১
মহানবীর অবমাননা ওরা যা করেছে আমরা যা করব
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
পৃথীবির সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব :
যে মানুষটি শুধু তাঁর সমকালীন মিত্র ও সঙ্গীদের প্রিয়তম ব্যক্তি ছিলেন না, ছিলেন আদর্শিকভাবে তাঁর ঘোর শত্রুদের চোখেও শ্রদ্ধেয় ও বরেণ্য। সমসাময়িক অনুচরবৃন্দ থেকে নিয়ে কিয়ামত দিন পর্যন্ত যে মানুষটি সকল বিবেকবান চক্ষুষ্মান অনুসারীর দৃষ্টিতে সবচে ভালোবাসার পাত্র। যাকে ‘সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী’ অভিধায় ভূষিত করেছেন খোদ নিখিল সৃষ্টির নিপুণ স্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন। [আল্লাহ তা‘আলা তাঁর প্রিয় রাসূল সম্পর্কে সার্টিফিকেট দিয়ে বলেন,
﴿ وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٖ ٤ فَسَتُبۡصِرُ وَيُبۡصِرُونَ ٥ بِأَييِّكُمُ ٱلۡمَفۡتُونُ ٦ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعۡلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦ وَهُوَ أَعۡلَمُ بِٱلۡمُهۡتَدِينَ ٧ ﴾ [ القلم : ٤، ٧ ]
‘আর নিশ্চয় আপনি মহান চরিত্রের ওপর অধিষ্ঠিত। অতঃপর শীঘ্রই আপনি দেখতে পাবেন এবং তারাও দেখতে পাবে- তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত? নিশ্চয় আপনার রবই সম্যক পরিজ্ঞাত তাদের ব্যাপারে যারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, আর তিনি হিদায়াতপ্রাপ্তদের সম্পর্কেও সম্যক জ্ঞাত’। {সূরা আল-কলম, আয়াত : ৪-৭}]
যে মানুষটির জীবনেতিহাস ও মানবজাতির প্রতি তাঁর অপরিসীম অবদানের আলেখ্য পড়ে ভক্তিগদগদ হয়ে ওঠেন আধুনিক বিশ্বের নিরপেক্ষ অসংখ্য মনীষী, আমেরিকারই নাগরিক মাইকেল এইচ হার্ট তাঁর সারা জাগানো বই ‘দ্যা হানড্রেড’ এ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মহামানব হিসেবে এক নাম্বারে রেখেছেন। ইউলিয়াম ম্যুর থেকে নিয়ে অসংখ্য পণ্ডিত ও মনীষী তাঁকে সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হিসেবে অকুণ্ঠ স্বীকৃতি দিয়েছেন। সেই মানুষকে নিয়ে যখন ব্যঙ্গ কার্টুন আঁকা হয়, সিনেমা বানিয়ে তাঁর চরিত্রে ইচ্ছে মত কালিমা লেপন করা হয়, তখন শুধু সারাবিশ্বের ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’ পাঠকারীদের অন্তরই নয়, বিবেকবান প্রতিটি মানুষের হৃদয়ই কেঁদে ওঠে। মুহাম্মদ নামের এই নিরক্ষর মহাজ্ঞানী ব্যক্তিটি শুধু অসংখ্য মানুষের নবীই নন, তিনি সবার ভালোবাসার বাতিঘর। তাঁকে সবচে বেশি ভালোবাসা ঈমানের অপরিহার্য অংশ। যেমন, আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لاَ يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ، حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ»
‘তোমাদের কেউ সে অবধি মুমিন হতে পারবে না, যাবৎ আমি তার কাছে প্রিয়তর হই তার পিতা ও সন্তান থেকে এবং সকল মানুষ থেকে।’ [বুখারী : ১৫; মুসলিম : ৪৪]
﴿ وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٖ ٤ فَسَتُبۡصِرُ وَيُبۡصِرُونَ ٥ بِأَييِّكُمُ ٱلۡمَفۡتُونُ ٦ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعۡلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦ وَهُوَ أَعۡلَمُ بِٱلۡمُهۡتَدِينَ ٧ ﴾ [ القلم : ٤، ٧ ]
‘আর নিশ্চয় আপনি মহান চরিত্রের ওপর অধিষ্ঠিত। অতঃপর শীঘ্রই আপনি দেখতে পাবেন এবং তারাও দেখতে পাবে- তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত? নিশ্চয় আপনার রবই সম্যক পরিজ্ঞাত তাদের ব্যাপারে যারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, আর তিনি হিদায়াতপ্রাপ্তদের সম্পর্কেও সম্যক জ্ঞাত’। {সূরা আল-কলম, আয়াত : ৪-৭}]
যে মানুষটির জীবনেতিহাস ও মানবজাতির প্রতি তাঁর অপরিসীম অবদানের আলেখ্য পড়ে ভক্তিগদগদ হয়ে ওঠেন আধুনিক বিশ্বের নিরপেক্ষ অসংখ্য মনীষী, আমেরিকারই নাগরিক মাইকেল এইচ হার্ট তাঁর সারা জাগানো বই ‘দ্যা হানড্রেড’ এ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মহামানব হিসেবে এক নাম্বারে রেখেছেন। ইউলিয়াম ম্যুর থেকে নিয়ে অসংখ্য পণ্ডিত ও মনীষী তাঁকে সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হিসেবে অকুণ্ঠ স্বীকৃতি দিয়েছেন। সেই মানুষকে নিয়ে যখন ব্যঙ্গ কার্টুন আঁকা হয়, সিনেমা বানিয়ে তাঁর চরিত্রে ইচ্ছে মত কালিমা লেপন করা হয়, তখন শুধু সারাবিশ্বের ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’ পাঠকারীদের অন্তরই নয়, বিবেকবান প্রতিটি মানুষের হৃদয়ই কেঁদে ওঠে। মুহাম্মদ নামের এই নিরক্ষর মহাজ্ঞানী ব্যক্তিটি শুধু অসংখ্য মানুষের নবীই নন, তিনি সবার ভালোবাসার বাতিঘর। তাঁকে সবচে বেশি ভালোবাসা ঈমানের অপরিহার্য অংশ। যেমন, আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لاَ يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ، حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ»
‘তোমাদের কেউ সে অবধি মুমিন হতে পারবে না, যাবৎ আমি তার কাছে প্রিয়তর হই তার পিতা ও সন্তান থেকে এবং সকল মানুষ থেকে।’ [বুখারী : ১৫; মুসলিম : ৪৪]