১
কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব
লেখকঃ ড. মুহাম্মাদ ইব্ন ইবরাহিম আন-নাইম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
৫. রাতে সূরা বাকারার শেষ দু’আয়াত তিলাওয়াত করা।
আবু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
( مَنْ قَرَأَ بِالآيَتَيْنِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ ).
“যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ দু’আয়াত তিলাওয়াত করল, তার জন্য তা যথেষ্ট হবে”। [আহমদ ফি ‘ফাতহুর রাব্বানি’: (১৮/৯৯), বুখারি: (৫০১০), মুসলিম: (৮০৭), তিরমিযি: (২৮৮১), আবু দাউদ: (১৩৯৭), ইব্ন মাজাহ: (১৩৬৯), দারামি: (১৪৮৭)]
ইমাম নববী রহ. বলেছেন: “এর অর্থ কেউ বলেছেন: কিয়ামুল লাইলের পরিবর্তে যথেষ্ট হবে। কেউ বলেছেন: শয়তানের অনিষ্ট থেকে যথেষ্ট হবে। কেউ বলেছেন: বিপদ-মুসিবত থেকে নিরাপত্তা হাসিল হবে। তবে সব অর্থের সম্ভাবনা রয়েছে”। [শারহুন নববী আলা সহিহ মুসলিম: (৬/৩৪০), হাদিস নং: (৮০৭)]
ইব্ন হাজার রহ. এ অভিমত সমর্থন করে বলেছেন: এ হিসেবে আমার বক্তব্য হচ্ছে: ওপরের সব অর্থ নেয়া সঠিক, আল্লাহ ভালো জানেন। প্রথম অর্থটি ইব্ন মাসউদ থেকে আলকামা, আলকামা থেকে আসেম সনদে একটি ‘মরফূ’ হাদিসে স্পষ্ট উল্লেখ আছে:
" مَنْ قَرَأَ خَاتِمَة الْبَقَرَة أَجْزَأَتْ عَنْهُ قِيَام لَيْلَة ".
“যে ব্যক্তি বাকারার শেষ আয়াত পড়ল, কিয়ামুল লাইলের আমল হিসেবে তার পক্ষ থেকে তা যথেষ্ট হবে”। [ফাতহুল বারি, লি ইব্ন হাজার আসকালানি: (৮/৬৭৩), হাদিস নং: (৫০১০)]
সূরা বাকারার শেষ দু’টি আয়াত পাঠ করা খুব সহজ, অধিকাংশ মানুষের তা মুখস্থ রয়েছে। আল-হামদুলিল্লাহ! মুসলিমের কর্তব্য প্রতি রাতে তা পাঠ করা। সহজ তাই এতে যথেষ্ট করে অন্যান্য আমল ত্যাগ করা ঠিক নয়, যার সওয়াবও কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ। কারণ মুমিনের লক্ষ্য হচ্ছে যথাসম্ভব নেকি হাসিল করা। অনুরূপেআমাদের জানা নেই যে, কোন্ আমল আল্লাহর গ্রহণযোগ্যতা লাভে ধন্য হয়।
আব্দুল্লাহ ইব্ন উমাইয়ের রহ. বলেছেন: “নিকৃষ্ট পেশার ন্যায় আল্লাহর ইবাদাতেও সামান্য আমল তোমার নিজের জন্য যথেষ্ট মনে কর না, বরং তুমি মন-প্রাণ দিয়ে অধিক অর্জনের চেষ্টা কর”। [‘হুলইয়াতুল আউলিয়া ওয়া তাবকাতুল আসফিয়া’ লি আবু নুআইম: (৩/৩৫৪)]
( مَنْ قَرَأَ بِالآيَتَيْنِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ ).
“যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ দু’আয়াত তিলাওয়াত করল, তার জন্য তা যথেষ্ট হবে”। [আহমদ ফি ‘ফাতহুর রাব্বানি’: (১৮/৯৯), বুখারি: (৫০১০), মুসলিম: (৮০৭), তিরমিযি: (২৮৮১), আবু দাউদ: (১৩৯৭), ইব্ন মাজাহ: (১৩৬৯), দারামি: (১৪৮৭)]
ইমাম নববী রহ. বলেছেন: “এর অর্থ কেউ বলেছেন: কিয়ামুল লাইলের পরিবর্তে যথেষ্ট হবে। কেউ বলেছেন: শয়তানের অনিষ্ট থেকে যথেষ্ট হবে। কেউ বলেছেন: বিপদ-মুসিবত থেকে নিরাপত্তা হাসিল হবে। তবে সব অর্থের সম্ভাবনা রয়েছে”। [শারহুন নববী আলা সহিহ মুসলিম: (৬/৩৪০), হাদিস নং: (৮০৭)]
ইব্ন হাজার রহ. এ অভিমত সমর্থন করে বলেছেন: এ হিসেবে আমার বক্তব্য হচ্ছে: ওপরের সব অর্থ নেয়া সঠিক, আল্লাহ ভালো জানেন। প্রথম অর্থটি ইব্ন মাসউদ থেকে আলকামা, আলকামা থেকে আসেম সনদে একটি ‘মরফূ’ হাদিসে স্পষ্ট উল্লেখ আছে:
" مَنْ قَرَأَ خَاتِمَة الْبَقَرَة أَجْزَأَتْ عَنْهُ قِيَام لَيْلَة ".
“যে ব্যক্তি বাকারার শেষ আয়াত পড়ল, কিয়ামুল লাইলের আমল হিসেবে তার পক্ষ থেকে তা যথেষ্ট হবে”। [ফাতহুল বারি, লি ইব্ন হাজার আসকালানি: (৮/৬৭৩), হাদিস নং: (৫০১০)]
সূরা বাকারার শেষ দু’টি আয়াত পাঠ করা খুব সহজ, অধিকাংশ মানুষের তা মুখস্থ রয়েছে। আল-হামদুলিল্লাহ! মুসলিমের কর্তব্য প্রতি রাতে তা পাঠ করা। সহজ তাই এতে যথেষ্ট করে অন্যান্য আমল ত্যাগ করা ঠিক নয়, যার সওয়াবও কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ। কারণ মুমিনের লক্ষ্য হচ্ছে যথাসম্ভব নেকি হাসিল করা। অনুরূপেআমাদের জানা নেই যে, কোন্ আমল আল্লাহর গ্রহণযোগ্যতা লাভে ধন্য হয়।
আব্দুল্লাহ ইব্ন উমাইয়ের রহ. বলেছেন: “নিকৃষ্ট পেশার ন্যায় আল্লাহর ইবাদাতেও সামান্য আমল তোমার নিজের জন্য যথেষ্ট মনে কর না, বরং তুমি মন-প্রাণ দিয়ে অধিক অর্জনের চেষ্টা কর”। [‘হুলইয়াতুল আউলিয়া ওয়া তাবকাতুল আসফিয়া’ লি আবু নুআইম: (৩/৩৫৪)]