১
আক্বীদা ও আমলের সংস্কার
লেখকঃ কামাল উদ্দিন মোল্লা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
মতবিরোধ দূরীভূত করে কল্যাণ ফিরিয়ে আনার উপায়:
এ ধরণের ভুল ভ্রান্তির ব্যাপারে বড় বড় ইসলামী চিন্তাবিদগণ সাবধান বাণী উচ্চারণ করেছেন। ফলে প্রতিটি দেশ ও যমানায় বহু আলেম সচেষ্ট হয়েছেন নিজেদের পারস্পরিক মতবিরোধ দূরীভূত করতে এবং তাদের ঐ মূলের দিকে ফিরিয়ে আনতে, যার সাথে সম্পর্ক থাকা সকলের জন্যই অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তার ওপর প্রতিটি মুসলিমই ভরসা করে আর তা হলো আল্লাহর কিতাব ও রাসূলের সুন্নাহ। এর মাধ্যমেই মুসলিমদের একতাবদ্ধ করা সম্ভব, সম্ভব পারস্পরিক মতবিরোধ দূরীভূত করা এবং এবং নিজেদের মধ্যে বিরাজমান হিংসা বিদ্বেষ দূর করা।
প্রতিটি মুসলিমের ওপর করণীয় ওয়াজিবগুলোর মধ্য একটি হলো -মুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করা, বিশেষ করে ওলামাদের সাথে। কারণ, তারাই হচ্ছেন সালাফে সালেহীনদের আদর্শস্বরূপ এবং রাসূলদের খলীফাস্বরূপ। উম্মতের মশহুর ইমামগণের মধ্যে এমন কাউকে পাওয়া যাবে না, যে বা যারা ইচ্ছাকৃতভাবে রাসূলের কোনো সুন্নাহর বিরোধিতা করেছেন। এমনকি কোনো সাধারণ মুসলিমের জন্যও প্রকাশ্যভাবে তাঁর বিরোধিতা করা অথবা তার সম্মান হানিকর কাজ করা সম্ভব নয়। তারা সমষ্টিগতভাবে ইয়াকীন-ঈমানের সাথে একমত যে, যে সমস্ত সহীহ হাদীসের বিপরীতে কোনো সহীহ হাদীস নেই তার উপর আমল করা ওয়াজিব। আর রাসূলের কথার উপর অন্য কারো কোনো কথাকে প্রাধান্য দেওয়া কোনোভাবেই জায়েয নয়।
প্রতিটি মুসলিমের ওপর করণীয় ওয়াজিবগুলোর মধ্য একটি হলো -মুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করা, বিশেষ করে ওলামাদের সাথে। কারণ, তারাই হচ্ছেন সালাফে সালেহীনদের আদর্শস্বরূপ এবং রাসূলদের খলীফাস্বরূপ। উম্মতের মশহুর ইমামগণের মধ্যে এমন কাউকে পাওয়া যাবে না, যে বা যারা ইচ্ছাকৃতভাবে রাসূলের কোনো সুন্নাহর বিরোধিতা করেছেন। এমনকি কোনো সাধারণ মুসলিমের জন্যও প্রকাশ্যভাবে তাঁর বিরোধিতা করা অথবা তার সম্মান হানিকর কাজ করা সম্ভব নয়। তারা সমষ্টিগতভাবে ইয়াকীন-ঈমানের সাথে একমত যে, যে সমস্ত সহীহ হাদীসের বিপরীতে কোনো সহীহ হাদীস নেই তার উপর আমল করা ওয়াজিব। আর রাসূলের কথার উপর অন্য কারো কোনো কথাকে প্রাধান্য দেওয়া কোনোভাবেই জায়েয নয়।