১
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকীদার সংক্ষিপ্ত মূলনীতি
লেখকঃ ড. নাসের ইবন আবদুল করীম আল-আকল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
মুখবন্ধ
আকীদার অর্থ
আভিধানিক দিক থেকে আকীদা শব্দটি উৎকলিত হয়েছে, আল-আকদু, আতাওসীকু, আল-ইহকামু বা দৃঢ় করে বাঁধা বুঝানোর অর্থে।
পরিভাষায় আকীদা বলতে বুঝায়: এমন সন্দেহাতীত প্রত্যয় এবং দৃঢ় বিশ্বাসকে যাতে বিশ্বাসকারীর নিকট কোনো সন্দেহের উদ্রেক করতে পারে না।
তাহলে ইসলামী আকীদা বলতে বুঝায় : মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় ঈমান বিশ্বাস রাখা, অনিবার্য করণেই আল্লাহর একত্ববাদ [তন্মধ্যে তাওহীদুল আসমা ওয়াস সিফাত ও তাওহীদুর উলুহিয়্যাহ বা ইবাদাতের ক্ষেত্রে তাওহীদ অন্যতম।] ও তাঁর আনুগত্যকে মেনে নেওয়া এবং ফিরিশতা, আসমানী কিতাবসমুহ, সকল রাসূল, কিয়ামত দিবস, তাকদীদের ভালো-মন্দ, কুরআন হাদীসে বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত সকল গায়েবী বিষয় এবং যাবতীয় সংবাদ, অকাট্যভাবে প্রমাণিত সকল তত্ত্বমূলক বা কর্মমূলক বিষয়ের ওপর দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করা।
পূর্বসুরী বা সালফে সালেহীন:
সালফে সালেহীন বলতে বুঝায় প্রথম তিন সোনালী যুগের লোকদের অর্থাৎ সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন ও আমাদের সম্মানিত হিদায়াতপ্রাপ্ত ইমামগণ।
আর তাদের অনুসরণকারী এবং তাদের পথ অবলম্বনকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে তাদের প্রতি সম্বোধন করত সালাফী বলা হয়।
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আত:
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আত বলা হয় ঐ সমস্ত ব্যক্তিদেরকে যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসের অনুসারী এবং তাঁর সুন্নাতের অনুগত এবং তাদেরকে আল-জামা‘আত বলা হয় এই মর্মে যে, তারা সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে, দীনের ব্যাপারে বিচ্ছিন্ন না হয়ে হিদায়াতপ্রাপ্ত ইমামদের ছত্রছায়ায় একত্রিত হয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধাচারণে লিপ্ত হন নি, এছাড়া যে সমস্ত বিষয়ে আমাদের পূর্বসূরী সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈগণ একমত হয়েছেন তারা তাঁর অনুসরণ করে, তাই এ সমস্ত কারণেই তাদেরকে আল-জামা‘আত বলা হয়।
এছাড়া রাসূলের সুন্নাহর অনুসারী হওয়ার কারণে কখনো তাদেরকে আহলে হাদীস, কখনো আহলুল আসার, কখনো অনুকরণকারী দল বা সাহায্যপ্রাপ্ত ও সফলতা লাভকারী দল বলেও আখ্যায়িত করা হয়।
আভিধানিক দিক থেকে আকীদা শব্দটি উৎকলিত হয়েছে, আল-আকদু, আতাওসীকু, আল-ইহকামু বা দৃঢ় করে বাঁধা বুঝানোর অর্থে।
পরিভাষায় আকীদা বলতে বুঝায়: এমন সন্দেহাতীত প্রত্যয় এবং দৃঢ় বিশ্বাসকে যাতে বিশ্বাসকারীর নিকট কোনো সন্দেহের উদ্রেক করতে পারে না।
তাহলে ইসলামী আকীদা বলতে বুঝায় : মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় ঈমান বিশ্বাস রাখা, অনিবার্য করণেই আল্লাহর একত্ববাদ [তন্মধ্যে তাওহীদুল আসমা ওয়াস সিফাত ও তাওহীদুর উলুহিয়্যাহ বা ইবাদাতের ক্ষেত্রে তাওহীদ অন্যতম।] ও তাঁর আনুগত্যকে মেনে নেওয়া এবং ফিরিশতা, আসমানী কিতাবসমুহ, সকল রাসূল, কিয়ামত দিবস, তাকদীদের ভালো-মন্দ, কুরআন হাদীসে বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত সকল গায়েবী বিষয় এবং যাবতীয় সংবাদ, অকাট্যভাবে প্রমাণিত সকল তত্ত্বমূলক বা কর্মমূলক বিষয়ের ওপর দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করা।
পূর্বসুরী বা সালফে সালেহীন:
সালফে সালেহীন বলতে বুঝায় প্রথম তিন সোনালী যুগের লোকদের অর্থাৎ সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন ও আমাদের সম্মানিত হিদায়াতপ্রাপ্ত ইমামগণ।
আর তাদের অনুসরণকারী এবং তাদের পথ অবলম্বনকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে তাদের প্রতি সম্বোধন করত সালাফী বলা হয়।
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আত:
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আত বলা হয় ঐ সমস্ত ব্যক্তিদেরকে যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসের অনুসারী এবং তাঁর সুন্নাতের অনুগত এবং তাদেরকে আল-জামা‘আত বলা হয় এই মর্মে যে, তারা সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে, দীনের ব্যাপারে বিচ্ছিন্ন না হয়ে হিদায়াতপ্রাপ্ত ইমামদের ছত্রছায়ায় একত্রিত হয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধাচারণে লিপ্ত হন নি, এছাড়া যে সমস্ত বিষয়ে আমাদের পূর্বসূরী সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈগণ একমত হয়েছেন তারা তাঁর অনুসরণ করে, তাই এ সমস্ত কারণেই তাদেরকে আল-জামা‘আত বলা হয়।
এছাড়া রাসূলের সুন্নাহর অনুসারী হওয়ার কারণে কখনো তাদেরকে আহলে হাদীস, কখনো আহলুল আসার, কখনো অনুকরণকারী দল বা সাহায্যপ্রাপ্ত ও সফলতা লাভকারী দল বলেও আখ্যায়িত করা হয়।