১
কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন
লেখকঃ ড. রফী‘ উওনলা বাসীরী ইজীবুঈ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
৩. ঐশী গ্রন্থ সমুহের ওপর ঈমান আনা সম্পর্কে:
ভণ্ড কাদিয়ানী তার আরবী গ্রন্থ ( الاستفتاء )-তে বলছে, “আল্লাহ....আমার সাথে কথা বলেছেন যেমন তার রাসূলদের সাথে বলেছেন....আর আমি এই কালেমাসমূহের সত্যতার বিশ্বাস রাখি যেমন আল্লাহর অন্যান্য কিতাবের ওপর রাখি” [( الاستفتاء ) পৃষ্টা নং ২২, ৮৬।]
ফলে সে তার স্বহস্তে লিখিত বিভিন্ন ভাষার বিভিন্ন প্রবন্ধের সমষ্টি ( تذكرة الوحي المقدس ) বা ‘ঐশী বাণী স্মারক’ নামে যার নামকরণ করেছিল; সেটাকে আল্লাহর কাছ থেকে যথাযথ অবতীর্ণ অন্যান্য কিতাবাদীর সাথে তুলনা করেছে।
এটা প্রমাণ করতে গিয়ে তার অনুসারীরা সূরা আল-বাকারা-এর আয়াত:
﴿وَٱلَّذِينَ يُؤۡمِنُونَ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيۡكَ وَمَآ أُنزِلَ مِن قَبۡلِكَ وَبِٱلۡأٓخِرَةِ هُمۡ يُوقِنُونَ ٤﴾ [ البقرة : ٤ ]
এর মধ্যকার ( ٱلۡأٓخِرَةِ ) শব্দের বিকৃত অর্থ (Distortion) করে বুঝতে চায় যে, (আখিরাত) [বস্তুত: আখেরাত দ্বারা মৃত্যু পরবর্তী জীবনকেই বুঝানো হয়ে থাকে।] দ্বারা কাদিয়ানীর নবুওয়াতের কথা বুঝানো হয়েছে; অবশ্য তারা কুরআন হাদীসের অর্থ বিকৃত করার কায়দা-কানূন তাদের পুর্বসূরী কাদিয়ানীর কাছ থেকেই নিয়েছে। ফলে যদি তার স্বহস্তে লিখা বিভিন্ন ভাষায় রচিত রচনাবলীকে ঐশী বাণী বলতে হয়, তবে কুরআনকেও বলতে হয় যে, মানুষের রচনা বা মানবের লিখা। [মূলত আখেরাত দ্বারা পরকাল বা হিসাব নিকাসের দিনকেই আরবীতে বুঝাতে হয়েছে।] আল্লাহর কালাম নয়। (নাউযুবিল্লাহ)
ফলে সে তার স্বহস্তে লিখিত বিভিন্ন ভাষার বিভিন্ন প্রবন্ধের সমষ্টি ( تذكرة الوحي المقدس ) বা ‘ঐশী বাণী স্মারক’ নামে যার নামকরণ করেছিল; সেটাকে আল্লাহর কাছ থেকে যথাযথ অবতীর্ণ অন্যান্য কিতাবাদীর সাথে তুলনা করেছে।
এটা প্রমাণ করতে গিয়ে তার অনুসারীরা সূরা আল-বাকারা-এর আয়াত:
﴿وَٱلَّذِينَ يُؤۡمِنُونَ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيۡكَ وَمَآ أُنزِلَ مِن قَبۡلِكَ وَبِٱلۡأٓخِرَةِ هُمۡ يُوقِنُونَ ٤﴾ [ البقرة : ٤ ]
এর মধ্যকার ( ٱلۡأٓخِرَةِ ) শব্দের বিকৃত অর্থ (Distortion) করে বুঝতে চায় যে, (আখিরাত) [বস্তুত: আখেরাত দ্বারা মৃত্যু পরবর্তী জীবনকেই বুঝানো হয়ে থাকে।] দ্বারা কাদিয়ানীর নবুওয়াতের কথা বুঝানো হয়েছে; অবশ্য তারা কুরআন হাদীসের অর্থ বিকৃত করার কায়দা-কানূন তাদের পুর্বসূরী কাদিয়ানীর কাছ থেকেই নিয়েছে। ফলে যদি তার স্বহস্তে লিখা বিভিন্ন ভাষায় রচিত রচনাবলীকে ঐশী বাণী বলতে হয়, তবে কুরআনকেও বলতে হয় যে, মানুষের রচনা বা মানবের লিখা। [মূলত আখেরাত দ্বারা পরকাল বা হিসাব নিকাসের দিনকেই আরবীতে বুঝাতে হয়েছে।] আল্লাহর কালাম নয়। (নাউযুবিল্লাহ)