hadith book logo

কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন

লেখকঃ ড. রফী‘ উওনলা বাসীরী ইজীবুঈ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৫

৪. রমযানের সাওম সম্পর্কে তাদের মতামত:

গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর মতে রমযানের সাওম ভাঙ্গা প্রত্যেক মুসাফির ও রোগীর ওপর ওয়াজিব, চাই কি তার সফর দীর্ঘ হউক বা সংক্ষিপ্ত হোক, রোগ বেশি হোক আর কমই হউক সর্বাবস্থায়ই সাওম ভঙ্গ করা ওয়াজিব। অনুরূপভাবে যারা ই‘তিকাফে থাকবে তাদের জন্য যে কোনো দুনিয়ার কথা বলতে নিষেধ নেই, যেমনিভাবে তারা ইচ্ছা করলে রোগীর দেখা শুনার জন্য বাহির হতে পারে। [( ملفوظات المسيح الموعود، لمولوي صائفي القادياني ) পৃ. ৪০, ফাতওয়া নং ৬৯ ও পৃ. ৪২ ফাতওয়া নং, ৭১ ও পৃ. ৪৩ ফাতওয়া নং ৭২।]

ফরয সাওমের ব্যাপারে উদাসীনতা স্বত্বেও সে সুফীদের থেকে ধার করে অনবরত ৮ মাস পর্যন্ত (১৮৭৫-১৮৭৬) নফল সাওম রাখার পদ্ধতি আবিস্কার করে। [ حضرة أحمد পৃ. ৫ (ইংরেজী সংস্করণ)]

তার আরেক অনুসারী তার এ অন্তরীন থাকার ঘটনাকে ফলাও করে প্রচার করতে গিয়ে কীভাবে চল্লিশ দিন পর্যন্ত সুফীদের নির্জনবাসে অবস্থান করে ধন্য হয়েছে তা বিস্তারিত বর্ণনা করেছে। [( الحركة الأحمدية ) পৃ. ৩৫, (ইংরেজী সংস্করণ)]

বরং সে এ শরী‘আত গর্হিত কাজকে অশেষ পূণ্যের কাজ মনে করে বসেছে এবং বলছে যে, সে এই নির্জন বাসের দ্বারা অদৃশ্যের পর্দাকে ছিন্ন করতে সক্ষম হয়েছে।

আর এখান থেকে বের হবার পরই সে ১৮৭৬ সালে তার বানোয়াট বিভিন্ন ভাষার ভুলে পরিপূর্ণ বাক্যাবলীকে অহী বলে দাবী করতে লাগল। [( الاستفتاء ) পৃ. ৩০, ৩১।]

সুতরাং তার অবস্থা থেকে আমরা স্পষ্ট বুঝতে পারছি যে, সে শয়তানের মন্ত্রনাকে অহী বলে চালাতে চেষ্টা করেছে। তা হলে প্রত্যেক মুসলিমকে তার শয়তানী থাবা থেকে সাবধান করা কি জরুরি নয়?