১
ইসলামী আইন না মানার বিধান কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর
লেখকঃ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
উপরোক্ত সন্দেহগুলোর অপনোদন সংক্ষেপে ও বিস্তারিত দুভাবে করা যেতে পারে; নিম্নে তা দেওয়া হলো:
সংক্ষিপ্ত উত্তর: এসব প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো: কেউ যদি আল্লাহকে একমাত্র রব হিসেবে মানে তাহলে অবশ্যই একথা তাকে বিশ্বাস করতে হবে যে, আল্লাহ তা‘আলা বান্দার জন্য কোনটি উপযোগী আর কোনটি অনুপযোগী সেটা ভালো করেই জানেন। আর জানেন বলেই তিনি এমনভাবে এ সমস্ত বিধান প্রদান করেছেন যাতে বান্দার জন্য এগুলো কোনো রকমের সমস্যা সৃষ্টি না করে। সুতরাং এ সমস্ত সমস্যাবলির উত্থাপন করার অর্থই হলো, আল্লাহর প্রভুত্বের ওপর সংশয়-সন্দেহ পোষণ করা।
অনুরূপভাবে কেউ যদি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বশেষ রাসূল ও শরী‘আত বাস্তবায়নকারী, আইনের সঠিক ব্যাখ্যা-দাতা, পূর্ববর্তী সমস্ত শরী‘আতের রহিতকারী এবং তিনি যা নিয়ে এসেছেন তাকে পরিপূর্ণ মনে করে থাকেন, তবে তার মধ্যে এ ধরনের প্রশ্নের সৃষ্টিই হতে পারে না। তাই এ ধরনের প্রশ্ন সৃষ্টির মানেই হলো, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বশেষ রাসূল, তাঁর প্রবর্তিত বিধানকে সর্বশেষ বিধান এবং তাঁর শরী‘আত সম্পূর্ণ ইত্যাদি মৌলিক বিষয়কে অস্বীকার করার শামিল।
আর যে ব্যক্তি এ ধারণা পোষণ করবে, সে সত্যিকার অর্থেই ঈমানের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যাবে।
আর এটাও জানতে হবে যে, এসব বিধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে পৃথিবীর কোনো ভূখণ্ডে অশান্তি, অরাজকতা ও উপরোল্লিখিত সমস্যাসমূহ দেখা দেয় নি; বরং এটা ধ্রুবসত্য যে, পৃথিবীর যেখানেই কিছু শান্তি রয়েছে বা ছিল তা ইসলামী বিধান বাস্তবায়নের বিনিময়েই ছিল। কেননা এ বিধান দিয়েছেন মানুষের স্রষ্টা আল্লাহ তা‘আলা, যেহেতু তিনি মানুষদেরকে সৃষ্টি করেছেন সেহেতু তাদের চলার জন্য প্রকৃত বিধান তারই পক্ষ হতে হওয়া উচিৎ। আর এটাই যুক্তিপূর্ণও; কেননা মানুষ নিজের কল্যাণ ও পরিণতি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখে না।
অনুরূপভাবে কেউ যদি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বশেষ রাসূল ও শরী‘আত বাস্তবায়নকারী, আইনের সঠিক ব্যাখ্যা-দাতা, পূর্ববর্তী সমস্ত শরী‘আতের রহিতকারী এবং তিনি যা নিয়ে এসেছেন তাকে পরিপূর্ণ মনে করে থাকেন, তবে তার মধ্যে এ ধরনের প্রশ্নের সৃষ্টিই হতে পারে না। তাই এ ধরনের প্রশ্ন সৃষ্টির মানেই হলো, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বশেষ রাসূল, তাঁর প্রবর্তিত বিধানকে সর্বশেষ বিধান এবং তাঁর শরী‘আত সম্পূর্ণ ইত্যাদি মৌলিক বিষয়কে অস্বীকার করার শামিল।
আর যে ব্যক্তি এ ধারণা পোষণ করবে, সে সত্যিকার অর্থেই ঈমানের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যাবে।
আর এটাও জানতে হবে যে, এসব বিধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে পৃথিবীর কোনো ভূখণ্ডে অশান্তি, অরাজকতা ও উপরোল্লিখিত সমস্যাসমূহ দেখা দেয় নি; বরং এটা ধ্রুবসত্য যে, পৃথিবীর যেখানেই কিছু শান্তি রয়েছে বা ছিল তা ইসলামী বিধান বাস্তবায়নের বিনিময়েই ছিল। কেননা এ বিধান দিয়েছেন মানুষের স্রষ্টা আল্লাহ তা‘আলা, যেহেতু তিনি মানুষদেরকে সৃষ্টি করেছেন সেহেতু তাদের চলার জন্য প্রকৃত বিধান তারই পক্ষ হতে হওয়া উচিৎ। আর এটাই যুক্তিপূর্ণও; কেননা মানুষ নিজের কল্যাণ ও পরিণতি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখে না।