১
বৈধ ও অবৈধ অসীলা
লেখকঃ ডক্টর আব্দুস সালাম বারজাস আল আব্দুল করীম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
নবী এবং সৎলোকদের সত্তার অসীলা নিষেধের অর্থ এই নয় যে, তাদের কোনো সত্তা এবং মর্যাদা নেই
প্রিয় ভাইসকল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পর তাঁর অসীলা গ্রহণ করা এবং নবীগণ ও সৎলোকদের অসীলা গ্রহণ করা আমাদের অপছন্দ হওয়ার অর্থ এটা নয় যে, আমরা তাদের সম্মান ও মর্যাদাকে অস্বীকার করি, বা আমরা তাদের সম্পর্কে বিদ্বেষ মনোভাব রাখি; যেমন অপবাদকারীগণ বলে থাকেন। তা একেবারেই অসম্ভব। আমার পিতা-মাতা কুরবান হোক, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট অধিক প্রিয় আমাদের নিজের নাফস, পরিবার এবং ধন সম্পদের চেয়ে। এবং তাঁর সম্মান বহু উর্দ্ধে, ফলে তাঁর প্রতি ঈমান আনা এবং তাঁকে মহব্বত করা ব্যতীত কারো ঈমান পূর্ণ হবে না।
রাসূলের জন্য আমাদের মহব্বত বা ভালবাসার দাবী হলো: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যেভাবে আল্লাহর ইবাদত করতে বলেছেন, হুবহু সেভাবেই ইবাদত করব, তিনি আমাদেরকে দ্বীনের মধ্যে বিদ‘আত সৃষ্টি করতে নিষেধ করেছেন এবং তিনি ও তাঁর সাহাবাগণ রাদিয়াল্লাহু আনহুম যার উপর আছেন তা শক্তভাবে আঁকড়ে ধরার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
এর অতিরিক্ত কোনো কিছু করা ঘাটতি এবং ক্ষতি এবং তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যাপারে এবং পবিত্র শরিয়ত যা আল্লাহ তা‘আলা রাসূলের সম্মানিত হস্তদ্বয়ের মাধ্যমে পরিপূর্ণ করেছেন তা বর্ণনার ব্যাপারে অপবাদ দেওয়ার শামিল।
সুতরাং এ সমস্ত বাক্য, যা বলা হয় যে: ‘যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অসীলা গ্রহণ করাকে জায়েয স্বীকৃতি দেয়না তারা তাঁর বিদ্বেষী’, এটি একটি অপবাদ এবং প্রতারণা। এর দ্বারা তাদের উদ্দেশ্য হলো: কেবলমাত্র এক আল্লাহর ইবাদত করা থেকে মানুষদের বাধা দেওয়া এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ থেকে দূরে রেখে কুপ্রবৃত্তি, মনগড়া মতবাদ এবং তারা যা ভাল মনে করে তার অনুসরনের দিকে মানুষকে নিয়ে যাওয়া।
দেখুন একটি স্পষ্ট বাস্তব চিত্র, যা আপনাকে প্রমাণ করে দিবে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মর্যাদা এবং সম্মান হয় সেই জিনিস দ্বারা যা শরিয়ত নিয়ে এসেছে, পক্ষান্তরে কোনো কৃপ্রবৃত্তি দ্বারা নয়। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: “তাদের নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে অধিক প্রিয় কেউ ছিলনা, তারা যখন তাঁকে দেখতেন তখন কেউ দাড়াতেন না, কারণ তারা জানতেন যে, তিনি তা পছন্দ করেন না।” [তিরমিযী, ২৭৫৪।] এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।
এ ক্ষেত্রে দাড়ানো আগত ব্যক্তির সম্মান এবং তাকে ভালবাসারই বহিঃপ্রকাশ, এতদসত্বেও সাহাবীগণ তা করতেন না, কেননা তারা জানতেন যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পছন্দ করেন না। এতে কি বলা যায় যে, সাহাবায়ে কেরামগণ রাসূলুল্লাহকে ভালোবাসতেন না? কখনো না, তারা এ ধরণের অপবাদ থেকে বহু দূরে।
তারপর আরও একটি কথা হচ্ছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বীনের ব্যাপারে অধিক বাড়াবাড়ি এবং উচ্চ প্রশংসা বা তোষামোদ করা থেকে সতর্ক করে দিয়েছেন যা আল্লাহর সহিত শির্ক করার দিকে নিয়ে যেতে পারে।
তিনি বলেছেন: (তোমরা আমার অধিক প্রশংসা করোনা যেভাবে নাসারাগণ ইবনে মারিয়মের প্রশংসা করেছে, আমি বরং একজন বান্দা, কাজেই তোমরা বল: আল্লাহর বান্দা ও তার রাসূল।) [মুসলিম, ৩৪৪৫।] হাদীসটি উমর ইবন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন।
وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين .
রাসূলের জন্য আমাদের মহব্বত বা ভালবাসার দাবী হলো: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যেভাবে আল্লাহর ইবাদত করতে বলেছেন, হুবহু সেভাবেই ইবাদত করব, তিনি আমাদেরকে দ্বীনের মধ্যে বিদ‘আত সৃষ্টি করতে নিষেধ করেছেন এবং তিনি ও তাঁর সাহাবাগণ রাদিয়াল্লাহু আনহুম যার উপর আছেন তা শক্তভাবে আঁকড়ে ধরার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
এর অতিরিক্ত কোনো কিছু করা ঘাটতি এবং ক্ষতি এবং তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যাপারে এবং পবিত্র শরিয়ত যা আল্লাহ তা‘আলা রাসূলের সম্মানিত হস্তদ্বয়ের মাধ্যমে পরিপূর্ণ করেছেন তা বর্ণনার ব্যাপারে অপবাদ দেওয়ার শামিল।
সুতরাং এ সমস্ত বাক্য, যা বলা হয় যে: ‘যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অসীলা গ্রহণ করাকে জায়েয স্বীকৃতি দেয়না তারা তাঁর বিদ্বেষী’, এটি একটি অপবাদ এবং প্রতারণা। এর দ্বারা তাদের উদ্দেশ্য হলো: কেবলমাত্র এক আল্লাহর ইবাদত করা থেকে মানুষদের বাধা দেওয়া এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ থেকে দূরে রেখে কুপ্রবৃত্তি, মনগড়া মতবাদ এবং তারা যা ভাল মনে করে তার অনুসরনের দিকে মানুষকে নিয়ে যাওয়া।
দেখুন একটি স্পষ্ট বাস্তব চিত্র, যা আপনাকে প্রমাণ করে দিবে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মর্যাদা এবং সম্মান হয় সেই জিনিস দ্বারা যা শরিয়ত নিয়ে এসেছে, পক্ষান্তরে কোনো কৃপ্রবৃত্তি দ্বারা নয়। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: “তাদের নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে অধিক প্রিয় কেউ ছিলনা, তারা যখন তাঁকে দেখতেন তখন কেউ দাড়াতেন না, কারণ তারা জানতেন যে, তিনি তা পছন্দ করেন না।” [তিরমিযী, ২৭৫৪।] এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।
এ ক্ষেত্রে দাড়ানো আগত ব্যক্তির সম্মান এবং তাকে ভালবাসারই বহিঃপ্রকাশ, এতদসত্বেও সাহাবীগণ তা করতেন না, কেননা তারা জানতেন যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পছন্দ করেন না। এতে কি বলা যায় যে, সাহাবায়ে কেরামগণ রাসূলুল্লাহকে ভালোবাসতেন না? কখনো না, তারা এ ধরণের অপবাদ থেকে বহু দূরে।
তারপর আরও একটি কথা হচ্ছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বীনের ব্যাপারে অধিক বাড়াবাড়ি এবং উচ্চ প্রশংসা বা তোষামোদ করা থেকে সতর্ক করে দিয়েছেন যা আল্লাহর সহিত শির্ক করার দিকে নিয়ে যেতে পারে।
তিনি বলেছেন: (তোমরা আমার অধিক প্রশংসা করোনা যেভাবে নাসারাগণ ইবনে মারিয়মের প্রশংসা করেছে, আমি বরং একজন বান্দা, কাজেই তোমরা বল: আল্লাহর বান্দা ও তার রাসূল।) [মুসলিম, ৩৪৪৫।] হাদীসটি উমর ইবন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন।
وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين .