১
ইসলামী আইন না মানার বিধান কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর
লেখকঃ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
ভূমিকা
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِنِ ٱلۡحُكۡمُ إِلَّا لِلَّهِ ٤٠﴾ [ يوسف : ٤٠ ]
“হুকুম বা বিধান একমাত্র আল্লাহরই”। [সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৪০] তিনি আরও বলেন,
﴿ أَفَحُكۡمَ ٱلۡجَٰهِلِيَّةِ يَبۡغُونَۚ وَمَنۡ أَحۡسَنُ مِنَ ٱللَّهِ حُكۡمٗا لِّقَوۡمٖ يُوقِنُونَ ٥٠ ﴾ [ المائدة : ٥٠ ]
“তারা কি তবে জাহেলিয়াতের বিধান চায়? দৃঢ়-বিশ্বাসীগণের জন্য আল্লাহর চেয়ে উত্তম বিধানদাতা আর কে হতে পারে?” [সূরা আল-মায়েদাহ, আয়াত: ৫০]
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহই হলেন বিধান-দাতা, আর তাঁর নিকট থেকেই বিধান নিতে হবে”। [আবূ দাউদ, হাদীস নং ৪৯৫৫; নাসাঈ, (৮/২২৬); বায়হাকি (১০/১৪৫) বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত।]
কুরআন ও হাদীসের এত সুস্পষ্ট ঘোষণা থাকার পরও অধিকাংশ মুসলিম ব্যাপারটির গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারে না, শয়তান তাদেরকে বিভিন্নভাবে তা উপলব্ধি করতে দেয় না। কারণ, সে মানুষকে দু’ভাবে প্রতারিত করে হক পথ থেকে দুরে সরিয়ে রাখে:
১. কু-প্রবৃত্তিতে নিপতিত করার মাধ্যমে।
২. সন্দেহে নিপতিত করার মাধ্যমে।
তন্মধ্যে প্রথমোক্ত শয়তানি চালের বিপরীতে যা মানুষকে রক্ষা করতে পারে তা হলো, এতদসংক্রান্ত শরী‘আতের হুকুম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা দেওয়া এবং আল্লাহর নাফরমানীর শাস্তির ভয় দেখানো।
আর দ্বিতীয় যে অস্ত্রটি শয়তান ব্যবহার করে তার একমাত্র রক্ষা করার উপায় হচ্ছে, সে সমস্ত সন্দেহের অপনোদন যা তাকে হক পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে।
আল্লাহ কর্তৃক প্রদত্ত বিধান অনুসারে চলা আল্লাহর ওপর ঈমানের অন্তর্ভুক্ত বিষয়। যা বিশ্বাসের দিক থেকে আল্লাহর রবুবিয়্যাতে (প্রভুত্বে) একত্ববাদ, আর আমল করার দিক থেকে আল্লাহর উলুহিয়্যাতে (ইবাদাতে) একত্ববাদ। যার অনুপস্থিতিতে কারো ঈমানই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের দাবি রাখলেও দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বাংলা ভাষাভাষী অনেকেই এ সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখেন না। তাদেরকে আল্লাহর বিধান মানা বা না মানা সংক্রান্ত সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্যেই আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। আল্লাহ আমার এ প্রয়াসকে কবুল করার মাধ্যমে যদি আমার জাতিকে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামী বিধান বাস্তবায়নের তাওফীক প্রদান করেন, তবেই আমার প্রচেষ্টা সার্থক হবে।
ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
﴿إِنِ ٱلۡحُكۡمُ إِلَّا لِلَّهِ ٤٠﴾ [ يوسف : ٤٠ ]
“হুকুম বা বিধান একমাত্র আল্লাহরই”। [সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৪০] তিনি আরও বলেন,
﴿ أَفَحُكۡمَ ٱلۡجَٰهِلِيَّةِ يَبۡغُونَۚ وَمَنۡ أَحۡسَنُ مِنَ ٱللَّهِ حُكۡمٗا لِّقَوۡمٖ يُوقِنُونَ ٥٠ ﴾ [ المائدة : ٥٠ ]
“তারা কি তবে জাহেলিয়াতের বিধান চায়? দৃঢ়-বিশ্বাসীগণের জন্য আল্লাহর চেয়ে উত্তম বিধানদাতা আর কে হতে পারে?” [সূরা আল-মায়েদাহ, আয়াত: ৫০]
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহই হলেন বিধান-দাতা, আর তাঁর নিকট থেকেই বিধান নিতে হবে”। [আবূ দাউদ, হাদীস নং ৪৯৫৫; নাসাঈ, (৮/২২৬); বায়হাকি (১০/১৪৫) বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত।]
কুরআন ও হাদীসের এত সুস্পষ্ট ঘোষণা থাকার পরও অধিকাংশ মুসলিম ব্যাপারটির গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারে না, শয়তান তাদেরকে বিভিন্নভাবে তা উপলব্ধি করতে দেয় না। কারণ, সে মানুষকে দু’ভাবে প্রতারিত করে হক পথ থেকে দুরে সরিয়ে রাখে:
১. কু-প্রবৃত্তিতে নিপতিত করার মাধ্যমে।
২. সন্দেহে নিপতিত করার মাধ্যমে।
তন্মধ্যে প্রথমোক্ত শয়তানি চালের বিপরীতে যা মানুষকে রক্ষা করতে পারে তা হলো, এতদসংক্রান্ত শরী‘আতের হুকুম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা দেওয়া এবং আল্লাহর নাফরমানীর শাস্তির ভয় দেখানো।
আর দ্বিতীয় যে অস্ত্রটি শয়তান ব্যবহার করে তার একমাত্র রক্ষা করার উপায় হচ্ছে, সে সমস্ত সন্দেহের অপনোদন যা তাকে হক পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে।
আল্লাহ কর্তৃক প্রদত্ত বিধান অনুসারে চলা আল্লাহর ওপর ঈমানের অন্তর্ভুক্ত বিষয়। যা বিশ্বাসের দিক থেকে আল্লাহর রবুবিয়্যাতে (প্রভুত্বে) একত্ববাদ, আর আমল করার দিক থেকে আল্লাহর উলুহিয়্যাতে (ইবাদাতে) একত্ববাদ। যার অনুপস্থিতিতে কারো ঈমানই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের দাবি রাখলেও দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বাংলা ভাষাভাষী অনেকেই এ সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখেন না। তাদেরকে আল্লাহর বিধান মানা বা না মানা সংক্রান্ত সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্যেই আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। আল্লাহ আমার এ প্রয়াসকে কবুল করার মাধ্যমে যদি আমার জাতিকে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামী বিধান বাস্তবায়নের তাওফীক প্রদান করেন, তবেই আমার প্রচেষ্টা সার্থক হবে।
ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া