১
আল্লাহর রাসূলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
আদর্শ পরীক্ষক হিসেবে আল্লাহর রাসূল:
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় সাহাবীদের পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের ঈমানের পরীক্ষা সবার আগে নিতেন। তারা যদি ঈমানদার হত, তাদের ঈমানের কোনো প্রকার ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে কিনা তা দেখতেন। যদি তাদের ঈমানে কোনো প্রকার ত্রুটি বিচ্যুতি থাকতো প্রথমেই তিনি তা দূর করতেন।
মুয়াবিয়া ইবন হাকাম আস-সুলামী বলেন,
«وَكَانَتْ لِي جَارِيَةٌ تَرْعَى غَنَمًا لِي فِي قِبَلِ أُحُدٍ وَالْجَوَّانِيَّةِ، فَاطَّلَعْتُهَا ذَاتَ يَوْمٍ، فَإِذَا الذِّئْبُ قَدْ ذَهَبَ بِشَاةٍ مِنْغَنَمِهَا، وَأَنَا رَجُلٌ مِنْ بَنِي آدَمَ آسَفُ كَمَا يَأْسَفُونَ، لَكِنِّي صَكَكْتُهَا صَكَّةً، فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَظَّمَ ذَلِكَ عَلَيَّ، قُلْتُ : يَا رَسُولَ اللهِ، أَفَلَا أُعْتِقُهَا؟ قَالَ : ائْتِنِي بِهَا فَأَتَيْتُهُ بِهَا فَقَالَ لَهَا : أَيْنَ اللهُ؟ فَقَالَتْ : فِي السَّمَاءِ، قَالَ : مَنْ أَنَا؟ قَالَتْ : أَنْتَ رَسُولُ اللهِ، قَالَ : أَعْتِقْهَا، فَإِنَّهَا مُؤْمِنَةٌ وَقَالَ مَرَّةً : هِيَ مُؤْمِنَةٌ، فَأَعْتِقْهَا» .
“আমার একটি বাদী ছিল সে ওহুদ ও জাওয়ানিয়ার দিকে ছাগল চরাতও। একদিন তার খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারি যে, তার ছাগল থেকে একটি ছাগল নেকড়ে বাঘ নিয়ে গেছে। আমি যেহেতু আদম সন্তান তারা যেভাবে কষ্ট পায় আমিও সেভাবে কষ্ট পেলাম। ফলে আমি তাকে খুব জোরে প্রহার করলাম, বিষয়টি আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হলে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি তাকে আযাদ করে দেব? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তাকে আমার কাছে নিয়ে আস। লোকটি বলল, আমি তাকে তার কাছে নিয়ে আসলে তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আল্লাহ কোথায়? তিনি বললেন, আল্লাহ আকাশে, তারপর বললেন, আমি কে? তিনি বললেন, তুমি আল্লাহর রাসূল, তখন তিনি বললেন, তুমি তাকে আযাদ করে দাও কারণ সে মুমিন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৩৭; আবু দাউদ, হাদীস নং ৯৩০।]
মুয়াবিয়া ইবন হাকাম আস-সুলামী বলেন,
«وَكَانَتْ لِي جَارِيَةٌ تَرْعَى غَنَمًا لِي فِي قِبَلِ أُحُدٍ وَالْجَوَّانِيَّةِ، فَاطَّلَعْتُهَا ذَاتَ يَوْمٍ، فَإِذَا الذِّئْبُ قَدْ ذَهَبَ بِشَاةٍ مِنْغَنَمِهَا، وَأَنَا رَجُلٌ مِنْ بَنِي آدَمَ آسَفُ كَمَا يَأْسَفُونَ، لَكِنِّي صَكَكْتُهَا صَكَّةً، فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَظَّمَ ذَلِكَ عَلَيَّ، قُلْتُ : يَا رَسُولَ اللهِ، أَفَلَا أُعْتِقُهَا؟ قَالَ : ائْتِنِي بِهَا فَأَتَيْتُهُ بِهَا فَقَالَ لَهَا : أَيْنَ اللهُ؟ فَقَالَتْ : فِي السَّمَاءِ، قَالَ : مَنْ أَنَا؟ قَالَتْ : أَنْتَ رَسُولُ اللهِ، قَالَ : أَعْتِقْهَا، فَإِنَّهَا مُؤْمِنَةٌ وَقَالَ مَرَّةً : هِيَ مُؤْمِنَةٌ، فَأَعْتِقْهَا» .
“আমার একটি বাদী ছিল সে ওহুদ ও জাওয়ানিয়ার দিকে ছাগল চরাতও। একদিন তার খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারি যে, তার ছাগল থেকে একটি ছাগল নেকড়ে বাঘ নিয়ে গেছে। আমি যেহেতু আদম সন্তান তারা যেভাবে কষ্ট পায় আমিও সেভাবে কষ্ট পেলাম। ফলে আমি তাকে খুব জোরে প্রহার করলাম, বিষয়টি আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হলে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি তাকে আযাদ করে দেব? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তাকে আমার কাছে নিয়ে আস। লোকটি বলল, আমি তাকে তার কাছে নিয়ে আসলে তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আল্লাহ কোথায়? তিনি বললেন, আল্লাহ আকাশে, তারপর বললেন, আমি কে? তিনি বললেন, তুমি আল্লাহর রাসূল, তখন তিনি বললেন, তুমি তাকে আযাদ করে দাও কারণ সে মুমিন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৩৭; আবু দাউদ, হাদীস নং ৯৩০।]