১
সহজ ফিকহ শিক্ষা
লেখকঃ ড. সালিহ ইবন গানিম আস-সাদলান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
যাকাত আদায়
ক- যাকাত আদায়ের সময়:
মানত ও কাফফারার মতো যাকাত তাৎক্ষণিক আদায় করা ফরয। কেননা আল্লাহর আদেশ সাধারণভাবে তাৎক্ষণিক আদায় করাই কামনা করে। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَءَاتَوُاْ ٱلزَّكَوٰةَ﴾ [ البقرة : ٢٧٧ ]
“এবং তোমরা যাকাত দাও”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৭৭]
তবে যাকাত প্রদানকারী প্রয়োজনের সময়ে দেওয়ার জন্য, আত্মীয়দের দেওয়ার জন্য ও প্রতিবেশীর জন্য বিলম্ব করতে পারবে।
খ- যাকাত অস্বীকারকারীর হুকুম:
কেউ জেনে-শুনে ইচ্ছাকৃত ভাবে যাকাত ফরয হওয়া অস্বীকার করলে সে যাকাত আদায় করলেও আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও উম্মাহর ইজমাকে অস্বীকার এ মিথ্যা প্রতিপন্ন করার কারণে কাফির হয়ে যাবে এবং তাকে তাওবা করতে হবে; কিস্তু তাওবা না করলে তাকে কুফরীর কারণে হত্যা করা হবে। আর কেউ যাকাত ফরয হওয়াকে স্বীকার করে; কিন্তু কৃপণতা ও অবজ্ঞার কারণে যাকাত আদায় করতে অস্বীকৃতি জানালে তার থেকে জোর করে যাকাত আদায় করা হবে এবং হারাম কাজে লিপ্ত হওয়ার কারণে তাকে শাস্তি ও তিরস্কার করা হবে।
শিশু ও পাগলের পক্ষ থেকে তার অভিভাবক যাকাত আদায় করে দিবে।
গ- যাকাত আদায়ের সময় যে কাজ করা সুন্নাত:
১- যাকাত না আদায়ের অপবাদ থেকে মুক্তি পেতে প্রকাশ্যে যাকাত আদায় করা সুন্নাত।
২- যাকাতের হকদারের কাছে যথাযথভাবে যাকাত পৌঁছাতে নিজেই তদারকি করা।
৩- যাকাত প্রদানের সময় এ দো‘আ পড়া:
«اللهم اجعلها مغنما ولا تجعلها مغرما»
“হে আল্লাহ এটাকে গণীমত হিসেবে পরিণত কর, জরিমানা হিসেবে নয়”।
৪- যাকাত গ্রহীতা যাকাত গ্রহণের সময় এ দো‘আ পড়া:
« أجرك اللّه فيما أعطيت . بارك لك فيما أبقيت وجعله لك طهورا» .
“তুমি যা দিয়েছ তাতে আল্লাহ প্রতিদান দিন, যা বাকী রেখেছ তাতে বরকত দিন আর তা তোমার জন্য পবিত্রকারী বানিয়ে দিন।”
৫- নিজের যেসব আত্মীয়-স্বজনের দায়-দায়িত্ব নেওয়া অত্যাবশ্যকীয় নয় সেসব গরীব আত্মীয়-স্বজনকে যাকাত প্রদান করা সুন্নাত।
মানত ও কাফফারার মতো যাকাত তাৎক্ষণিক আদায় করা ফরয। কেননা আল্লাহর আদেশ সাধারণভাবে তাৎক্ষণিক আদায় করাই কামনা করে। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَءَاتَوُاْ ٱلزَّكَوٰةَ﴾ [ البقرة : ٢٧٧ ]
“এবং তোমরা যাকাত দাও”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৭৭]
তবে যাকাত প্রদানকারী প্রয়োজনের সময়ে দেওয়ার জন্য, আত্মীয়দের দেওয়ার জন্য ও প্রতিবেশীর জন্য বিলম্ব করতে পারবে।
খ- যাকাত অস্বীকারকারীর হুকুম:
কেউ জেনে-শুনে ইচ্ছাকৃত ভাবে যাকাত ফরয হওয়া অস্বীকার করলে সে যাকাত আদায় করলেও আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও উম্মাহর ইজমাকে অস্বীকার এ মিথ্যা প্রতিপন্ন করার কারণে কাফির হয়ে যাবে এবং তাকে তাওবা করতে হবে; কিস্তু তাওবা না করলে তাকে কুফরীর কারণে হত্যা করা হবে। আর কেউ যাকাত ফরয হওয়াকে স্বীকার করে; কিন্তু কৃপণতা ও অবজ্ঞার কারণে যাকাত আদায় করতে অস্বীকৃতি জানালে তার থেকে জোর করে যাকাত আদায় করা হবে এবং হারাম কাজে লিপ্ত হওয়ার কারণে তাকে শাস্তি ও তিরস্কার করা হবে।
শিশু ও পাগলের পক্ষ থেকে তার অভিভাবক যাকাত আদায় করে দিবে।
গ- যাকাত আদায়ের সময় যে কাজ করা সুন্নাত:
১- যাকাত না আদায়ের অপবাদ থেকে মুক্তি পেতে প্রকাশ্যে যাকাত আদায় করা সুন্নাত।
২- যাকাতের হকদারের কাছে যথাযথভাবে যাকাত পৌঁছাতে নিজেই তদারকি করা।
৩- যাকাত প্রদানের সময় এ দো‘আ পড়া:
«اللهم اجعلها مغنما ولا تجعلها مغرما»
“হে আল্লাহ এটাকে গণীমত হিসেবে পরিণত কর, জরিমানা হিসেবে নয়”।
৪- যাকাত গ্রহীতা যাকাত গ্রহণের সময় এ দো‘আ পড়া:
« أجرك اللّه فيما أعطيت . بارك لك فيما أبقيت وجعله لك طهورا» .
“তুমি যা দিয়েছ তাতে আল্লাহ প্রতিদান দিন, যা বাকী রেখেছ তাতে বরকত দিন আর তা তোমার জন্য পবিত্রকারী বানিয়ে দিন।”
৫- নিজের যেসব আত্মীয়-স্বজনের দায়-দায়িত্ব নেওয়া অত্যাবশ্যকীয় নয় সেসব গরীব আত্মীয়-স্বজনকে যাকাত প্রদান করা সুন্নাত।