১
মহানবীর অবমাননা ওরা যা করেছে আমরা যা করব
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
টার্গেট মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট মধ্যপ্রাচ্য :
এসব অবমাননাকর ঘটনার পেছনে মূল লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যকে। মধ্যপ্রাচ্যের তাৎপর্যপূর্ণ কিছু উন্নয়ন রয়েছে বিগত কয়েক বছরের। এর পেছনে মার্কিন নীতির কিছুটা প্রভাবও রয়েছে। আমেরিকান নীতি এক সময় ছিল আমেরিকার স্বার্থের জন্য সহায়ক হলে রাজা সামরিক বা রাজনৈতিক একনায়কদের সহায়তা করা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের একনায়কত্ব দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আস্থাভাজন হয় না। তারা নিজেদের সর্বাত্মকবাদী শাসন কায়েম রাখতে বিভিন্ন ধরনের জুলুম নিপীড়ন করেন। এসব রাষ্ট্রনায়কের পৃষ্ঠপোষকতার সঙ্গে সঙ্গে ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্যের পরোক্ষ নিয়ন্ত্রক হিসেবে টিকিয়ে রাখার মতো করে আমেরিকা তার মধ্যপ্রাচ্য নীতি বিন্যাস করে। কিন্তু এই নীতি মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল জনগোষ্ঠীর কাছে ক্ষোভের কারণ হয়। বুশ প্রশাসন ও নিওকনদের বিপরীতে এ ধারা ওবামা প্রশাসনে প্রাধান্য লাভ করে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমের পরিবর্তিত ভূমিকার পেছনে আমেরিকান পরিস্থিতি ও উদার নীতির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কট্টরপন্থী ইসরাইলী নেতৃত্ব মধ্যপন্থী ইসলামিস্টদের নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যে গণবিপ্লব চলেছে তাতে আমেরিকান নীরবতা অথবা সমর্থনের বিপক্ষে ছিল। কট্টরপন্থী ইসরাইলীরা মনে করে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলকে শক্তি দিয়েই টিকে থাকতে হবে, সমঝোতার মাধ্যমে নয়। তাদের ধারণা, ব্রাদারহুড ধারার নেতৃত্ব মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সংহত হলে ইসরাইল অনেক বেশি চাপে পড়বে। ডেমোক্র্যাট রিপাবলিকান নির্বিশেষে সব মার্কিন সরকার ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ হলেও ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য শক্তি ও সংলাপের ভারসাম্য প্রয়োজন বলে মনে করে ডেমোক্র্যাটরা। এ কারণে ইসরাইলের সঙ্গে ক্যাম্পডেভিট শান্তিচুক্তিসহ প্রায় সব শান্তি আলোচনা ও চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে ডেমোক্র্যাটদের আমলে।
বারাক ওবামা ইসরাইলের স্বার্থের বিরুদ্ধে তার চার বছরের শাসনামলে উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ না নিলেও দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানকে এগিয়ে নিতে চেয়েছেন ফিলিস্তিন সঙ্কটের সমাধানের জন্য। ইসরাইলের কট্টরপন্থী নেতৃত্ব এ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে বারবার বাধা তৈরি করেছে। এর অংশ হিসেবে ইরানের পরমাণু ইস্যুটিকে বয়কট অবরোধের পর্যায় থেকে বেরিয়ে যুদ্ধ ও আক্রমণের পর্যায়ে নিতে নেতানিয়াহু ও এহুদ বারাক অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু হোয়াইট হাউজ ভালো করেই জানে এ মুহূর্তে ইরান আক্রমণের ঘটনা ঘটলে তা মধ্যপ্রাচ্য, বিশ্ব অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে ব্যাপকভাবে আক্রান্ত করবে।
এ ক্ষেত্রে চাপ সৃষ্টির জন্য ইসরাইলী কট্টরপন্থীরা বেছে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বিষয়টিকে। নেতানিয়াহু ও ইসরাইলী নেটওয়ার্ক ইরান আক্রমণের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যে গণতান্ত্রিক রূপান্তর এবং এর ফলে মধ্যপন্থী ইসলামী দলগুলোর ক্ষমতারোহণের প্রক্রিয়াকে উল্টোমুখী করতে চাপ সৃষ্টি করেছে ওবামা প্রশাসনের ওপর। এ চাপ সৃষ্টি করতে গিয়ে ওবামার সঙ্গে দূরত্বও তৈরি হয় নেতানিয়াহু চক্রের।মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মিট রমনির প্রতি সরাসরি সমর্থন জানান নেতানিয়াহু।
ক্যালিফোর্নিয়ায় ইসলাম ও মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি কুরুচিপূর্ণ বিদ্বেষ সংবলিত সিনেমা সৃষ্টি করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার সঙ্গে এর প্রত্যক্ষ যোগসূত্র রয়েছে। সিনেমাটি নির্মাণকারী বাসিল নিজেই বলেছেন, এটি ধর্মকেন্দ্রিক সিনেমা নয়, এই হলো রাজনৈতিক সিনেমা। [সৌজন্যে : মাসুমুর রহমান খলিলী, মধ্যপ্রাচ্যে আকস্মিক উত্তাপে নতুন শঙ্কা, দৈনিক নয়া দিগন্ত]
ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কট্টরপন্থী ইসরাইলী নেতৃত্ব মধ্যপন্থী ইসলামিস্টদের নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যে গণবিপ্লব চলেছে তাতে আমেরিকান নীরবতা অথবা সমর্থনের বিপক্ষে ছিল। কট্টরপন্থী ইসরাইলীরা মনে করে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলকে শক্তি দিয়েই টিকে থাকতে হবে, সমঝোতার মাধ্যমে নয়। তাদের ধারণা, ব্রাদারহুড ধারার নেতৃত্ব মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সংহত হলে ইসরাইল অনেক বেশি চাপে পড়বে। ডেমোক্র্যাট রিপাবলিকান নির্বিশেষে সব মার্কিন সরকার ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ হলেও ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য শক্তি ও সংলাপের ভারসাম্য প্রয়োজন বলে মনে করে ডেমোক্র্যাটরা। এ কারণে ইসরাইলের সঙ্গে ক্যাম্পডেভিট শান্তিচুক্তিসহ প্রায় সব শান্তি আলোচনা ও চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে ডেমোক্র্যাটদের আমলে।
বারাক ওবামা ইসরাইলের স্বার্থের বিরুদ্ধে তার চার বছরের শাসনামলে উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ না নিলেও দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানকে এগিয়ে নিতে চেয়েছেন ফিলিস্তিন সঙ্কটের সমাধানের জন্য। ইসরাইলের কট্টরপন্থী নেতৃত্ব এ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে বারবার বাধা তৈরি করেছে। এর অংশ হিসেবে ইরানের পরমাণু ইস্যুটিকে বয়কট অবরোধের পর্যায় থেকে বেরিয়ে যুদ্ধ ও আক্রমণের পর্যায়ে নিতে নেতানিয়াহু ও এহুদ বারাক অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু হোয়াইট হাউজ ভালো করেই জানে এ মুহূর্তে ইরান আক্রমণের ঘটনা ঘটলে তা মধ্যপ্রাচ্য, বিশ্ব অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে ব্যাপকভাবে আক্রান্ত করবে।
এ ক্ষেত্রে চাপ সৃষ্টির জন্য ইসরাইলী কট্টরপন্থীরা বেছে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বিষয়টিকে। নেতানিয়াহু ও ইসরাইলী নেটওয়ার্ক ইরান আক্রমণের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যে গণতান্ত্রিক রূপান্তর এবং এর ফলে মধ্যপন্থী ইসলামী দলগুলোর ক্ষমতারোহণের প্রক্রিয়াকে উল্টোমুখী করতে চাপ সৃষ্টি করেছে ওবামা প্রশাসনের ওপর। এ চাপ সৃষ্টি করতে গিয়ে ওবামার সঙ্গে দূরত্বও তৈরি হয় নেতানিয়াহু চক্রের।মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মিট রমনির প্রতি সরাসরি সমর্থন জানান নেতানিয়াহু।
ক্যালিফোর্নিয়ায় ইসলাম ও মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি কুরুচিপূর্ণ বিদ্বেষ সংবলিত সিনেমা সৃষ্টি করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার সঙ্গে এর প্রত্যক্ষ যোগসূত্র রয়েছে। সিনেমাটি নির্মাণকারী বাসিল নিজেই বলেছেন, এটি ধর্মকেন্দ্রিক সিনেমা নয়, এই হলো রাজনৈতিক সিনেমা। [সৌজন্যে : মাসুমুর রহমান খলিলী, মধ্যপ্রাচ্যে আকস্মিক উত্তাপে নতুন শঙ্কা, দৈনিক নয়া দিগন্ত]