hadith book logo

বিদআত

লেখকঃ ইকবাল হোসাইন মাছুম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৩

কয়েকটি প্রচলিত বেদআত (১) ঈদে মিলাদুন্নবি সা. উদযাপন:—

খ্রিস্টান নাসারা নবী ঈসা আ.-এর জন্মদিন উদযাপন করতে গিয়ে হলি কৃস মাস পালন করে, তাদের দেখাদেখি কতক মুসলমানও একাজ শুরু করেছে, প্রত্যেক বৎসর রবিউল আউয়াল মাস আসলে রাসূল সা.-এর জন্ম দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদির আয়োজন করে। তাদের কেউ কেউ এ অনুষ্ঠান মসজিদে করে থাকে। কেউ কেউ নিজ বাড়িতে, আবার কেউ এ উদ্দেশ্যে বিশাল প্যান্ডেল তৈরি করে খুব জাঁক-জমকের সাথে উদযাপন করে। এসব অনুষ্ঠানে বিশেষ ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ জনগণসহ সর্ব শ্রেণির মানুষ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে অংশগ্রহণ করে, এগুলো মূলত খ্রিস্টানদের কালচার-অনুকরণ, যা তারা ঈসা আ. এর জন্ম দিবস উদযাপন উপলক্ষে করে থাকে।

এসব অনুষ্ঠানাদি বেদআত ও খ্রিস্টানদের সাদৃশ্যাবলম্বন। তাছাড়া ও বিভিন্ন শিরক, ও নিষিদ্ধ কার্যাদি থেকে মুক্ত নয় যেমন রাসূল সা.-এর শানে কবিতা ও গজল আবৃতি যেসব গজলে তার প্রশংসার নামে এমন সব কথা বার্তা বলা হয়, যেগুলো মূলত আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত। এ কারণেই এগুলো শিরক হয়ে যায়। কোন কোন গজলে গাইরুল্লাহর নিকট জিকির">দোয়া প্রার্থনা করা হয়—ইত্যাদি। অথচ নবী কারীম সা. তার প্রশংসার ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি ও অতিরঞ্জন থেকে কঠোর ভাবে নিষেধ করেছেন, তিনি বলেন:—

لاتطروني كما اطرت النصارى ابن مريم، إنما أنا عبد فقولوا عبد الله ورسوله .

‘খ্রিস্টানরা-নাসারা মরিয়ম তনয় ঈসার ব্যাপারে যেরূপ বাড়াবাড়ি করেছে তোমরা আমায় নিয়ে সে রূপ বাড়াবাড়ি করবে না, আমি একজন বান্দা বৈ অন্য কিছু নই। সুতরাং তোমরা আমার ব্যাপারে বলতে চাইলে এতটুকু বলবে, যে আল্লাহর বান্দা এবং তার রাসূল।’

কখনো এমন বিশ্বাস করা হয় যে, রাসূল সা. মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত হন।