১
যে কেউ কোনো জাতির সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে চলবে সে তাদের দলভুক্ত বলে গণ্য হবে
লেখকঃ ড. নাসের ইবন আবদিল কারীম আল-‘আকল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৭
পঞ্চদশতম: সূর্য উদয় এবং অস্তের সময় সালাত আদায় করা।
সূর্য উদয় এবং অস্তের সময় সালাত আদায়ের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা। কেননা, সূর্য উদিত হয় শয়তানের দুই শিং-এর মাঝখান দিয়ে এবং কাফিরগণ তা উদয় ও অস্ত যাওয়ার সময় তাকে সাজদাহ করে। আর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দীর্ঘ এক হাদীসের মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন, যা ইমাম মুসলিম রহ. ‘আমর ইবন ‘আবাসা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন আর তার অংশ বিশেষে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«... صَلِّ صَلاَةَ الصُّبْحِ , ثُمَّ أَقْصِرْ عَنِ الصَّلاَةِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ حَتَّى تَرْتَفِعَ، فَإِنَّهَا تَطْلُعُ حِينَ تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ وَحِينَئِذٍ يَسْجُدُ لَهَا الْكُفَّارُ .... ثُمَّ أَقْصِرْ عَنِ الصَّلاَةِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ، فَإِنَّهَا تَغْرُبُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ وَحِينَئِذٍ يَسْجُدُ لَهَا الْكُفَّارُ . ...».
“...ফজরের সালাত কর। অতঃপর সূর্য উদিত হয়ে পরিষ্কারভাবে উপরে না উঠা পর্যন্ত তুমি সালাত থেকে বিরত থাক। কারণ, সূর্য উদিত হয়, যখন তা উদিত হয় শয়তানের দুই শিং-এর মাঝখান দিয়ে এবং সেই সময় কাফিরগণ তাকে সাজদাহ করে।...অতঃপর তুমি সূর্য অস্তমিত না হওয়া পর্যন্ত সালাত থেকে বিরত থাক। কারণ, সূর্য অস্তমিত হয় শয়তানের দুই শিং-এর মাঝখান দিয়ে এবং সেই সময় কাফিরগণ তাকে সাজদাহ করে।...” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৮৩২]
«... صَلِّ صَلاَةَ الصُّبْحِ , ثُمَّ أَقْصِرْ عَنِ الصَّلاَةِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ حَتَّى تَرْتَفِعَ، فَإِنَّهَا تَطْلُعُ حِينَ تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ وَحِينَئِذٍ يَسْجُدُ لَهَا الْكُفَّارُ .... ثُمَّ أَقْصِرْ عَنِ الصَّلاَةِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ، فَإِنَّهَا تَغْرُبُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ وَحِينَئِذٍ يَسْجُدُ لَهَا الْكُفَّارُ . ...».
“...ফজরের সালাত কর। অতঃপর সূর্য উদিত হয়ে পরিষ্কারভাবে উপরে না উঠা পর্যন্ত তুমি সালাত থেকে বিরত থাক। কারণ, সূর্য উদিত হয়, যখন তা উদিত হয় শয়তানের দুই শিং-এর মাঝখান দিয়ে এবং সেই সময় কাফিরগণ তাকে সাজদাহ করে।...অতঃপর তুমি সূর্য অস্তমিত না হওয়া পর্যন্ত সালাত থেকে বিরত থাক। কারণ, সূর্য অস্তমিত হয় শয়তানের দুই শিং-এর মাঝখান দিয়ে এবং সেই সময় কাফিরগণ তাকে সাজদাহ করে।...” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৮৩২]