১
আয়াতুল কুরসী ও তাওহীদের প্রমাণাদি
লেখকঃ শাইখ আব্দুর রায্যাক ইবন আব্দুল মুহসিন আল-বদর • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
আয়াতটির শুরু কথা
এই বরকতপূর্ণ আয়াতটি চিরন্তন তাওহীদের বাক্য দ্বারা প্রারম্ভ করা হয়েছে (মহান আল্লাহ তিনিই যিনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই) এটি একটি মহান বাক্য, বরং সর্বাপেক্ষা মহান বাক্য। যার কারণে আকাশ-যমীন দণ্ডায়মান। যার কারণে সৃষ্টি হয় সমস্ত সৃষ্টি হয় । যাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে রাসূলদের প্রেরণ করা হয়েছিল এবং আসমান হতে কিতাবসমূহ অবতরণ করা হয়েছিল। যার কারণে নেকী-বদীর পরিমাপ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, আমলনামা রাখা হয়েছে এবং জান্নাত-জাহান্নাম নির্মিত হয়েছে। এর কারণেই আল্লাহর বান্দা মুমিন এবং কাফিরে বিভক্ত হয়েছে। যার প্রতিষ্ঠিত করণের উদ্দেশ্যে কিবলা নির্মিত হয়েছে এবং মিল্লাতের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে। এটি আল্লাহ তা‘আলার হক সমস্ত বান্দাদের প্রতি। ইসলামের কালেমা এবং জান্নাত তথা শান্তির বাসস্থানের চাবি। এটি তাক্কওয়ার কালেমা এবং সুদৃঢ় হাতল। এটি ইখলাসের কালেমা এবং হক্কের সাক্ষী, হক্কের আহ্বান এবং শির্ক থেকে মুক্তির ডাক। এটি সর্বোত্তম নি‘আমত এবং উৎকৃষ্ট উপহার ও মিনতি।
সুফিয়ান ইবন উয়াইনাহ বলেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা কোনো বান্দার ওপর ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর জ্ঞান দিয়ে যে নে‘আমত দান করেছেন, তার চেয়ে বড় আর কোনো নে‘আমত প্রদান করেন নি। [কালেমাতুল ইখলাস, ইবন রাজাব, পৃ. ৫৩।]
কিয়ামত দিবসে এই কালেমার সম্পর্কে পূর্বের ও পরের লোকদের জিজ্ঞাসা করা হবে। আদম সন্তানের পদদ্বয় আল্লাহর সম্মুখে ততক্ষণ নড়া-চড়া করতে পারে না যতক্ষণ না তাদেরকে দু’টি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে। একটি হচ্ছে, তোমরা কার ইবাদত করতে? অপরটি হচ্ছে, নবী-রাসূলদের আহ্বানে তোমরা কতখানি সাড়া দিয়েছিলে?
প্রথমটির উত্তর: কালেমায়ে তাওহীদ ‘লা ইলাহা ইল্লাহ’কে জেনে, স্বীকার করে এবং বাস্তবে আমল করার মাধ্যমে তা প্রতিষ্ঠিত করা। দ্বিতীয়টির উত্তর: ‘অবশ্যই মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল’। এই সাক্ষ্য ভালোভাবে জেনে, স্বীকৃতি দান করে এবং আনুগত্য ও অনুসরণের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করা।
সুফিয়ান ইবন উয়াইনাহ বলেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা কোনো বান্দার ওপর ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর জ্ঞান দিয়ে যে নে‘আমত দান করেছেন, তার চেয়ে বড় আর কোনো নে‘আমত প্রদান করেন নি। [কালেমাতুল ইখলাস, ইবন রাজাব, পৃ. ৫৩।]
কিয়ামত দিবসে এই কালেমার সম্পর্কে পূর্বের ও পরের লোকদের জিজ্ঞাসা করা হবে। আদম সন্তানের পদদ্বয় আল্লাহর সম্মুখে ততক্ষণ নড়া-চড়া করতে পারে না যতক্ষণ না তাদেরকে দু’টি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে। একটি হচ্ছে, তোমরা কার ইবাদত করতে? অপরটি হচ্ছে, নবী-রাসূলদের আহ্বানে তোমরা কতখানি সাড়া দিয়েছিলে?
প্রথমটির উত্তর: কালেমায়ে তাওহীদ ‘লা ইলাহা ইল্লাহ’কে জেনে, স্বীকার করে এবং বাস্তবে আমল করার মাধ্যমে তা প্রতিষ্ঠিত করা। দ্বিতীয়টির উত্তর: ‘অবশ্যই মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল’। এই সাক্ষ্য ভালোভাবে জেনে, স্বীকৃতি দান করে এবং আনুগত্য ও অনুসরণের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করা।