১
যে কেউ কোনো জাতির সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে চলবে সে তাদের দলভুক্ত বলে গণ্য হবে
লেখকঃ ড. নাসের ইবন আবদিল কারীম আল-‘আকল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৫
ত্রয়োবিংশতম: বৈরাগ্যবাদ ও দীনের ব্যাপারে কঠোরতা।
বৈরাগ্যবাদ ও দীনের ব্যাপারে কঠোরতা। কারণ, এটা খ্রিষ্টানদের বড় বৈশিষ্ট্যসমূহের অন্তর্ভুক্ত। দীনের ব্যাপারে অতিরঞ্জন, যা আল্লাহ তা‘আলা বিধিসম্মত করেন নি, চাই তা ইবাদাতের ক্ষেত্রে হউক অথবা আকীদা-বিশ্বাসের ক্ষেত্রে হউক অথবা তা বিধিবিধানের ক্ষেত্রে হউক। যেমন, ইবাদাতের জন্য জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া, জীবিকার জন্য চেষ্টাসাধনা না করা, জিহাদ ছেড়ে দেওয়া, ব্যবসা বানিজ্য না করা, বৈধ জিনিসকে হারাম করে দেওয়া অথবা ধর্ম পালন করার জন্য তা (বৈধ জিনিস) বর্জন করা [আমি বৈরাগ্যবাদের কিছু ধরণ বা প্রকৃতি লক্ষ্য করি। ধর্ম পালনের উদ্দেশ্যে বা ধার্মিকের অভিনয় করার উদ্দেশ্যে অব্যাহতভাবে কিছু বৈধ জিনিস বর্জন করা। যেমন, জুতা পরিধান না করা, যানবাহনে আরোহন না করা এবং বৈধ প্রস্তুতকৃত সামগ্রী ও উপকরণ ব্যবহারে অনাগ্রহ প্রকাশ করা। আল্লাহ তা‘আলা মহাজ্ঞানী।]।
অথবা দীনের ব্যাপারে এমন বাড়াবাড়ি করা, যার কারণে দীন ইসলামের ভারসাম্যপূর্ণ জীবন-পদ্ধতি থেকে সে বের হয়ে যায়। আর বৈরাগ্যবাদ, যাকে তোমরা খ্রিষ্টানদের কাজ বলে জান। আল্লাহ তা‘আলা এর থেকে নিষেধ করেছেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও তা থেকে নিষেধ করেছেন, তিনি বলেছেন:
«لاَ تُشَدِّدُوا عَلَى أَنْفُسِكُمْ فَيُشَدَّدَ عَلَيْكُمْ فَإِنَّ قَوْمًا شَدَّدُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ فَشَدَّدَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ فَتِلْكَ بَقَايَاهُمْ فِى الصَّوَامِعِ وَالدِّيَارِ رَهْبَانِيَّةً ابْتَدَعُوهَا مَا كَتَبْنَاهَا عَلَيْهِمْ» .
“তোমরা তোমাদের নিজেদের ওপর কঠোরতা করো না, তাহলে তোমাদের ওপর কঠোরতা করা হবে; কারণ, কোনো এক সম্প্রদায় তাদের নিজেদের ওপর কঠোরতা করেছে, ফলে আল্লাহ তা‘আলাও তাদের ওপর কঠোরতা আরোপ করেছেন। গীর্জা ও ঘরে সন্যাসী হিসেবে অবস্থান করে যারা রয়েছে তারা হচ্ছে সেসব লোকদের বাকী অংশ। তারা এমন বৈরাগ্যবাদ নতুনভাবে প্রবর্তন করেছে, যা আমরা তাদের ওপর ফরয করি নি”। [আবু দাউদ, হাদীস নং- ৩৯০৪।]
অথবা দীনের ব্যাপারে এমন বাড়াবাড়ি করা, যার কারণে দীন ইসলামের ভারসাম্যপূর্ণ জীবন-পদ্ধতি থেকে সে বের হয়ে যায়। আর বৈরাগ্যবাদ, যাকে তোমরা খ্রিষ্টানদের কাজ বলে জান। আল্লাহ তা‘আলা এর থেকে নিষেধ করেছেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও তা থেকে নিষেধ করেছেন, তিনি বলেছেন:
«لاَ تُشَدِّدُوا عَلَى أَنْفُسِكُمْ فَيُشَدَّدَ عَلَيْكُمْ فَإِنَّ قَوْمًا شَدَّدُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ فَشَدَّدَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ فَتِلْكَ بَقَايَاهُمْ فِى الصَّوَامِعِ وَالدِّيَارِ رَهْبَانِيَّةً ابْتَدَعُوهَا مَا كَتَبْنَاهَا عَلَيْهِمْ» .
“তোমরা তোমাদের নিজেদের ওপর কঠোরতা করো না, তাহলে তোমাদের ওপর কঠোরতা করা হবে; কারণ, কোনো এক সম্প্রদায় তাদের নিজেদের ওপর কঠোরতা করেছে, ফলে আল্লাহ তা‘আলাও তাদের ওপর কঠোরতা আরোপ করেছেন। গীর্জা ও ঘরে সন্যাসী হিসেবে অবস্থান করে যারা রয়েছে তারা হচ্ছে সেসব লোকদের বাকী অংশ। তারা এমন বৈরাগ্যবাদ নতুনভাবে প্রবর্তন করেছে, যা আমরা তাদের ওপর ফরয করি নি”। [আবু দাউদ, হাদীস নং- ৩৯০৪।]