১
কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন
লেখকঃ ড. রফী‘ উওনলা বাসীরী ইজীবুঈ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
৩. যাকাত আদায় করা সম্পর্কে তাদের মতামত:
গোলাম আহমাদ কাদিয়ানী কুরআনের আয়াত দ্বারা প্রমাণিত যাকাতকে নিজের মনগড়া ভাবে ফরয করেছে। কারণ সে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে সমস্ত হাদীসে যাকাতের বিধান বর্ণিত হয়েছে সেগুলোকে অস্বীকার করেছে কারণ তার মতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসসমূহ কুরআনের বিরোধিত করছে। অনুরূপভাবে সে মনে করে যে, হাদীস লেখা হয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর অনেক যুগ পরে। সুতরাং তা গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। উপরন্তু সে মুসলিমদেরকে এই বলে আক্রমন করে বসলো যে, “যারা হাদীসের ব্যাপারে গুরুত্ব দেয় তারা কুরআনের মর্যাদাহানী করে।” [( حمامة البشرى ) পৃ. ১, ১১৬, ১৮৬।]
এ জন্যই সে তার প্রথম ফতোয়াতেই এই বলে আহবান করেছে যে, “তার মতের বিপরিত যত সহীহ বা বিশুদ্ধ হাদীস আছে তা বাদ দিতে হবে।” [( ملفوظات المسيح الموعود ) পৃ. ৮, ফাতওয়া নং ১, ইংরেজী সংস্করণ]
আর এজন্যই সে তার অনুসারীদের প্রত্যেক জীবিত লোকের ওপর নির্দিষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা তাদের আয় থেকে মাসিক ১/১৬ অংশ বা ১/১০ থেকে শুরু করে ১/৩ অংশ পর্যন্ত সবাইকেই আন্দেলনের বাক্স এ আন্দোলনের স্বার্থে জমা দিতে হবে। [( الحركة الأحمدية ) মীর্যা বশিরুদ্দিন মাহমুদ পৃ. ১৩১ ইংরেজী সংস্করণ।]
অনুরূপভাবে সে তার অনুসারী প্রত্যেক মৃত্যু পথ যাত্রীর ওপর ধার্য করেছে যে, যদি সে জান্নাতী কবরস্থানের সৌভাগ্যে গৌরবাম্বিত হতে চায় তবে যেন তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির ১/১০ অংশ আন্দোলনের স্বার্থে দান করে যায়। [( الوصية ) গোলাম আহমাদ কাদীয়ানী পৃ. ৪১,৫৫।]
তার এই নির্দেশ কাদিয়ানীদের উভয় গ্রুপ (কাদিয়ানী ও লাহোরী) এর মাঝে এখনো প্রচলিত রয়েছে।
এ সমস্ত কিছুর ফলে তারা একদিকে নির্দিষ্ট পরিমাণ দান মনগড়াভাবে নিজেদের ওপর ধার্য করলো, শরী‘আতের হুকুমকে অস্বীকার করলো; অপর দিকে খৃষ্টানদের মত জান্নাতের কেনা-বেচার চেক হস্তান্তরের ন্যায় জান্নাতী কবরস্থান বিক্রি করার অভিনব পদ্ধতি চালু করল।
একবার ইসলামে যাকাত বিধানের দিকে তাকানো যাক, দেখা যাবে সেখানে অত্যন্ত ইনসাফের সাথে তা গ্রহণ করা হয়ে থাকে। যেমন, যে সমস্ত ভূমিতে নিজ কষ্টে কৃষকরা ফসল ফলায় সেখানে ১/২০ অংশ, আর যেখানে কৃষকের কষ্ট ব্যতীত প্রাকৃতিক নিয়মে ফসল উৎপন্ন হয় সেখানে ১/১০ অংশ, বরং অন্যান্য সম্পদের ওপর মাত্র ১/৪০ অংশ যাকাত ধার্য করা হয়েছে; যাতে ইনসাফ ও ন্যায়ের চরম উৎকর্ষতা ফুটে উঠেছে। এর সাথে গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর মতামতের কি কোনো তুলনা চলে?
এ জন্যই সে তার প্রথম ফতোয়াতেই এই বলে আহবান করেছে যে, “তার মতের বিপরিত যত সহীহ বা বিশুদ্ধ হাদীস আছে তা বাদ দিতে হবে।” [( ملفوظات المسيح الموعود ) পৃ. ৮, ফাতওয়া নং ১, ইংরেজী সংস্করণ]
আর এজন্যই সে তার অনুসারীদের প্রত্যেক জীবিত লোকের ওপর নির্দিষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা তাদের আয় থেকে মাসিক ১/১৬ অংশ বা ১/১০ থেকে শুরু করে ১/৩ অংশ পর্যন্ত সবাইকেই আন্দেলনের বাক্স এ আন্দোলনের স্বার্থে জমা দিতে হবে। [( الحركة الأحمدية ) মীর্যা বশিরুদ্দিন মাহমুদ পৃ. ১৩১ ইংরেজী সংস্করণ।]
অনুরূপভাবে সে তার অনুসারী প্রত্যেক মৃত্যু পথ যাত্রীর ওপর ধার্য করেছে যে, যদি সে জান্নাতী কবরস্থানের সৌভাগ্যে গৌরবাম্বিত হতে চায় তবে যেন তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির ১/১০ অংশ আন্দোলনের স্বার্থে দান করে যায়। [( الوصية ) গোলাম আহমাদ কাদীয়ানী পৃ. ৪১,৫৫।]
তার এই নির্দেশ কাদিয়ানীদের উভয় গ্রুপ (কাদিয়ানী ও লাহোরী) এর মাঝে এখনো প্রচলিত রয়েছে।
এ সমস্ত কিছুর ফলে তারা একদিকে নির্দিষ্ট পরিমাণ দান মনগড়াভাবে নিজেদের ওপর ধার্য করলো, শরী‘আতের হুকুমকে অস্বীকার করলো; অপর দিকে খৃষ্টানদের মত জান্নাতের কেনা-বেচার চেক হস্তান্তরের ন্যায় জান্নাতী কবরস্থান বিক্রি করার অভিনব পদ্ধতি চালু করল।
একবার ইসলামে যাকাত বিধানের দিকে তাকানো যাক, দেখা যাবে সেখানে অত্যন্ত ইনসাফের সাথে তা গ্রহণ করা হয়ে থাকে। যেমন, যে সমস্ত ভূমিতে নিজ কষ্টে কৃষকরা ফসল ফলায় সেখানে ১/২০ অংশ, আর যেখানে কৃষকের কষ্ট ব্যতীত প্রাকৃতিক নিয়মে ফসল উৎপন্ন হয় সেখানে ১/১০ অংশ, বরং অন্যান্য সম্পদের ওপর মাত্র ১/৪০ অংশ যাকাত ধার্য করা হয়েছে; যাতে ইনসাফ ও ন্যায়ের চরম উৎকর্ষতা ফুটে উঠেছে। এর সাথে গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর মতামতের কি কোনো তুলনা চলে?