hadith book logo

সৃজনশীল ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার ব্যবহার একটি ভূমিকা

লেখকঃ নুমান বিন আবুল বাশার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১০

স্মৃতিশক্তির প্রকারভেদ

১-অনুভূতিমূলক তথ্য সংরক্ষণাগার :

এ সংরক্ষণাগারে স্মৃতিশক্তি কয়েক মিনিটের বেশী তথ্য ধারণ করে রাখতে পারে না। গাড়ি নিয়ে আপনি রাজপথে চলাকালীন ডানে-বামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোতে তথ্যসম্বলিত অনেক সাইনবোর্ড দেখতে পাবেন। কিন্তু এ তথ্যগুলো অল্প সময়ে মানসপট থেকে উধাও হয়ে যায়।

২- স্বল্পমেয়াদি স্মৃতিশক্তি :

যে স্মৃতিশক্তি সংরক্ষণের ও নিরবচ্ছিন্ন থাকার প্রয়োজন অনুভূত হয় এরকম তথ্যাবলি কয়েক ঘন্টা ধারন করে রাখতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ : যে ফোন নম্বরে আপনার একাধিকবার যোগাযোগ প্রয়োজন হয় না তা সম্পর্কে আপনার কাছে জানতে চাওয়া হলে আপনার স্বল্প মেয়াদী স্মৃতিপটে উপস্থিত করতে আপনাকে বেশ কয়েকবার ভাবতে হয় আর এটা আপনার স্মৃতিপটে অদূর ভবিষ্যতে আপনার গুরুত্বের মাত্রা অনুপাতে বিদ্যমান থাকবে।

৩- দীর্ঘ মেয়াদি স্মৃতিশক্তি :

এটি অনেক কষ্ট ও সময় ব্যয় করে সংরক্ষণকৃত তথ্যাবলি দীর্ঘ সময় হেফাযত করে। অনেক মনস্তাত্বিক বিজ্ঞানীর বিশ্বাস, ঐ তথ্যাবলি এ-স্মৃতিপটে সবসময় বিদ্যমান থাকে, কালের দীর্ঘতায় লোপ পায় না।

প্রকতপক্ষে, এর কিছু কিছু অংশ উবে যায় ও বিকৃত হয়ে যায়। কিন্তু বৃহাদাংশ সবসময় বিদ্যমান থাকে। জেনে রাখা দরকার যে, নির্দিষ্ট মূহূর্তে কোন তথ্য মানসপটে উপস্থিত করতে না পারার অর্থ এই নয় যে তা এতে বিদ্যমান নেই। বরং এটা উপস্থিতকরণ পদ্ধতি সংগতিপূর্ণ না হওয়া অথবা বিশেষ মানসিক অস্থিরতার কারণে হতে পারে।