১
দীনী কাজ সহজিকরণে কম্পিউটার
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
লেখালেখির ক্ষেত্রে :
যারা লেখালেখি ও সাহিত্য চর্চা করেন তারা সবাই জানেন প্রকৃতপক্ষে এ কাজটি কত কঠিন। একজন লেখককে তাঁর এ সহজাত প্রতিভা বিকাশে এবং জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভে কতটা ত্যাগ, সংযম ও অখণ্ড অধ্যাবসায় চালিয়ে যেতে হয় তা শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিই জানেন। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় দেখেছি, একটি লেখা তৈরি করতে গিয়ে কখনো ওই কাগজ হারিয়ে ফেলেছি, কখনো একটি তথ্যের জন্য শ্রমসাধ্য প্রায় পূর্ণাঙ্গ একটি লেখা দিনের পর দিন পড়ে থেকেছে। কখনো দেখা গেছে, বহু কষ্টে একটি রচনা প্রস্তুত করেছি কিন্তু সময় মতো পৌঁছানো সম্ভব হয় নি, কিংবা কিছু অর্থ ব্যয় করার পরও সেকেলে ও দায়িত্বজ্ঞানহীন ডাক ব্যবস্থার অভিশাপে তা আর সম্পাদকের হাত পর্যন্ত যেতে পারেনি। আরও দুঃখজনক ব্যাপার হলো, কোনো কপি নিজের কাছে না থাকায় এমন অনেক লেখা চিরতরে হারিয়ে গেছে। তা আর কখনো উদ্ধার করা সম্ভব হবে না। আমার অনুল্লেখযোগ্য লেখালেখি জীবনে প্রথম যে বইটি আমি অনুবাদ করেছি অনেক আবেগ আর ভালোবাসা দিয়ে, সে পাণ্ডুলিপিটি আমি উদ্ধার করতে পারছি না। তাই চাইলেও পারছি না সেটি প্রকাশ করতে, কিংবা অন্তত তার চেহারাখানি দেখতে।
অথচ এই কম্পিউটার এসে অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাল। আগে একটি খসড়া করতে হত, তারপর সেটি ফ্রেস করে প্রেরণযোগ্য করতে হত। এখন সরাসরি কম্পিউটারে লিখি। বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন প্রতিষ্ঠিত লেখকের কথা জানি তাঁরা সরাসরি কম্পিউটারেই তাদের লেখা প্রস্তুত করেন। অবস্থা এমনকি এমন দাঁড়িয়েছে যে হাতে যেন লেখা বেরুতেই চায় না। কম্পিউটারে বসলেই ছোটে ফোয়ারা। এর কারণ, লেখা তৈরির ক্ষেত্রে কম্পিউটারের সরবরাহ করা নানা সুবিধা। যেমন : লিখতে গিয়ে অনেক সময় বক্তব্য আগপাছ করতে হয়, কোনো শব্দ বা বাক্য বারবার ব্যবহার করতে হয়, সেক্ষেত্রে কম্পিউটারে এ কাজ করলে অনেক সুবিধে হয়। কম্পিউটারকে কমান্ড দিয়ে কাজগুলো সহজেই করা যায়। কম্পিউটারে লেখার মধ্যে কাটাকাটি বলে কিছু চোখে পড়ে না। যদি কম্পিউটারটি নিরাপদ হয় তাহলে লেখা হারানোর চিন্তা করতে হয় না। সহজেই তা সংরক্ষণ করা যায়। ইচ্ছে হলে কিংবা প্রয়োজনে একটি লেখা বিভিন্ন জায়গায় বারবার প্রেরণ করা যায়। পেনড্রাইভ বা সিডিতে কপি করে আপনি লেখাটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারেন। অন্যের কাছে প্রেরণও করতে পারেন। কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহারবিধি না জানা থাকলে হয়তো ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে কিংবা অন্য কোনো কারণে আপনার ডকুমেন্ট হারিয়ে বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ কারণে পেনড্রাইভে বা সিডিতে রাইট করে রাখলে আপনার ডকুমেন্টের নিরাপত্তা নিয়ে আর তেমন ভাবতে হবে না। তবে যদি সেই সিডি বা পেনড্রাইভও আপনার কাছে হারিয়ে যাওয়া বা অন্য কোনো কারণে নিরাপদ মনে না হয় তাহলে ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে লেখাটি স্থায়ীভাবে মেইল এড্রেসে সংরক্ষণ করতে পারেন। এতে করে কোনোদিন লেখাটি হারাবে না। পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে বসে কম্পিউটার বা মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করে লেখাটি উদ্ধার করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় ঠিকানায় সরাসরি প্রেরণ করতে পারবেন। একটি নির্দিষ্ট ফাইলে ধারাবাহিকভাবে এক বা একাধিক বিষয়ে লিখতে থাকলে অজ্ঞাতেই বইয়ের পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত হয়ে যায়। বই লিখে তা বয়ে বেরাতে হয় না। এক প্রকাশকের সঙ্গে কথা না মিললে কয়েকটি ক্লিক করেই তা একাধিক প্রকাশক বা ব্যক্তির কাছে প্রেরণ করা যায়।
অথচ এই কম্পিউটার এসে অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাল। আগে একটি খসড়া করতে হত, তারপর সেটি ফ্রেস করে প্রেরণযোগ্য করতে হত। এখন সরাসরি কম্পিউটারে লিখি। বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন প্রতিষ্ঠিত লেখকের কথা জানি তাঁরা সরাসরি কম্পিউটারেই তাদের লেখা প্রস্তুত করেন। অবস্থা এমনকি এমন দাঁড়িয়েছে যে হাতে যেন লেখা বেরুতেই চায় না। কম্পিউটারে বসলেই ছোটে ফোয়ারা। এর কারণ, লেখা তৈরির ক্ষেত্রে কম্পিউটারের সরবরাহ করা নানা সুবিধা। যেমন : লিখতে গিয়ে অনেক সময় বক্তব্য আগপাছ করতে হয়, কোনো শব্দ বা বাক্য বারবার ব্যবহার করতে হয়, সেক্ষেত্রে কম্পিউটারে এ কাজ করলে অনেক সুবিধে হয়। কম্পিউটারকে কমান্ড দিয়ে কাজগুলো সহজেই করা যায়। কম্পিউটারে লেখার মধ্যে কাটাকাটি বলে কিছু চোখে পড়ে না। যদি কম্পিউটারটি নিরাপদ হয় তাহলে লেখা হারানোর চিন্তা করতে হয় না। সহজেই তা সংরক্ষণ করা যায়। ইচ্ছে হলে কিংবা প্রয়োজনে একটি লেখা বিভিন্ন জায়গায় বারবার প্রেরণ করা যায়। পেনড্রাইভ বা সিডিতে কপি করে আপনি লেখাটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারেন। অন্যের কাছে প্রেরণও করতে পারেন। কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহারবিধি না জানা থাকলে হয়তো ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে কিংবা অন্য কোনো কারণে আপনার ডকুমেন্ট হারিয়ে বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ কারণে পেনড্রাইভে বা সিডিতে রাইট করে রাখলে আপনার ডকুমেন্টের নিরাপত্তা নিয়ে আর তেমন ভাবতে হবে না। তবে যদি সেই সিডি বা পেনড্রাইভও আপনার কাছে হারিয়ে যাওয়া বা অন্য কোনো কারণে নিরাপদ মনে না হয় তাহলে ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে লেখাটি স্থায়ীভাবে মেইল এড্রেসে সংরক্ষণ করতে পারেন। এতে করে কোনোদিন লেখাটি হারাবে না। পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে বসে কম্পিউটার বা মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করে লেখাটি উদ্ধার করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় ঠিকানায় সরাসরি প্রেরণ করতে পারবেন। একটি নির্দিষ্ট ফাইলে ধারাবাহিকভাবে এক বা একাধিক বিষয়ে লিখতে থাকলে অজ্ঞাতেই বইয়ের পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত হয়ে যায়। বই লিখে তা বয়ে বেরাতে হয় না। এক প্রকাশকের সঙ্গে কথা না মিললে কয়েকটি ক্লিক করেই তা একাধিক প্রকাশক বা ব্যক্তির কাছে প্রেরণ করা যায়।