১
দীনী কাজ সহজিকরণে কম্পিউটার
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
দীনী কাজ সহজিকরণে কম্পিউটার
কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সাধারণত সংবাদের শিরোনামে আসে নেতিবাচক খবরের জন্য। এসব পড়ে প্রযুক্তির এ দুই দিগন্ত সম্পর্কে নাওয়াকিফ লোকেরা ভাবেন কম্পিউটার-ইন্টারনেট মানেই নেতিবাচক কিছু। তাঁদের এ ধারণা একেবারেই অমূলক। এ দুয়ের ইতিবাচক ও কল্যাণকর দিকগুলো জানলে তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি যে সম্পূর্ণ পাল্টে যাবে তা হলফ করেই বলা যায়। আপনি যদি হন কোনো বিদগ্ধ গবেষক কিংবা প্রাজ্ঞ আলেম তথা ফকীহ বা মুহাদ্দিস তবে কম্পউটার হতে পারে আপনার জন্য এক অকল্পনীয় উপকারী বন্ধু। উদার অকৃপণ সহযোগী। আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থেকে নিয়ে যে পেশারই হোন না কেন কম্পিউটার হতে পারে আপনার বিশ্বস্ত সহায়তাকারী। তাই পৃথিবীর তাবৎ দেশের মানুষ এই যন্ত্রটির ওপর নির্ভর করছেন নির্দ্বিধায়। বিশ্বে বর্তমানে কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০০ কোটি। (দৈনিক প্রথম আলো : ৮/৭/২০১২)
প্রথমেই আমাদের মাথা থেকে কম্পিউটার সম্পর্কে নেতিবাচক চিন্তার ভূত তাড়াতে হবে। প্রতিটি বস্তুরই ভালো-মন্দ দিক থাকে। বিষ কেন তৈরি হয়? মানুষ মারার জন্য? নাহ, মানুষ বাঁচানোর জন্যই এর সৃষ্টি। বিষ দিয়ে বিষধরকে মেরে মানুষের জীবন বাঁচাতে হয়। কিন্তু মানুষের ভুল ব্যবহারের কারণে তা হয়ে ওঠে মানুষের প্রাণ হরণকারী। অতএব দোষ বিষের নয়; এর ব্যবহারকারীর। একটি ধারালো বটি দিয়ে আপনি তরকারি কাটবেন নাকি মানুষের গর্দান উড়িয়ে দেবেন সে সিদ্ধান্ত তো আপনাকেই গ্রহণ করতে হবে। মানুষ মারা যাবে বলে তো আর ঘর-সংসার থেকে প্রয়োজনীয় এই ধাতবকে বিতাড়িত করতে পারেন না। তাহলে তরকারি ছাড়াই ভাত খেতে হবে। কম্পিউটার-ইন্টারনেটের ব্যাপারটিও অনেকটা সে রকম। এর ভালো-মন্দ নির্ভর করবে ব্যবহারকারীর ওপর। অতএব কম্পিউটার-ইন্টারনেটকে মন্দ না ঠাওরে নেতিবাচক ব্যবহার রোধ করতে হবে। সমালোচনা করলে করতে হবে এর অপারেটরের। প্রচলিত বাগধারার বিপরীতে বলা যায় পাপকে নয় পাপীকে ঘৃণা করুন।
আমাদের শুরুতেই বুঝে নিতে হবে, বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার এমন এক প্রযুক্তির নাম পৃথিবীর সবকিছুতেই যার সাহায্য অপরিহার্য। যার অবদান অনস্বীকার্য। পৃথিবীর সব যন্ত্রই বর্তমানে কম্পিউটারাইজড। কম্পিউটারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সাহায্যে পরিচালিত। লেখাপড়া, সাহিত্যচর্চা, সাহিত্য-কলা সবকিছুতেই কম্পিউটার প্রসারিত করেছে তার সাহায্যের হাত। কৃষি, বাণিজ্য, চাকরি থেকে নিয়ে হেন কোনো পেশা নেই উন্নত বিশ্বে যাতে কম্পিউটারের সাহায্য নেয়া হয় না। ক্ষুদে ক্যালকুলেটর আর মোবাইল থেকে নিয়ে টিভি, রেডিও, সাইকেল, গাড়ি ও রেল, তেমনি যাত্রীবাহী বিমান থেকে নিয়ে সব ধরনের যুদ্ধাস্ত্র, বোমারু বিমান, সাবমেরিন, ট্যাংক-কামান- সবগুলো প্রস্তুত ও পরিচালিনায় কম্পিউটারের সাহায্য গ্রহণ আজ বিশ্বজনীন বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। পৃথিবীর সবাই যখন কম্পিউটারের মাধ্যমে নিজের কাজ সহজে ও স্বল্প সময়ে সমাধা করছে তখন কেউ যদি এর বিরুদ্ধে আড়ি করে বসে থাকেন তবে তা হবে দিবালোকের বিরুদ্ধে পেঁচার দশা।
প্রথমেই আমাদের মাথা থেকে কম্পিউটার সম্পর্কে নেতিবাচক চিন্তার ভূত তাড়াতে হবে। প্রতিটি বস্তুরই ভালো-মন্দ দিক থাকে। বিষ কেন তৈরি হয়? মানুষ মারার জন্য? নাহ, মানুষ বাঁচানোর জন্যই এর সৃষ্টি। বিষ দিয়ে বিষধরকে মেরে মানুষের জীবন বাঁচাতে হয়। কিন্তু মানুষের ভুল ব্যবহারের কারণে তা হয়ে ওঠে মানুষের প্রাণ হরণকারী। অতএব দোষ বিষের নয়; এর ব্যবহারকারীর। একটি ধারালো বটি দিয়ে আপনি তরকারি কাটবেন নাকি মানুষের গর্দান উড়িয়ে দেবেন সে সিদ্ধান্ত তো আপনাকেই গ্রহণ করতে হবে। মানুষ মারা যাবে বলে তো আর ঘর-সংসার থেকে প্রয়োজনীয় এই ধাতবকে বিতাড়িত করতে পারেন না। তাহলে তরকারি ছাড়াই ভাত খেতে হবে। কম্পিউটার-ইন্টারনেটের ব্যাপারটিও অনেকটা সে রকম। এর ভালো-মন্দ নির্ভর করবে ব্যবহারকারীর ওপর। অতএব কম্পিউটার-ইন্টারনেটকে মন্দ না ঠাওরে নেতিবাচক ব্যবহার রোধ করতে হবে। সমালোচনা করলে করতে হবে এর অপারেটরের। প্রচলিত বাগধারার বিপরীতে বলা যায় পাপকে নয় পাপীকে ঘৃণা করুন।
আমাদের শুরুতেই বুঝে নিতে হবে, বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার এমন এক প্রযুক্তির নাম পৃথিবীর সবকিছুতেই যার সাহায্য অপরিহার্য। যার অবদান অনস্বীকার্য। পৃথিবীর সব যন্ত্রই বর্তমানে কম্পিউটারাইজড। কম্পিউটারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সাহায্যে পরিচালিত। লেখাপড়া, সাহিত্যচর্চা, সাহিত্য-কলা সবকিছুতেই কম্পিউটার প্রসারিত করেছে তার সাহায্যের হাত। কৃষি, বাণিজ্য, চাকরি থেকে নিয়ে হেন কোনো পেশা নেই উন্নত বিশ্বে যাতে কম্পিউটারের সাহায্য নেয়া হয় না। ক্ষুদে ক্যালকুলেটর আর মোবাইল থেকে নিয়ে টিভি, রেডিও, সাইকেল, গাড়ি ও রেল, তেমনি যাত্রীবাহী বিমান থেকে নিয়ে সব ধরনের যুদ্ধাস্ত্র, বোমারু বিমান, সাবমেরিন, ট্যাংক-কামান- সবগুলো প্রস্তুত ও পরিচালিনায় কম্পিউটারের সাহায্য গ্রহণ আজ বিশ্বজনীন বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। পৃথিবীর সবাই যখন কম্পিউটারের মাধ্যমে নিজের কাজ সহজে ও স্বল্প সময়ে সমাধা করছে তখন কেউ যদি এর বিরুদ্ধে আড়ি করে বসে থাকেন তবে তা হবে দিবালোকের বিরুদ্ধে পেঁচার দশা।