১
আল্লাহর রাসূলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
আদর্শ স্বামী হিসেবে আল্লাহর রাসূল:
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন একজন আদর্শ স্বামী। তার একাধিক স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তিনি ছিলেন তার স্ত্রীদের নিকট খুব প্রিয়। তিনি তার স্ত্রীদের সাথে ভালো ব্যবহার করতেন, খেলা-ধুলা করতেন, তাদের চাহিদাগুলো পূরণ করতেন, তারা কোনো কিছু চাইলে তাতে কোনো কার্পণ্য করতেন না। তাদের অধিকার সম্পর্কে তিনি অত্যন্ত সচেতন ছিলেন। তাদের সাথে কাজ কর্মে সহযোগিতা করতেন। প্রতিদিন তাদের খোঁজ খবর নিতেন। হাদীসে এসেছে, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لأَهْلِهِ وَأَنَا خَيْرُكُمْ لأَهْلِي، وَإِذَا مَاتَ صَاحِبُكُمْ فَدَعُوهُ» .
“তোমাদের মধ্যে সেই উত্তম ব্যক্তি যে তোমাদের পরিবারের নিকট উত্তম। আমি আমার পরিবারের নিকট তোমাদের মধ্যে সর্ব উত্তম। যখন তোমাদের সাথী মারা যায় তাকে তোমরা রেখে দাও”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৩৮৯৫।]
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বয়সে কম থাকার কারণে অনেক সময় তিনি খেলা-ধুলায় মগ্ন হয়ে যেতেন। তাই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে খেল-তামাশার মধ্যেই অনেক সময় ছেড়ে দিতেন। তাকে আনন্দ দেওয়ার জন্য যা যা করা দরকার আল্লাহর রাসূল তাই করতেন। যেমন, হাদীসে এসেছে: আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«وَاللهِ لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُومُ عَلَى بَابِ حُجْرَتِي، وَالْحَبَشَةُ يَلْعَبُونَ بِالْحِرَابِ، وَرَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتُرُنِي بِرِدَائِهِ لِأَنْظُرَ إِلَى لَعِبِهِمْ مِنْ بَيْنِ أُذُنِهِ وَعَاتِقِهِ، ثُمَّ يَقُومُ مِنْ أَجْلِي، حَتَّى أَكُونَ أَنَا الَّتِي أَنْصَرِفُ، فَاقْدُرُوا قَدْرَ الْجَارِيَةِ الْحَدِيثَةِ السِّنِّ، الْحَرِيصَةِ عَلَى اللهْوِ»
“হাবশী লোকেরা যখন ডাল সুরকী দিয়ে খেলা করতেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কামরার দরজায় দাঁড়িয়ে থাকতেন এবং তিনি তার স্বীয় চাদর দ্বারা আমাকে ডেকে রাখতেন, যাতে আমি তার মাথা ও গর্দানের মাঝে মাথা রেখে তাদের খেলা দেখতে পারি। তিনি আমার জন্য ততক্ষণ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকতেন, যতক্ষণ পর্যন্ত নিজ ইচ্ছায় মাথা সরিয়ে নিতাম। অতএব তোমরা কম বয়সী একজন খেলা-ধুলার প্রতি আকৃষ্ট নারীর মর্যাদার প্রতি লক্ষ্য কর”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫১৯০।]
অপর একটি হাদীসে এসেছে, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كُنْتُ أَلْعَبُ بِاللُّعَبِ، فَيَأْتِينِي صَوَاحِبِي، فَإِذَا دَخَلَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَرْنَ مِنْهُ، فَيَأْخُذُهُنَّ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَيَرُدُّهُنَّ إِلَيَّ
“আমি খেলার সামগ্রী নিয়ে খেলতে থাকতাম, তখন আমার সঙ্গিনীরা আমার সাথে খেলার জন্য আমার কাছে আসত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ঘরে প্রবেশ করত, তারা পলায়ন করত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের ধরে নিয়ে আসত এবং আমার সাথে খেলার জন্য তাদেরকে আবার আমার কাছে ফিরিয়ে দিত”। [আহমদ, হাদীস নং ২৫৩৩৪।]
একটি আদর্শ ও সুন্দর সমাজ গঠন করতে হলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শের কোনো বিকল্প নেই। কেননা তিনি ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক, নানা, মুরব্বী, মুনীব ও আদর্শ স্বামী। অত্র গ্রন্থে লেখক রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ তুলে ধরেছেন।
«خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لأَهْلِهِ وَأَنَا خَيْرُكُمْ لأَهْلِي، وَإِذَا مَاتَ صَاحِبُكُمْ فَدَعُوهُ» .
“তোমাদের মধ্যে সেই উত্তম ব্যক্তি যে তোমাদের পরিবারের নিকট উত্তম। আমি আমার পরিবারের নিকট তোমাদের মধ্যে সর্ব উত্তম। যখন তোমাদের সাথী মারা যায় তাকে তোমরা রেখে দাও”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৩৮৯৫।]
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বয়সে কম থাকার কারণে অনেক সময় তিনি খেলা-ধুলায় মগ্ন হয়ে যেতেন। তাই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে খেল-তামাশার মধ্যেই অনেক সময় ছেড়ে দিতেন। তাকে আনন্দ দেওয়ার জন্য যা যা করা দরকার আল্লাহর রাসূল তাই করতেন। যেমন, হাদীসে এসেছে: আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«وَاللهِ لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُومُ عَلَى بَابِ حُجْرَتِي، وَالْحَبَشَةُ يَلْعَبُونَ بِالْحِرَابِ، وَرَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتُرُنِي بِرِدَائِهِ لِأَنْظُرَ إِلَى لَعِبِهِمْ مِنْ بَيْنِ أُذُنِهِ وَعَاتِقِهِ، ثُمَّ يَقُومُ مِنْ أَجْلِي، حَتَّى أَكُونَ أَنَا الَّتِي أَنْصَرِفُ، فَاقْدُرُوا قَدْرَ الْجَارِيَةِ الْحَدِيثَةِ السِّنِّ، الْحَرِيصَةِ عَلَى اللهْوِ»
“হাবশী লোকেরা যখন ডাল সুরকী দিয়ে খেলা করতেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কামরার দরজায় দাঁড়িয়ে থাকতেন এবং তিনি তার স্বীয় চাদর দ্বারা আমাকে ডেকে রাখতেন, যাতে আমি তার মাথা ও গর্দানের মাঝে মাথা রেখে তাদের খেলা দেখতে পারি। তিনি আমার জন্য ততক্ষণ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকতেন, যতক্ষণ পর্যন্ত নিজ ইচ্ছায় মাথা সরিয়ে নিতাম। অতএব তোমরা কম বয়সী একজন খেলা-ধুলার প্রতি আকৃষ্ট নারীর মর্যাদার প্রতি লক্ষ্য কর”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫১৯০।]
অপর একটি হাদীসে এসেছে, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كُنْتُ أَلْعَبُ بِاللُّعَبِ، فَيَأْتِينِي صَوَاحِبِي، فَإِذَا دَخَلَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَرْنَ مِنْهُ، فَيَأْخُذُهُنَّ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَيَرُدُّهُنَّ إِلَيَّ
“আমি খেলার সামগ্রী নিয়ে খেলতে থাকতাম, তখন আমার সঙ্গিনীরা আমার সাথে খেলার জন্য আমার কাছে আসত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ঘরে প্রবেশ করত, তারা পলায়ন করত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের ধরে নিয়ে আসত এবং আমার সাথে খেলার জন্য তাদেরকে আবার আমার কাছে ফিরিয়ে দিত”। [আহমদ, হাদীস নং ২৫৩৩৪।]
একটি আদর্শ ও সুন্দর সমাজ গঠন করতে হলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শের কোনো বিকল্প নেই। কেননা তিনি ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক, নানা, মুরব্বী, মুনীব ও আদর্শ স্বামী। অত্র গ্রন্থে লেখক রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ তুলে ধরেছেন।