১
কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব
লেখকঃ ড. মুহাম্মাদ ইব্ন ইবরাহিম আন-নাইম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
২. যোহর সালাতের পূর্বে চার রাকাত আদায় করা।
আবু সালেহ রহ. থেকে মুরসাল সনদে একটি ‘মরফূ’ হাদিস বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
( أَرْبَعُ رَكَعَاتٍ قَبْلَ الظُّهْرِ يَعْدِلْنَ بِصَلاَةِ السَّحَرِ ).
“যোহরের পূর্বে চার রাকাত সেহরির সালাতের সমপরিমাণ”। [মুসান্নাফ ইব্ন আবি শায়বাহ: (৫৯৪০), আল-বানি হাদিসটি হাসান বলেছেন। দেখুন: সিলসিলাতুস সাহিহাহ: (১৪৩১)]
এ চার রাকাতের আরেক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আসমানের দ্বারসমূহ এ জন্য উন্মুক্ত হয়। আবু আইয়ুব আনসারি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
( أربع قبل الظهر تفتح لهن أبواب السماء ) .
“যোহরের পূর্বে চার রাকাতের জন্য আসমানের দ্বারসমূহ উন্মুক্ত করা হয়”। [আবু দাউদ: (৩১২৮), আল-বানি ‘সহিহ তারগিব ওয়া তারহিব’: (৫৮৫) গ্রন্থে হাদিসটি হাসান লি গায়রিহি বলেছেন। আরো দেখুন: শামায়েলে তিরমিযি।]
এ জন্য আমরা দেখি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি খুব যত্নশীল ছিলেন, কোন কারণে ছুটে গেলে ফরযের পর কাযা করতেন, ত্যাগ করতেন না। যেমন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেছেন: “যদি তিনি যোহরের পূর্বে চার রাকাত আদায় না করে থাকতেন, তাহলে পরে তা আদায় করতেন”। [তিরমিযি: (৪২৬), আল-বানি সহিহ তিরমিযিতে: (৩৫০) হাদিসটি হাসান বলেছেন।] অপর বর্ণনায় তিনি বলেছেন: “যখন যোহরের পূর্বে তার চার রাকাত ছুটে যেত, যোহরের পরে তা আদায় করতেন”। [বায়হাকি হাদিসটি বর্ণনা করেছেন, আল-বানি সহিহ আল-জামে: (৪৭৫৯) গ্রন্থে হাসান বলেছেন।]
তাই যার চার রাকাত ছুটে যায়, অথবা কর্মস্থলের পরিবেশের কারণে তা আদায় করা সম্ভব না হয়, কাজ শেষে বাড়ি ফিরে তা আদায় করা দোষের নয়।
আবু ঈসা তিরমিযি রহ. বলেছেন: এ হাদিস প্রমাণ করে ফরযের পূর্বের সুন্নতগুলো নিয়মিত আদায় করা বিধি সম্মত। আর ফরযের শেষ সময় পর্যন্ত এর সময় দীর্ঘ হয়। যদি ফরয আদায়ের সাথে এর সময় শেষ হয়ে যেত, তবে ফরযের পর আদায় করা কাযা হিসেবে গণ্য হত। তখন ফরয পরবর্তী দু’রাকাত সুন্নতের পূর্বে এ চার রাকাত আদায় করার বিধান হত, অথচ এ অধ্যায়ের অপর হাদিস দ্বারা প্রমাণিত যোহর পরবর্তী দু’রাকাত আদায় শেষে এ চার রাকাত আদায় করা হত। [অতএব যোহরের পূর্বের চার রাকাত পরে আদায় করা কাযা নয় বরং আদায়, এ জন্য দু’রাকাত সুন্নতের পর তা আদায় করা বৈধ। কাযা হলে দু’রাকাত সুন্নতের পূর্বে তা কাযা করার বিধান থাকত।] ইরাকি রহ. এ অর্থ উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: শাফেয়ি মতাবলম্বীদের নিকট এ অর্থই সঠিক। [জামে তিরমিযি: (৯৪২৬)]
( أَرْبَعُ رَكَعَاتٍ قَبْلَ الظُّهْرِ يَعْدِلْنَ بِصَلاَةِ السَّحَرِ ).
“যোহরের পূর্বে চার রাকাত সেহরির সালাতের সমপরিমাণ”। [মুসান্নাফ ইব্ন আবি শায়বাহ: (৫৯৪০), আল-বানি হাদিসটি হাসান বলেছেন। দেখুন: সিলসিলাতুস সাহিহাহ: (১৪৩১)]
এ চার রাকাতের আরেক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আসমানের দ্বারসমূহ এ জন্য উন্মুক্ত হয়। আবু আইয়ুব আনসারি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
( أربع قبل الظهر تفتح لهن أبواب السماء ) .
“যোহরের পূর্বে চার রাকাতের জন্য আসমানের দ্বারসমূহ উন্মুক্ত করা হয়”। [আবু দাউদ: (৩১২৮), আল-বানি ‘সহিহ তারগিব ওয়া তারহিব’: (৫৮৫) গ্রন্থে হাদিসটি হাসান লি গায়রিহি বলেছেন। আরো দেখুন: শামায়েলে তিরমিযি।]
এ জন্য আমরা দেখি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি খুব যত্নশীল ছিলেন, কোন কারণে ছুটে গেলে ফরযের পর কাযা করতেন, ত্যাগ করতেন না। যেমন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেছেন: “যদি তিনি যোহরের পূর্বে চার রাকাত আদায় না করে থাকতেন, তাহলে পরে তা আদায় করতেন”। [তিরমিযি: (৪২৬), আল-বানি সহিহ তিরমিযিতে: (৩৫০) হাদিসটি হাসান বলেছেন।] অপর বর্ণনায় তিনি বলেছেন: “যখন যোহরের পূর্বে তার চার রাকাত ছুটে যেত, যোহরের পরে তা আদায় করতেন”। [বায়হাকি হাদিসটি বর্ণনা করেছেন, আল-বানি সহিহ আল-জামে: (৪৭৫৯) গ্রন্থে হাসান বলেছেন।]
তাই যার চার রাকাত ছুটে যায়, অথবা কর্মস্থলের পরিবেশের কারণে তা আদায় করা সম্ভব না হয়, কাজ শেষে বাড়ি ফিরে তা আদায় করা দোষের নয়।
আবু ঈসা তিরমিযি রহ. বলেছেন: এ হাদিস প্রমাণ করে ফরযের পূর্বের সুন্নতগুলো নিয়মিত আদায় করা বিধি সম্মত। আর ফরযের শেষ সময় পর্যন্ত এর সময় দীর্ঘ হয়। যদি ফরয আদায়ের সাথে এর সময় শেষ হয়ে যেত, তবে ফরযের পর আদায় করা কাযা হিসেবে গণ্য হত। তখন ফরয পরবর্তী দু’রাকাত সুন্নতের পূর্বে এ চার রাকাত আদায় করার বিধান হত, অথচ এ অধ্যায়ের অপর হাদিস দ্বারা প্রমাণিত যোহর পরবর্তী দু’রাকাত আদায় শেষে এ চার রাকাত আদায় করা হত। [অতএব যোহরের পূর্বের চার রাকাত পরে আদায় করা কাযা নয় বরং আদায়, এ জন্য দু’রাকাত সুন্নতের পর তা আদায় করা বৈধ। কাযা হলে দু’রাকাত সুন্নতের পূর্বে তা কাযা করার বিধান থাকত।] ইরাকি রহ. এ অর্থ উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: শাফেয়ি মতাবলম্বীদের নিকট এ অর্থই সঠিক। [জামে তিরমিযি: (৯৪২৬)]