১
ইখলাস কেন ও কীভাবে
লেখকঃ গবেষণা পরিষদ আল-মুনতাদা আল-ইসলামী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
৩. আখিরাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শাফাআত লাভ:
বান্দা ইখলাস অবলম্বনের ক্ষেত্রে যত বেশি অগ্রগামী হবে সে কিয়ামতের দিন তত বেশি শাফা‘আত লাভের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে।
আল্লাহর রাসূলের হাদীস এর প্রমাণ: রাসূলুল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«أَسْعَدُ النَّاسِ بِشَفَاعَتِي يَوْمَ القِيَامَةِ، مَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، خَالِصًا مِنْ قَلْبِهِ»
“কিয়ামতের দিন আমার শাফা‘আত দ্বারা সবচেয়ে ভাগ্যবান হবে ঐ ব্যক্তি যে ইখলাসের সাথে (একনিষ্ঠভাবে) বলেছে আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোনো উপাস্য নেই।’’ [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৯৯।]
ইবনুল কাইয়্যেম রহ. বলেন: এ হাদীসে তাওহীদের একটি সুক্ষ্ম রহস্য লুকায়িত আছে, তা এই যে, শাফা‘আত লাভের অন্যতম শর্ত হচ্ছে তাওহীদ অবলম্বন ও তাওহীদের পরিপন্থী বিষয় থেকে পৃথকীকরণ। যে ব্যক্তি তার তাওহীদকে যত বেশি উন্নত ও পূর্ণ করতে পারবে সে তত বেশি শাফা‘আত লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। যে শির্ক করবে তার জন্য কোনো শাফা‘আত নেই। [আদ-দীন আল-খালেস: সিদ্দীক হাসান খান।]
আল্লাহর রাসূলের হাদীস এর প্রমাণ: রাসূলুল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«أَسْعَدُ النَّاسِ بِشَفَاعَتِي يَوْمَ القِيَامَةِ، مَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، خَالِصًا مِنْ قَلْبِهِ»
“কিয়ামতের দিন আমার শাফা‘আত দ্বারা সবচেয়ে ভাগ্যবান হবে ঐ ব্যক্তি যে ইখলাসের সাথে (একনিষ্ঠভাবে) বলেছে আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোনো উপাস্য নেই।’’ [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৯৯।]
ইবনুল কাইয়্যেম রহ. বলেন: এ হাদীসে তাওহীদের একটি সুক্ষ্ম রহস্য লুকায়িত আছে, তা এই যে, শাফা‘আত লাভের অন্যতম শর্ত হচ্ছে তাওহীদ অবলম্বন ও তাওহীদের পরিপন্থী বিষয় থেকে পৃথকীকরণ। যে ব্যক্তি তার তাওহীদকে যত বেশি উন্নত ও পূর্ণ করতে পারবে সে তত বেশি শাফা‘আত লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। যে শির্ক করবে তার জন্য কোনো শাফা‘আত নেই। [আদ-দীন আল-খালেস: সিদ্দীক হাসান খান।]