১
আল্লাহর রাসূলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
আদর্শ শিক্ষক হিসেবে আল্লাহর রাসূল:
শিক্ষার ক্ষেত্রে একজন শিক্ষকের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অহীর জ্ঞানের ভিত্তিতে (ইসলামী শরী‘আহ মোতাবেক) শিক্ষকগণ উম্মাহর জন্য যা কল্যাণকর তা গ্রহণ করে জাতিকে তা শিক্ষা দিতে পারেন। মনগড়া শিক্ষা দ্বারা জাতি কখনোই উন্নতি লাভ করতে পারে না। মানুষের মন-মানসিকতা, আচার-স্বভাব, প্রয়োজন, চাহিদা ও পরিবেশ-পরিস্থিতি এসব কিছুতে প্রয়োজনীয় শিক্ষা খুবই জরুরি। আর এ প্রয়োজন মেটানোর জন্য ইসলামী শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার বিষয় বস্তু হিসেবে ইসলামী জ্ঞান ও পূর্ণাঙ্গ ইসলামী পদ্ধতি সম্পৃক্ত থাকা জরুরি। অন্যথায় জাতি আদর্শ শিক্ষা হতে বঞ্চিত হবে।
আর শিক্ষা যতই ভালো ও গুরুত্বপূর্ণ হোক তার জন্য প্রয়োজন আদর্শ শিক্ষক। শুধু অক্ষর জ্ঞান পাঠদান করা এবং ক্লাসে আলোচ্য বিষয়টিকে খুব ভালোভাবে উপস্থাপন করার নাম শিক্ষা নয়। একজন শিক্ষককে অবশ্যই আদর্শবান হতে হবে। তার মধ্যে নীতি নৈতিকতা থাকতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন প্রশিক্ষণ, তারবীয়ত ও সু-শিক্ষা লাভ করা। আদর্শ শিক্ষা কীভাবে লাভ করা যায় তার জন্য দরকার পর্যালোচনা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা। এতে উম্মাহ জীবন ও সমাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে পরামর্শ ভিত্তিক আলোচনা করে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছুতে পারে। ইসলাম বিষয়ক আলোচনা পর্যালোচনাসহ প্রত্যেক ধরনের আলোচনায় ভীতি বর্তমানে আমাদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। বিশেষতঃ শিশু সংক্রান্ত আলোচনা ও শিশু শিক্ষা দানের ক্ষেত্রে এ ভীতি কাজ করে। তবে শিক্ষা দানের ক্ষেত্রে শিক্ষকের প্রতি শিক্ষার্থীর পরম বিনয়-ভাব থাকা উত্তম। ইয়েট -এর একটা প্রবাদ বাক্য উল্লেখ করা যেতে পারে - من علمني حرفا صرت عبدا له অর্থাৎ আমাকে যে একটা হরফ বা বর্ণ শিক্ষা দিলেন, আমি তার গোলামে পরিণত হলাম।
বাস্তব জীবন ও সমাজের বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে সঠিক চিন্তাধারা প্রয়োগ ও সুপরিচিত শিক্ষাদান পদ্ধতি ব্যবহার করে শিক্ষা দেওয়া খুবই প্রয়োজন। বর্তমানে শিক্ষা দেওয়ার গুণগত মান না থাকা এবং আদর্শ শিক্ষকের অভাবে জাতি আদর্শ শিক্ষা থেকে অনেক দূরে সরে আছে। যখন আকীদা-বিশ্বাস, দীন ও সংস্কৃতি সম্পর্কে শিক্ষাদান মুসলিম মনোবৃত্তি ও মানসিকতা গঠনের বিশেষ দিক বলে বিবেচিত, তখন দীনি শিক্ষা দানের সময় একে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা জরুরি। তাই শিশুকে শিক্ষা দান, শিশুর মনে সুস্থ আবেগ ও অনুভূতি সৃষ্টির চেষ্টা করে এ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে হবে। আমরা আমাদের ছেলেদের শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার বিষয়বস্তু নির্ধারণ করতে ভুল করে থাকি। অনেক জটিল বিষয়গুলোকে তাদের সামনে তুলে ধরা হয়ে থাকে। যার ফলে জরুরি বিষয়গুলো না শিখে তারা সঠিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়। একজন বাচ্চা যখনই শিক্ষা উপযোগী বয়সে উপনীত হয় তাকে অবশ্যই তার আক্বিদা-বিশ্বাস বিষয়ক বিষয়গুলো সব কিছুর আগে শিক্ষা দিতে হবে। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, আল্লাহর পরিচয়, ইসলামের পরিচয় এবং মৃত্যুর পরের জীবন সম্পর্কে তাদের সঠিক ধারণা দিতে হবে।
সন্তান হচ্ছে পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য ও শোভা সহজাত মায়া মমতার বশবর্তী হয়ে পিতা-মাতা সন্তানদের লালন পালন করে থাকে। শত দুঃখ সহ্য করেও তাদেরকে প্রয়োজনীয় পোশাক পরিচ্ছদ ও সুষম খাদ্য প্রদান করে থাকে এবং সুশিক্ষায় গড়ে তোলার নিমিত্তে জ্ঞান বিজ্ঞান শিক্ষা দিয়ে থাকে।
আর শিক্ষা যতই ভালো ও গুরুত্বপূর্ণ হোক তার জন্য প্রয়োজন আদর্শ শিক্ষক। শুধু অক্ষর জ্ঞান পাঠদান করা এবং ক্লাসে আলোচ্য বিষয়টিকে খুব ভালোভাবে উপস্থাপন করার নাম শিক্ষা নয়। একজন শিক্ষককে অবশ্যই আদর্শবান হতে হবে। তার মধ্যে নীতি নৈতিকতা থাকতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন প্রশিক্ষণ, তারবীয়ত ও সু-শিক্ষা লাভ করা। আদর্শ শিক্ষা কীভাবে লাভ করা যায় তার জন্য দরকার পর্যালোচনা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা। এতে উম্মাহ জীবন ও সমাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে পরামর্শ ভিত্তিক আলোচনা করে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছুতে পারে। ইসলাম বিষয়ক আলোচনা পর্যালোচনাসহ প্রত্যেক ধরনের আলোচনায় ভীতি বর্তমানে আমাদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। বিশেষতঃ শিশু সংক্রান্ত আলোচনা ও শিশু শিক্ষা দানের ক্ষেত্রে এ ভীতি কাজ করে। তবে শিক্ষা দানের ক্ষেত্রে শিক্ষকের প্রতি শিক্ষার্থীর পরম বিনয়-ভাব থাকা উত্তম। ইয়েট -এর একটা প্রবাদ বাক্য উল্লেখ করা যেতে পারে - من علمني حرفا صرت عبدا له অর্থাৎ আমাকে যে একটা হরফ বা বর্ণ শিক্ষা দিলেন, আমি তার গোলামে পরিণত হলাম।
বাস্তব জীবন ও সমাজের বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে সঠিক চিন্তাধারা প্রয়োগ ও সুপরিচিত শিক্ষাদান পদ্ধতি ব্যবহার করে শিক্ষা দেওয়া খুবই প্রয়োজন। বর্তমানে শিক্ষা দেওয়ার গুণগত মান না থাকা এবং আদর্শ শিক্ষকের অভাবে জাতি আদর্শ শিক্ষা থেকে অনেক দূরে সরে আছে। যখন আকীদা-বিশ্বাস, দীন ও সংস্কৃতি সম্পর্কে শিক্ষাদান মুসলিম মনোবৃত্তি ও মানসিকতা গঠনের বিশেষ দিক বলে বিবেচিত, তখন দীনি শিক্ষা দানের সময় একে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা জরুরি। তাই শিশুকে শিক্ষা দান, শিশুর মনে সুস্থ আবেগ ও অনুভূতি সৃষ্টির চেষ্টা করে এ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে হবে। আমরা আমাদের ছেলেদের শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার বিষয়বস্তু নির্ধারণ করতে ভুল করে থাকি। অনেক জটিল বিষয়গুলোকে তাদের সামনে তুলে ধরা হয়ে থাকে। যার ফলে জরুরি বিষয়গুলো না শিখে তারা সঠিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়। একজন বাচ্চা যখনই শিক্ষা উপযোগী বয়সে উপনীত হয় তাকে অবশ্যই তার আক্বিদা-বিশ্বাস বিষয়ক বিষয়গুলো সব কিছুর আগে শিক্ষা দিতে হবে। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, আল্লাহর পরিচয়, ইসলামের পরিচয় এবং মৃত্যুর পরের জীবন সম্পর্কে তাদের সঠিক ধারণা দিতে হবে।
সন্তান হচ্ছে পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য ও শোভা সহজাত মায়া মমতার বশবর্তী হয়ে পিতা-মাতা সন্তানদের লালন পালন করে থাকে। শত দুঃখ সহ্য করেও তাদেরকে প্রয়োজনীয় পোশাক পরিচ্ছদ ও সুষম খাদ্য প্রদান করে থাকে এবং সুশিক্ষায় গড়ে তোলার নিমিত্তে জ্ঞান বিজ্ঞান শিক্ষা দিয়ে থাকে।