১
তোমার রব কে
লেখকঃ মুহাম্মাদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-আম্মারী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
ষষ্ঠত: যে আল্লাহর কিতাব পড়বে, সে জানতে পারবে সৃষ্টির পরে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ٱلَّذِي خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَ وَمَا بَيۡنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٖ ثُمَّ ٱسۡتَوَىٰ عَلَى ٱلۡعَرۡشِۖ ٱلرَّحۡمَٰنُ فَسَۡٔلۡ بِهِۦ خَبِيرٗا ٥٩﴾ [ الفرقان : ٥٨ ]
“যিনি আসমান, যমীন ও উভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি ‘আরশে উঠেছেন। তিনি পরম করুণাময়। সুতরাং তাঁর সম্পর্কে যিনি সম্যক অবহিত, তুমি তাকেই জিজ্ঞাসা কর।” [সূরা আল-ফুরকান, আয়াত: ৫৮]
আর ‘আরশ হচ্ছে সপ্তম আসমানের ছাদ।
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«فَإِذَا سَأَلْتُمُ اللَّهَ فَسَلُوهُ الفِرْدَوْسَ، فَإِنَّهُ أَوْسَطُ الجَنَّةِ، وَأَعْلَى الجَنَّةِ، وَفَوْقَهُ عَرْشُ الرَّحْمَنِ، وَمِنْهُ تَفَجَّرُ أَنْهَارُ الجَنَّةِ»
“সুতরাং তোমরা যখন আল্লাহর নিকট জান্নাত কামনা করবে তখন জান্নাতুল ফিরদাউস কামনা করবে। কারণ, তা হল, উৎকৃষ্ট ও উন্নত জান্নাত। এ জান্নাতের উপর রয়েছে পরম করুণাময় আল্লাহর আরশ। তা হতে জান্নাতের নহরসমূহ প্রবাহিত হয়।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭৪২৩।]
আর আল্লাহ তা‘আলা আরশের উপর রয়েছেন।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ٱلرَّحۡمَٰنُ عَلَى ٱلۡعَرۡشِ ٱسۡتَوَىٰ ٥﴾ [ طه : ٥ ]
“রহমান তাঁর ‘আরশের উপর রয়েছেন”। [সূরা ত্বা-হা: ৫]
আর আল্লাহর ওপর কোনো কিছুই নেই। কারণ, তিনি আয-যাহের, আর তার অর্থই হচ্ছে সবার উপরে, যার উপর আর কিছু নেই।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿هُوَ ٱلۡأَوَّلُ وَٱلۡأٓخِرُ وَٱلظَّٰهِرُ﴾ [ الحديد : ٣ ]
“তিনিই প্রথম ও শেষ এবং সর্বোচ্চ।” [সূরা আল-হাদীদ, আয়াত:৩]
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«اللَّهُمَّ أَنْتَ الظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَيْءٌ»
“হে আল্লাহ, আপনি সর্বোপরী, আপনার উপরে কিছু নেই।”
﴿ٱلَّذِي خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَ وَمَا بَيۡنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٖ ثُمَّ ٱسۡتَوَىٰ عَلَى ٱلۡعَرۡشِۖ ٱلرَّحۡمَٰنُ فَسَۡٔلۡ بِهِۦ خَبِيرٗا ٥٩﴾ [ الفرقان : ٥٨ ]
“যিনি আসমান, যমীন ও উভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি ‘আরশে উঠেছেন। তিনি পরম করুণাময়। সুতরাং তাঁর সম্পর্কে যিনি সম্যক অবহিত, তুমি তাকেই জিজ্ঞাসা কর।” [সূরা আল-ফুরকান, আয়াত: ৫৮]
আর ‘আরশ হচ্ছে সপ্তম আসমানের ছাদ।
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«فَإِذَا سَأَلْتُمُ اللَّهَ فَسَلُوهُ الفِرْدَوْسَ، فَإِنَّهُ أَوْسَطُ الجَنَّةِ، وَأَعْلَى الجَنَّةِ، وَفَوْقَهُ عَرْشُ الرَّحْمَنِ، وَمِنْهُ تَفَجَّرُ أَنْهَارُ الجَنَّةِ»
“সুতরাং তোমরা যখন আল্লাহর নিকট জান্নাত কামনা করবে তখন জান্নাতুল ফিরদাউস কামনা করবে। কারণ, তা হল, উৎকৃষ্ট ও উন্নত জান্নাত। এ জান্নাতের উপর রয়েছে পরম করুণাময় আল্লাহর আরশ। তা হতে জান্নাতের নহরসমূহ প্রবাহিত হয়।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭৪২৩।]
আর আল্লাহ তা‘আলা আরশের উপর রয়েছেন।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ٱلرَّحۡمَٰنُ عَلَى ٱلۡعَرۡشِ ٱسۡتَوَىٰ ٥﴾ [ طه : ٥ ]
“রহমান তাঁর ‘আরশের উপর রয়েছেন”। [সূরা ত্বা-হা: ৫]
আর আল্লাহর ওপর কোনো কিছুই নেই। কারণ, তিনি আয-যাহের, আর তার অর্থই হচ্ছে সবার উপরে, যার উপর আর কিছু নেই।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿هُوَ ٱلۡأَوَّلُ وَٱلۡأٓخِرُ وَٱلظَّٰهِرُ﴾ [ الحديد : ٣ ]
“তিনিই প্রথম ও শেষ এবং সর্বোচ্চ।” [সূরা আল-হাদীদ, আয়াত:৩]
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«اللَّهُمَّ أَنْتَ الظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَيْءٌ»
“হে আল্লাহ, আপনি সর্বোপরী, আপনার উপরে কিছু নেই।”