালাত, যাকাত, সওম ও হাজ্জ ইত্যাদি। মূলত ‘ইবাদাতের সীমা-পরিসীমা কতটুকু?

উত্তর: ‘‘ইবাদাত অর্থই হচ্ছে প্রকাশ্য এবং গোপনীয় ঐ সকল কাজ ও কথা, যা আল্লাহ তা‘আলা ভালোবাসেন বা যার দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়।

ইবাদাতের উল্লিখিত সংজ্ঞা থেকেই বুঝা যায় যে, ‘‘ইবাদাত শুধুমাত্র কালেমাহ, সালাত, যাকাত, সওম ও হাজ্জ ইত্যাদির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি ক্ষণে আল্লাহর ‘ইবাদাত নিহিত রয়েছে। আল্লাহ বলেন:

﴿قُلۡ إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحۡيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ ١٦٢ ﴾ [ الانعام : ١٦٢ ]

“(হে রাসূল !) আপনি বলে দিন যে, নিশ্চয়ই আমার সালাত, আমার কুরবানী এবং আমর জীবন ও মরণ সবকিছুই মহান আল্লাহর জন্য নিবেদিত যিনি সমগ্র বিশ্বের রব্ব।” [সূরা আল-আন‘আম ৬:১৬২]

এ আয়াত এটাই প্রমাণ করে যে, মানব জীবনের প্রতিটি মুহুর্তের ভাল কথা বা কাজ ‘ইবাদাতের মধ্যে গণ্য। যেমন- দো‘আ করা, বিনয় ও নম্রতার সাথে ‘ইবাদাত করা, হালাল উপার্জন করা ও হালাল খাওয়া, দান-খায়রাত করা, পিতা-মাতার সেবা করা, প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদাচরণ করা, সর্বাবস্থায় সত্যাশ্রয়ী হওয়া, মিথ্যা বর্জন করা ইত্যাদি ‘ইবাদাতের অন্তর্ভুক্ত।