১
উম্মতের ওপর নবী মুহাম্মাদ মোস্তাফা সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের অধিকার
লেখকঃ ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ, ড. আদেল আশ-শিদ্দী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
ষষ্ঠত: নবী মুস্তাফা সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সম্মান করা
আর এটাও নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্যতম একটি অধিকার, যে ব্যাপারে অনেক মানুষ অবহেলা করে। আর আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿إِنَّآ أَرۡسَلۡنَٰكَ شَٰهِدٗا وَمُبَشِّرٗا وَنَذِيرٗا ٨ لِّتُؤۡمِنُواْ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ وَتُعَزِّرُوهُ وَتُوَقِّرُوهُۚ وَتُسَبِّحُوهُ بُكۡرَةٗ وَأَصِيلًا ٩﴾ [ الفتح : ٨، ٩ ]
“নিশ্চয় আমরা আপনাকে প্রেরণ করেছি সাক্ষীরূপে, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে, যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান আন এবং তাঁর শক্তি যোগাও ও তাঁকে সম্মান কর; আর সকাল-সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।” [সূরা আল-ফাতহ, আয়াত: ৮–৯]
ইবন সা‘দী রহ. বলেন: অর্থাৎ তোমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সম্মান ও শ্রদ্ধা কর এবং তাঁর অধিকারসমূহ আদায় কর, যেমনিভাবে তোমাদের তত্ত্বাবধান করার জন্য তাঁর মহান অনুগ্রহ ও দয়া ছিল।” [তাফসীরু ইবন সা‘দী, পৃ. ৭৩৬]
বস্তুত নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ তাঁকে অনেক বেশি ভক্তি, শ্রদ্ধা ও সম্মান করতেন। কেননা, যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কথা বলতেন, তখন তাঁরা তাঁর উদ্দেশ্য নীরবে মাথা নত করে থাকতেন, এমনকি মনে হত যেন তাঁদের মাথার উপর পাখি বসে আছে।
আর যখন আল্লাহ তা‘আলার বাণী:
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تَرۡفَعُوٓاْ أَصۡوَٰتَكُمۡ فَوۡقَ صَوۡتِ ٱلنَّبِيِّ وَلَا تَجۡهَرُواْ لَهُۥ بِٱلۡقَوۡلِ كَجَهۡرِ بَعۡضِكُمۡ لِبَعۡضٍ أَن تَحۡبَطَ أَعۡمَٰلُكُمۡ وَأَنتُمۡ لَا تَشۡعُرُونَ ٢﴾ [ الحجرات : ٢ ]
(হে ঈমানদারগণ! তোমরা নবীর কন্ঠস্বরের উপর নিজেদের কন্ঠস্বর উঁচু করো না এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উচ্চস্বরে কথা বল তার সাথে সেরূপ উচ্চস্বরে কথা বলো না; এ আশঙ্কায় যে, তোমাদের সকল কাজ বিনষ্ট হয়ে যাবে অথচ তোমরা উপলব্ধিও করতে পারবে না।) [সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত: ২] নাযিল হয়, তখন আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন: “আল্লাহর কসম! তার পরে আমি আপনার সাথে শুধু গোপন বিষয়ের আলাপকারীর মতোই চুপে চুপে কথা বলব। আর উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ও অন্যান্য সাহাবীগণও এরূপ করতেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত তাঁদের ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত নাযিল করেন,
﴿إِنَّ ٱلَّذِينَ يَغُضُّونَ أَصۡوَٰتَهُمۡ عِندَ رَسُولِ ٱللَّهِ أُوْلَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ ٱمۡتَحَنَ ٱللَّهُ قُلُوبَهُمۡ لِلتَّقۡوَىٰۚ لَهُم مَّغۡفِرَةٞ وَأَجۡرٌ عَظِيمٌ ٣﴾ [ الحجرات : ٣ ]
“নিশ্চয় যারা আল্লাহর রাসূলের সামনে নিজেদের কন্ঠস্বর নীচু করে, আল্লাহ তাদের অন্তরকে তাকওয়ার জন্য পরীক্ষা করে নিয়েছেন। তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।” [সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত: ৩]
﴿إِنَّآ أَرۡسَلۡنَٰكَ شَٰهِدٗا وَمُبَشِّرٗا وَنَذِيرٗا ٨ لِّتُؤۡمِنُواْ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ وَتُعَزِّرُوهُ وَتُوَقِّرُوهُۚ وَتُسَبِّحُوهُ بُكۡرَةٗ وَأَصِيلًا ٩﴾ [ الفتح : ٨، ٩ ]
“নিশ্চয় আমরা আপনাকে প্রেরণ করেছি সাক্ষীরূপে, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে, যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান আন এবং তাঁর শক্তি যোগাও ও তাঁকে সম্মান কর; আর সকাল-সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।” [সূরা আল-ফাতহ, আয়াত: ৮–৯]
ইবন সা‘দী রহ. বলেন: অর্থাৎ তোমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সম্মান ও শ্রদ্ধা কর এবং তাঁর অধিকারসমূহ আদায় কর, যেমনিভাবে তোমাদের তত্ত্বাবধান করার জন্য তাঁর মহান অনুগ্রহ ও দয়া ছিল।” [তাফসীরু ইবন সা‘দী, পৃ. ৭৩৬]
বস্তুত নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ তাঁকে অনেক বেশি ভক্তি, শ্রদ্ধা ও সম্মান করতেন। কেননা, যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কথা বলতেন, তখন তাঁরা তাঁর উদ্দেশ্য নীরবে মাথা নত করে থাকতেন, এমনকি মনে হত যেন তাঁদের মাথার উপর পাখি বসে আছে।
আর যখন আল্লাহ তা‘আলার বাণী:
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تَرۡفَعُوٓاْ أَصۡوَٰتَكُمۡ فَوۡقَ صَوۡتِ ٱلنَّبِيِّ وَلَا تَجۡهَرُواْ لَهُۥ بِٱلۡقَوۡلِ كَجَهۡرِ بَعۡضِكُمۡ لِبَعۡضٍ أَن تَحۡبَطَ أَعۡمَٰلُكُمۡ وَأَنتُمۡ لَا تَشۡعُرُونَ ٢﴾ [ الحجرات : ٢ ]
(হে ঈমানদারগণ! তোমরা নবীর কন্ঠস্বরের উপর নিজেদের কন্ঠস্বর উঁচু করো না এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উচ্চস্বরে কথা বল তার সাথে সেরূপ উচ্চস্বরে কথা বলো না; এ আশঙ্কায় যে, তোমাদের সকল কাজ বিনষ্ট হয়ে যাবে অথচ তোমরা উপলব্ধিও করতে পারবে না।) [সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত: ২] নাযিল হয়, তখন আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন: “আল্লাহর কসম! তার পরে আমি আপনার সাথে শুধু গোপন বিষয়ের আলাপকারীর মতোই চুপে চুপে কথা বলব। আর উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ও অন্যান্য সাহাবীগণও এরূপ করতেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত তাঁদের ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত নাযিল করেন,
﴿إِنَّ ٱلَّذِينَ يَغُضُّونَ أَصۡوَٰتَهُمۡ عِندَ رَسُولِ ٱللَّهِ أُوْلَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ ٱمۡتَحَنَ ٱللَّهُ قُلُوبَهُمۡ لِلتَّقۡوَىٰۚ لَهُم مَّغۡفِرَةٞ وَأَجۡرٌ عَظِيمٌ ٣﴾ [ الحجرات : ٣ ]
“নিশ্চয় যারা আল্লাহর রাসূলের সামনে নিজেদের কন্ঠস্বর নীচু করে, আল্লাহ তাদের অন্তরকে তাকওয়ার জন্য পরীক্ষা করে নিয়েছেন। তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।” [সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত: ৩]