১
কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন
লেখকঃ ড. রফী‘ উওনলা বাসীরী ইজীবুঈ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
২. সালাত কায়েম করা সম্পর্কে তাদের মতামত:
ইসলামের এ বিশেষ নিদর্শনের ব্যাপারে গোলাম আহমাদ কাদিয়ানী যে সব প্রকাশ্য বিরোধিতায় লিপ্ত তা হলো:
# তার মতে যারা মসজিদে থাকবে তাদের জন্য মুয়াজ্জিনের আজানের জওয়াব দেওয়া মুস্তাহাব নয়। [( ملفوظات المسيح الموعود ) সংগ্রহও গ্রন্থনা: আহমাদীয়া জামাতের মুখপাত্র নুর মুহাম্মাদ নাসিম সায়েফী কাদীয়ানী পৃ. ১০, ফাতওয়া নং ৪ দ্র:]
# আরবী জানা সত্বেও যে কোনো ভাষায় সালাত পড়লেই শুদ্ধ হবে। [( ملفوظات المسيح الموعود ) পৃ. ১৩, অনুবাদ, ১৩,১৮, ২০, পৃ. ১৯-এর ২৩ অনুচ্ছেদ।]
# মাহিলাদের ওপর জুমু‘আ ওয়াজিব, জুমু‘আ ওয়াজিব হওয়ার জন্য দুইজন লোকই যথেষ্ঠ; এমনকি কোনো লোক তার স্ত্রী ব্যতীত কাউকে না পেলে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে জুমু‘আ পড়া তার ওপর ওয়াজিব। [( ملفوظات المسيح الموعود ) পৃ. ৩৫=৫৭, ও পৃ. ৩৭ অনু: ৬২ ।]
অনুরূপভাবে সে সুফীবাদে বিখ্যাত নিরবিচ্ছিন্ন অনবরত চল্লিশ দিনের নির্জন বাস বা বদ্ধ ঘরে একাকীত্বে থাকাকে মনে প্রাণে সমর্থন দেয় এবং এটাকে বিরাট পূণ্যের কাজ বলে মনে করে” [AHMADIATS. MOVEMENT.P.39. الأحمدية ولادة جديدة للإسلام পৃ. ৩৫, ৩৬, (ইংরেজি সংস্করণ)]
যদিও সে পরকালে বিশ্বাস করে না তবুও মানুষকে ধোকা দেবার নিমিত্তে সে তার বই ( الوصية )-তে তার অনুসারী যারা জান্নাতী কবরস্থান (যা ‘কাদিয়ান’ নামক স্থানে অবস্থিত) সেখানে দাফন হবে তাদেরকে জান্নাতের ওয়াদা প্রদান করেছে। [( الوصية ) পৃ. ৫০, ইংরেজী সংস্করণ।]
সুতরাং গোলাম আহমাদ কাদিয়ানী যদি তার অনুসারীদের জন্য আল্লাহ ও তার রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রদর্শিত পথের বাইরে নতুন নতুন নিয়ম-কানূন জারী করে, তা হলে তাদেরকে নিন্দা করা কি প্রত্যেক মুমিনের জন্য ওয়াজিব নয়? তাদের প্রকাশ্যরূপে মানুষ যাতে বিভ্রান্ত না হয় সে ব্যাপারে লোকদেরকে সাবধান করা কি জরুরি নয়?
প্রশ্ন হতে পারে: তারা তো আমাদের মতোই সালাতে হাত বেধে দাঁড়ায়, নিবিষ্ট মন নিয়ে সালাত পড়ে। এমনকি সাজদায় যাবার সময় আগে হাত রেখে তারপর দুই হাটু স্থপন করে থাকেন। [এটা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।] আপনি বি বলতে চান তারা এটা তাদের মুনাফেকী?
উত্তরে বলবো: হ্যাঁ নিঃসন্দেহে এটা তাদের মুনাফেকী।
আল্লাহ তা‘আলা বলছেন:
﴿لَّيۡسَ ٱلۡبِرَّ أَن تُوَلُّواْ وُجُوهَكُمۡ قِبَلَ ٱلۡمَشۡرِقِ وَٱلۡمَغۡرِبِ وَلَٰكِنَّ ٱلۡبِرَّ مَنۡ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةِ وَٱلۡكِتَٰبِ وَٱلنَّبِيِّۧنَ﴾ [ البقرة : ١٧٧ ]
(মুখ পূর্ব-পশ্চিম ফিরানোর মাঝে কোনো সাওয়াব নেই, সওয়াব হলো ঐ ব্যক্তির জন্য যে, ঈমান এনেছে আল্লাহ পরকাল, ফিরিশতা, আল্লাহর কিতাবাদী এবং তার রাসূলদের প্রতি।) [সূরা বাকারা, আয়াত: ১৭৭।]
# তার মতে যারা মসজিদে থাকবে তাদের জন্য মুয়াজ্জিনের আজানের জওয়াব দেওয়া মুস্তাহাব নয়। [( ملفوظات المسيح الموعود ) সংগ্রহও গ্রন্থনা: আহমাদীয়া জামাতের মুখপাত্র নুর মুহাম্মাদ নাসিম সায়েফী কাদীয়ানী পৃ. ১০, ফাতওয়া নং ৪ দ্র:]
# আরবী জানা সত্বেও যে কোনো ভাষায় সালাত পড়লেই শুদ্ধ হবে। [( ملفوظات المسيح الموعود ) পৃ. ১৩, অনুবাদ, ১৩,১৮, ২০, পৃ. ১৯-এর ২৩ অনুচ্ছেদ।]
# মাহিলাদের ওপর জুমু‘আ ওয়াজিব, জুমু‘আ ওয়াজিব হওয়ার জন্য দুইজন লোকই যথেষ্ঠ; এমনকি কোনো লোক তার স্ত্রী ব্যতীত কাউকে না পেলে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে জুমু‘আ পড়া তার ওপর ওয়াজিব। [( ملفوظات المسيح الموعود ) পৃ. ৩৫=৫৭, ও পৃ. ৩৭ অনু: ৬২ ।]
অনুরূপভাবে সে সুফীবাদে বিখ্যাত নিরবিচ্ছিন্ন অনবরত চল্লিশ দিনের নির্জন বাস বা বদ্ধ ঘরে একাকীত্বে থাকাকে মনে প্রাণে সমর্থন দেয় এবং এটাকে বিরাট পূণ্যের কাজ বলে মনে করে” [AHMADIATS. MOVEMENT.P.39. الأحمدية ولادة جديدة للإسلام পৃ. ৩৫, ৩৬, (ইংরেজি সংস্করণ)]
যদিও সে পরকালে বিশ্বাস করে না তবুও মানুষকে ধোকা দেবার নিমিত্তে সে তার বই ( الوصية )-তে তার অনুসারী যারা জান্নাতী কবরস্থান (যা ‘কাদিয়ান’ নামক স্থানে অবস্থিত) সেখানে দাফন হবে তাদেরকে জান্নাতের ওয়াদা প্রদান করেছে। [( الوصية ) পৃ. ৫০, ইংরেজী সংস্করণ।]
সুতরাং গোলাম আহমাদ কাদিয়ানী যদি তার অনুসারীদের জন্য আল্লাহ ও তার রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রদর্শিত পথের বাইরে নতুন নতুন নিয়ম-কানূন জারী করে, তা হলে তাদেরকে নিন্দা করা কি প্রত্যেক মুমিনের জন্য ওয়াজিব নয়? তাদের প্রকাশ্যরূপে মানুষ যাতে বিভ্রান্ত না হয় সে ব্যাপারে লোকদেরকে সাবধান করা কি জরুরি নয়?
প্রশ্ন হতে পারে: তারা তো আমাদের মতোই সালাতে হাত বেধে দাঁড়ায়, নিবিষ্ট মন নিয়ে সালাত পড়ে। এমনকি সাজদায় যাবার সময় আগে হাত রেখে তারপর দুই হাটু স্থপন করে থাকেন। [এটা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।] আপনি বি বলতে চান তারা এটা তাদের মুনাফেকী?
উত্তরে বলবো: হ্যাঁ নিঃসন্দেহে এটা তাদের মুনাফেকী।
আল্লাহ তা‘আলা বলছেন:
﴿لَّيۡسَ ٱلۡبِرَّ أَن تُوَلُّواْ وُجُوهَكُمۡ قِبَلَ ٱلۡمَشۡرِقِ وَٱلۡمَغۡرِبِ وَلَٰكِنَّ ٱلۡبِرَّ مَنۡ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةِ وَٱلۡكِتَٰبِ وَٱلنَّبِيِّۧنَ﴾ [ البقرة : ١٧٧ ]
(মুখ পূর্ব-পশ্চিম ফিরানোর মাঝে কোনো সাওয়াব নেই, সওয়াব হলো ঐ ব্যক্তির জন্য যে, ঈমান এনেছে আল্লাহ পরকাল, ফিরিশতা, আল্লাহর কিতাবাদী এবং তার রাসূলদের প্রতি।) [সূরা বাকারা, আয়াত: ১৭৭।]