hadith book logo

কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব

লেখকঃ ড. মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইবরাহিম আন-নাইম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১২

১০. ঘুমের পূর্বে কিয়ামুল লাইলের নিয়ত করা।

আবু দারদা ‎ রাদিয়াল্লাহু আনহু একটি ‘মরফূ’ হাদিস বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‎ বলেছেন:

( مَنْ أَتَى فِرَاشَهُ وَهُوَ يَنْوِي أَنْ يَقُومَ يُصَلِّي مِنْ اللَّيْلِ ، فَغَلَبَتْهُ عَيْنَاهُ حَتَّى أَصْبَحَ ، كُتِبَ لَهُ مَا نَوَى ، وَكَانَ نَوْمُهُ صَدَقَةً عَلَيْهِ مِنْ رَبِّهِ عَزَّ وَجَلَّ ).

“যে ব্যক্তি তার বিছানায় আগমন করল এ নিয়তে যে রাতে উঠে সালাত আদায় করবে, কিন্তু তার চোখে ঘুম চেপে থাকল ভোর পর্যন্ত, তার নিয়ত অনুসারে তার জন্য লিখা হবে, আর তার ঘুম হবে আল্লাহর পক্ষ থেকে তার জন্য সদকা”। [নাসায়ি: (১৭৮৭), ইব্‌ন মাজাহ: (১৩৪৪), আল-বানি হাদিসটি হাসান বলেছেন, দেখুন: সহিহ আল-জামে: (৫৮৪১)]

লক্ষ্য করুন নিয়তের গুরুত্ব। নিয়ত আমলের জায়গায় প্রতিস্থাপিত হয়! এ থেকে আমরা ঐ ব্যক্তির বদ নসিব জানতে পারি, যে ঘুমানোর সময় ফজর সালাত আদায়ের পর্যন্ত নিয়ত করে না। এ হতভাগা শুধু কর্মস্থল অথবা বিদ্যালয়ের জন্য জাগ্রত হয়। সে কবিরা গুনায় অনবরত লিপ্ত, এ অবস্থায় তার মৃত্যু হলে পরিমাণ শুভ হনে না, আল্লাহর নিকট পানাহ চাই।

আর যে ফজরের সময় উঠার নিয়ত করে তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিল, কিন্তু তবুও উঠতে পারল না, তার ওপর কোন তিরস্কার নেই। কারণ ঘুমন্ত অবস্থায় আল্লাহর বিধানের সীমালঙ্ঘন নেই, সীমালঙ্ঘন হচ্ছে জাগ্রত অবস্থায়।