১
আল-কুরআন ও তার সুমহান মর্যাদা
লেখকঃ শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ আলে শাইখ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
القرآن (আল কুরআন) শব্দটি قرأ মূলধাতুর মাসদার
আল্লাহর সাহায্য সহযোগিতায় শুরু করছি:
القرآن (আল কুরআন) শব্দটি قرأ মূলধাতুর মাসদার। এ শব্দ থেকেই আল্লাহর বাণী:
﴿ إِنَّ عَلَيۡنَا جَمۡعَهُۥ وَقُرۡءَانَهُۥ ١٧ فَإِذَا قَرَأۡنَٰهُ فَٱتَّبِعۡ قُرۡءَانَهُۥ ١٨ ثُمَّ إِنَّ عَلَيۡنَا بَيَانَهُۥ ١٩ ﴾ [ القيامة : ١٧، ١٩ ]
“এর সংরক্ষণ ও পাঠ আমাদেরই দায়িত্ব। অতঃপর আমরা যখন তা পাঠ করি, তখন আপনি সেই পাঠের অনুসরণ করুন। এরপর বিশদ বর্ণনা আমারই দায়িত্ব”। [সূরা আল-কিয়ামাহ: ১৭-১৮]
পঠিত বাক্যকে কুরআন বলা হয়, যেমন আল্লাহ তা‘আলার নিম্নোক্ত বাণী:
﴿ فَإِذَا قَرَأۡتَ ٱلۡقُرۡءَانَ فَٱسۡتَعِذۡ بِٱللَّهِ مِنَ ٱلشَّيۡطَٰنِ ٱلرَّجِيمِ ٩٨ ﴾ [ النحل : ٩٨ ]
“অতএব, যখন আপনি কুরআন পাঠ করেন তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করুন।” [সূরা আন-নাহল: ৯৮]
আল-কুরআন প্রকৃতভাবেই আল্লাহর বাণী, এর শব্দাবলী ও অর্থও আল্লাহ তা‘আলার তরফ থেকেই এসেছে। তিনি তা তাঁর বান্দা মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর ওহী আকারে নাযিল করেছেন।
এটা নাযিলকৃত কিন্তু মাখলুক নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ تَنزِيلُ ٱلۡكِتَٰبِ مِنَ ٱللَّهِ ٱلۡعَزِيزِ ٱلۡحَكِيمِ ١ ﴾ [ الزمر : ١ ]
“কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় আল্লাহর পক্ষ থেকে।” [সূরা আয-যুমার: ১]
﴿ قُلۡ نَزَّلَهُۥ رُوحُ ٱلۡقُدُسِ مِن رَّبِّكَ ١٠٢ ﴾ [ النحل : ١٠٢ ]
“বলুন, একে পবিত্র ফেরেশতা আপনার রবের পক্ষ থেকে নাযিল করেছেন”। [সূরা আন-নাহল: ১০২]
﴿ حمٓ ١ تَنزِيلُ ٱلۡكِتَٰبِ مِنَ ٱللَّهِ ٱلۡعَزِيزِ ٱلۡعَلِيمِ ٢ ﴾ [ غافر : ١، ٢ ]
“হা-মীম। কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে, যিনি পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ”। [সুরা গাফির: ১-২]
﴿ تَنزِيلٞ مِّنَ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ٢ ﴾ [ فصلت : ٢ ]
“এটা অবতীর্ণ পরম করুণাময়, দয়ালুর পক্ষ থেকে”। [সূরা ফুসসিলাত: ২]
﴿وَقُرۡءَانٗا فَرَقۡنَٰهُ لِتَقۡرَأَهُۥ عَلَى ٱلنَّاسِ عَلَىٰ مُكۡثٖ وَنَزَّلۡنَٰهُ تَنزِيلٗا ١٠٦﴾ [ الاسراء : ١٠٦ ]
“আর আমরা কুরআনকে নাযিল করেছি কিছু কিছু করে, যেন আপনি তা মানুষের কাছে পাঠ করতে পারেন ধীরে ধীরে এবং আমরা তা নাযিল করেছি যথাযথভাবে।” [সূরা বনী ইসরাঈল: ১০৬]
এ ব্যাপারে অনেক আয়াত রয়েছে। উম্মতের সকল উলামা কিরাম এ মতের উপর ঐকমত্য পোষণ করেছে।
القرآن (আল কুরআন) শব্দটি قرأ মূলধাতুর মাসদার। এ শব্দ থেকেই আল্লাহর বাণী:
﴿ إِنَّ عَلَيۡنَا جَمۡعَهُۥ وَقُرۡءَانَهُۥ ١٧ فَإِذَا قَرَأۡنَٰهُ فَٱتَّبِعۡ قُرۡءَانَهُۥ ١٨ ثُمَّ إِنَّ عَلَيۡنَا بَيَانَهُۥ ١٩ ﴾ [ القيامة : ١٧، ١٩ ]
“এর সংরক্ষণ ও পাঠ আমাদেরই দায়িত্ব। অতঃপর আমরা যখন তা পাঠ করি, তখন আপনি সেই পাঠের অনুসরণ করুন। এরপর বিশদ বর্ণনা আমারই দায়িত্ব”। [সূরা আল-কিয়ামাহ: ১৭-১৮]
পঠিত বাক্যকে কুরআন বলা হয়, যেমন আল্লাহ তা‘আলার নিম্নোক্ত বাণী:
﴿ فَإِذَا قَرَأۡتَ ٱلۡقُرۡءَانَ فَٱسۡتَعِذۡ بِٱللَّهِ مِنَ ٱلشَّيۡطَٰنِ ٱلرَّجِيمِ ٩٨ ﴾ [ النحل : ٩٨ ]
“অতএব, যখন আপনি কুরআন পাঠ করেন তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করুন।” [সূরা আন-নাহল: ৯৮]
আল-কুরআন প্রকৃতভাবেই আল্লাহর বাণী, এর শব্দাবলী ও অর্থও আল্লাহ তা‘আলার তরফ থেকেই এসেছে। তিনি তা তাঁর বান্দা মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর ওহী আকারে নাযিল করেছেন।
এটা নাযিলকৃত কিন্তু মাখলুক নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ تَنزِيلُ ٱلۡكِتَٰبِ مِنَ ٱللَّهِ ٱلۡعَزِيزِ ٱلۡحَكِيمِ ١ ﴾ [ الزمر : ١ ]
“কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় আল্লাহর পক্ষ থেকে।” [সূরা আয-যুমার: ১]
﴿ قُلۡ نَزَّلَهُۥ رُوحُ ٱلۡقُدُسِ مِن رَّبِّكَ ١٠٢ ﴾ [ النحل : ١٠٢ ]
“বলুন, একে পবিত্র ফেরেশতা আপনার রবের পক্ষ থেকে নাযিল করেছেন”। [সূরা আন-নাহল: ১০২]
﴿ حمٓ ١ تَنزِيلُ ٱلۡكِتَٰبِ مِنَ ٱللَّهِ ٱلۡعَزِيزِ ٱلۡعَلِيمِ ٢ ﴾ [ غافر : ١، ٢ ]
“হা-মীম। কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে, যিনি পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ”। [সুরা গাফির: ১-২]
﴿ تَنزِيلٞ مِّنَ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ٢ ﴾ [ فصلت : ٢ ]
“এটা অবতীর্ণ পরম করুণাময়, দয়ালুর পক্ষ থেকে”। [সূরা ফুসসিলাত: ২]
﴿وَقُرۡءَانٗا فَرَقۡنَٰهُ لِتَقۡرَأَهُۥ عَلَى ٱلنَّاسِ عَلَىٰ مُكۡثٖ وَنَزَّلۡنَٰهُ تَنزِيلٗا ١٠٦﴾ [ الاسراء : ١٠٦ ]
“আর আমরা কুরআনকে নাযিল করেছি কিছু কিছু করে, যেন আপনি তা মানুষের কাছে পাঠ করতে পারেন ধীরে ধীরে এবং আমরা তা নাযিল করেছি যথাযথভাবে।” [সূরা বনী ইসরাঈল: ১০৬]
এ ব্যাপারে অনেক আয়াত রয়েছে। উম্মতের সকল উলামা কিরাম এ মতের উপর ঐকমত্য পোষণ করেছে।