১
দীনী কাজ সহজিকরণে কম্পিউটার
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
প্রাতিষ্ঠানিক কাজের ক্ষেত্রে :
প্রাতিষ্ঠানিক কাজের ক্ষেত্রে কম্পিউটার কতটা সহায়ক তা মনে হয় নতুন করে বুঝিয়ে বলার দরকার নেই। আধুনিক যে কোনো প্রতিষ্ঠানেই এখন কম্পিউটার নামক বস্তুটি অতি অবশ্যই উপস্থিত থাকে। ব্যবসায়িক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলে এ বিনে তো অস্তিত্বই কল্পনা করা যায় না যেন। হিসাব-নিকাশ ও অফিসিয়াল প্রকাশযোগ্য বা গোপন নানা তথ্যাদি কম্পিউটারে লিখে সহজে সংরক্ষণ করা যায়। চাইলে পাসওয়ার্ড দিয়ে সংশ্লিষ্ট ফাইলে অন্যের প্রবেশিধাকার রোধ করা যায়। প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি, প্রচারপত্র, পরিকল্পনা ইত্যাদি আগে লিখিত আকারে থাকত, সেখান থেকে প্রতিবার নতুন করে কষ্ট করে লিখতে বা প্রকাশ করতে হত। আর এখন কম্পিউটারের বদৌলতে এ কাজ আর বারবার করতে হয় না।
আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে কম্পিউটার তো রীতিমত যুগান্তকারী ভূমিকাই রাখছে। ছাত্রজীবনে নিজের শিক্ষকদের দেখেছি কর্তৃপক্ষের বহু চাপাচাপির পর রাত জেগে পরীক্ষার খাতা দেখে দেবার পরও চূড়ান্ত ফল প্রকাশে মাস খানেক লেগে যেত। কখনো প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে হতে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার মাত্র সপ্তাহখানেক আগে প্রকাশ করা হত। আর এখন কম্পিউটারের এক্সেল প্রোগ্রামের মাধ্যমে অকল্পনীয় কম সময়ে এ কাজটি করা সম্ভব হচ্ছে।
আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে কম্পিউটার তো রীতিমত যুগান্তকারী ভূমিকাই রাখছে। ছাত্রজীবনে নিজের শিক্ষকদের দেখেছি কর্তৃপক্ষের বহু চাপাচাপির পর রাত জেগে পরীক্ষার খাতা দেখে দেবার পরও চূড়ান্ত ফল প্রকাশে মাস খানেক লেগে যেত। কখনো প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে হতে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার মাত্র সপ্তাহখানেক আগে প্রকাশ করা হত। আর এখন কম্পিউটারের এক্সেল প্রোগ্রামের মাধ্যমে অকল্পনীয় কম সময়ে এ কাজটি করা সম্ভব হচ্ছে।