hadith book logo

যে কেউ কোনো জাতির সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে চলবে সে তাদের দলভুক্ত বলে গণ্য হবে

লেখকঃ ড. নাসের ইবন আবদিল কারীম আল-‘আকল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩৪

দ্বাদশতম: সাহরী খাওয়া পরিহার করা।

যেমনটি করে ইয়াহূদী ও আহলে কিতাবদের। কারণ, তারা সাহরী খায় না। ইমাম মুসলিম রহ. নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:

«فَصْلُ مَا بَيْنَ صِيَامِنَا وَصِيَامِ أَهْلِ الْكِتَابِ أَكْلَةُ السَّحَرِ» .

“আমাদের সাওম এবং আহলে কিতাবদের সাওমের মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরি খাওয়া”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ১০৯৬।]

আর আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি যে, এ সময়ে অনেক মুসলিম এ সাবধান করা কাজে জড়িয়ে যায়; বিশেষ করে তারা সাহরীর সময়ের কাছাকাছি পর্যন্ত জাগ্রত থাকে, অতঃপর তারা ঘুমায় এমতাবস্থায় যে তারা খাওয়া-দাওয়া করেছে অর্ধেক রাতে অথবা এর পূর্বে, অথবা তারা খায় নি। সুতরাং ঐসব মুসলিমের ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে, তারা ইচ্ছাপূর্বক সাহরী খাওয়া ছেড়ে দেবে, এটা জায়েয নেই; বরং তা কাফির ও ইয়াহূদীদের রীতি-নীতির অন্তর্ভুক্ত।

তাতে যদি কেবল নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধাচরণ করার গুনাহই হতো তবে তা-ই তার ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿فَلۡيَحۡذَرِ ٱلَّذِينَ يُخَالِفُونَ عَنۡ أَمۡرِهِۦٓ أَن تُصِيبَهُمۡ فِتۡنَةٌ أَوۡ يُصِيبَهُمۡ عَذَابٌ أَلِيمٌ ٦٣﴾ [ النور : ٦٣ ]

“সুতরাং যারা তাঁর আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে তারা সতর্ক হোক যে, বিপর্যয় তাদের ওপর আপতিত হবে অথবা আপতিত হবে তাদের ওপর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি”। [সূরা আন-নূর, আয়াত: ৬৩]