১
ইসলামী আইন না মানার বিধান কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর
লেখকঃ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
দ্বিতীয়ত: আল্লাহর আইনের বিরোধী দ্বিতীয় দলটি ইসলামী আইনের জ্ঞান রাখে, তারা জানে যে, ইসলামী আইন অনুসারে না চললে কুফুরী হবে, কিন্তু তাদের মধ্যে দু’টি ধারা কাজ করছে: ক. তাদের এক শ্রেণি মনে করে ইসলামী আইন বর্তমান যুগের সাথে অসামঞ্জস্যশীল এবং অচল। তাদের অন্তরে রয়েছে ইসলামী আইনের কার্যকারিতা সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের সন্দেহ।
তাদের সন্দেহের মধ্যে যা যা তারা বলে থাকে তন্মধ্যে নিম্নোক্তগুলো প্রধান:
১) ইসলাম এবং আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান; উভয়টি পরস্পর বিরোধী।
২) কেউ কেউ মনে করে যে, বর্তমানে ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র হওয়া সম্ভব নয়, জাতীয়তা ভিত্তিক রাষ্ট্র হওয়াই জরুরি। আর জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্র আল্লাহর আইন অনুসারে চলতে পারে না। কেননা জাতি হিসেবে প্রত্যেক জাতির ভিন্ন ভিন্ন কৃষ্টি কালচার রয়েছে।
৩) কেউ কেউ বলেন, ইসলামী বিধান আধুনিক যুগের উদ্ভূত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে অপারগ।
৪) কেউ কেউ বলেন, ইসলামী বিধান মানেই একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা।
৫) কেউ কেউ বলেন, ইসলামী বিধান মানুষের বাক-স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করে। তেমনিভাবে চিন্তার স্বাধীনতায় বাধ সাধে। আর তা প্রগতির অন্তরায়।
৬) আবার কেউ কেউ বলেন, ইসলামী বিধান বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। কারণ, একই রাষ্ট্রে বিভিন্ন ধর্মের, দলের ও মতের লোক থাকে। সবাইকে একই আইনে কীভাবে পরিচালনা করা সম্ভব?
৭) আবার কেউ কেউ বলেন, ইসলামী বিধানে রয়েছে কঠোরতা, সমাজের মধ্যে ক্লীব, বিকলাঙ্গের জন্ম দেয়, তদুপরি নির্যাতন-নিষ্পেষণ ও মানুষ হত্যার মতো জঘন্যতম কাজের বিস্তৃতি ঘটে।
১) ইসলাম এবং আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান; উভয়টি পরস্পর বিরোধী।
২) কেউ কেউ মনে করে যে, বর্তমানে ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র হওয়া সম্ভব নয়, জাতীয়তা ভিত্তিক রাষ্ট্র হওয়াই জরুরি। আর জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্র আল্লাহর আইন অনুসারে চলতে পারে না। কেননা জাতি হিসেবে প্রত্যেক জাতির ভিন্ন ভিন্ন কৃষ্টি কালচার রয়েছে।
৩) কেউ কেউ বলেন, ইসলামী বিধান আধুনিক যুগের উদ্ভূত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে অপারগ।
৪) কেউ কেউ বলেন, ইসলামী বিধান মানেই একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা।
৫) কেউ কেউ বলেন, ইসলামী বিধান মানুষের বাক-স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করে। তেমনিভাবে চিন্তার স্বাধীনতায় বাধ সাধে। আর তা প্রগতির অন্তরায়।
৬) আবার কেউ কেউ বলেন, ইসলামী বিধান বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। কারণ, একই রাষ্ট্রে বিভিন্ন ধর্মের, দলের ও মতের লোক থাকে। সবাইকে একই আইনে কীভাবে পরিচালনা করা সম্ভব?
৭) আবার কেউ কেউ বলেন, ইসলামী বিধানে রয়েছে কঠোরতা, সমাজের মধ্যে ক্লীব, বিকলাঙ্গের জন্ম দেয়, তদুপরি নির্যাতন-নিষ্পেষণ ও মানুষ হত্যার মতো জঘন্যতম কাজের বিস্তৃতি ঘটে।