১
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকীদার সংক্ষিপ্ত মূলনীতি
লেখকঃ ড. নাসের ইবন আবদুল করীম আল-আকল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
পঞ্চম অধ্যায়: আল-কুরআন আল্লাহর বাণী
১. বর্ণ ও অর্থ উভয়টি মিলেই কুরআন শরীফ আল্লাহর বাণী। এটি আল্লাহর সৃষ্টি নয়, তাঁর থেকেই এর শুরু এবং তাঁর নিকটেই ফিরে যাবে। এটি এক অকাট্য মু‘জিযা যার দ্বারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সত্যতা প্রমাণিত হয় এবং এই কুরআন কিয়ামত পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে।
২. আল্লাহ তা‘আলা যার সাথে যেভাবে ইচ্ছা কথা বলেন, তাঁর কথা বাস্তব বর্ণ ও আওয়াজের সমন্বয়ে গঠিত; কিন্তু তাঁর কথা বলার ধরন আমাদের জানার বাইরে এবং আমরা এ নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হব না।
৩. কুরআন শরীফ এক অন্তর্নিহিত ভাবের নাম বা অন্য কিছু থেকে নেওয়া এটি একটি বর্ণনা মাত্র অথবা এটি শুধুমাত্র ভাষা ও বুলির অভিব্যক্তি, কিংবা এটি রূপক বা এটি ফায়েয তথা এক অসাধারণভাবে অন্তরে উদিত হওয়া উৎকর্ষের নাম, কুরআন সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য হচ্ছে পথভ্রষ্টতা ও বক্রতা। আবার কখনো এ ধরনের উক্তি কুফুরী।
৪. যে কেউ কুরআনের কোনো কিছুকে অস্বীকার বা অগ্রাহ্য করবে অথবা মনে করবে যে, এটি ক্রটিপূর্ণ বা এতে পরিবর্ধন করা হয়েছে অথবা এতে বিকৃতি আছে, সে কাফির।
৫. সালাফে সালেহীন তথা সাহাবায়ে কেরাম ও তাদের অনুসারী সঠিক তাবে‘ঈগণ যে পদ্ধতিতে কুরআনের ব্যাখ্যা করেছেন ঠিক সেই পদ্ধতিতেই এর ব্যাখ্যা করা কতর্ব্য। শুধু নিজের মতামতের ওপর ভিত্তি করে কুরআনের ব্যাখ্যা না জায়েয। কেননা তখন তা হবে, না জেনে আল্লাহ সম্পর্কে কথা বলা। আর বাতেনিয়া সম্প্রদায় ও তাদের অনুরূপ অন্যান্য সম্প্রদায়ের মতো কুরআনের ব্যাখ্যা করা কুফুরী।
২. আল্লাহ তা‘আলা যার সাথে যেভাবে ইচ্ছা কথা বলেন, তাঁর কথা বাস্তব বর্ণ ও আওয়াজের সমন্বয়ে গঠিত; কিন্তু তাঁর কথা বলার ধরন আমাদের জানার বাইরে এবং আমরা এ নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হব না।
৩. কুরআন শরীফ এক অন্তর্নিহিত ভাবের নাম বা অন্য কিছু থেকে নেওয়া এটি একটি বর্ণনা মাত্র অথবা এটি শুধুমাত্র ভাষা ও বুলির অভিব্যক্তি, কিংবা এটি রূপক বা এটি ফায়েয তথা এক অসাধারণভাবে অন্তরে উদিত হওয়া উৎকর্ষের নাম, কুরআন সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য হচ্ছে পথভ্রষ্টতা ও বক্রতা। আবার কখনো এ ধরনের উক্তি কুফুরী।
৪. যে কেউ কুরআনের কোনো কিছুকে অস্বীকার বা অগ্রাহ্য করবে অথবা মনে করবে যে, এটি ক্রটিপূর্ণ বা এতে পরিবর্ধন করা হয়েছে অথবা এতে বিকৃতি আছে, সে কাফির।
৫. সালাফে সালেহীন তথা সাহাবায়ে কেরাম ও তাদের অনুসারী সঠিক তাবে‘ঈগণ যে পদ্ধতিতে কুরআনের ব্যাখ্যা করেছেন ঠিক সেই পদ্ধতিতেই এর ব্যাখ্যা করা কতর্ব্য। শুধু নিজের মতামতের ওপর ভিত্তি করে কুরআনের ব্যাখ্যা না জায়েয। কেননা তখন তা হবে, না জেনে আল্লাহ সম্পর্কে কথা বলা। আর বাতেনিয়া সম্প্রদায় ও তাদের অনুরূপ অন্যান্য সম্প্রদায়ের মতো কুরআনের ব্যাখ্যা করা কুফুরী।