hadith book logo

সৃজনশীল ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার ব্যবহার একটি ভূমিকা

লেখকঃ নুমান বিন আবুল বাশার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩

অবতারণা :

মূল পাঠে প্রবেশের পূর্বে পাঠক, আশা করি, নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টিপাত করবেন।

1- কোন পাঠ, বিশেষত : চিন্তা ও সৃষ্টিশীল কোন বিষয়-অধ্যয়নের পূর্বে ধ্যান ও মনোযোগকে কেন্দ্রীভূত ও জাগ্রত করে নিবেন।

২- পাঠের যে অংশ পাঠকের কাছে মনে হবে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রনিধানযোগ্য, তার পুণঃপাঠ। নিদেনপক্ষে, লেখক যার পুণঃপাঠে ইংগিত করেছেন, তা পড়ে নিবেন।

৩- বিজ্ঞান বলে, মনোসংযোগহীন দ্রুতপঠনে চিন্তার উন্মেষ ও বিকাশ ঘটে না। ধীরস্থির, সতেজ-সজাগ দৃষ্টিভঙ্গি, এবং পাঠের বিস্রস্ত ও বিক্ষিপ্ত সূত্রগুলোর একক পরম্পরার অনুসন্ধান ও গ্রন্থন অতীব প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। লেখক, অংশত, সুনির্দিষ্ট করে যে বিষয়গুলোর প্রতি আলোকপাত করেছেন, তা বিশেষভাবে টুকে নিতে হবে।

৪ - পাঠের প্রতি অংশের সাথে পাঠগত ও চিন্তাগত সংযোগ স্থাপন জরুরী , পূর্বোক্ত প্রবন্ধাংশ, যা বর্তমান অংশের জন্য ভূমিকা স্বরূপ, তার পুণর্পঠনের মাধ্যমে এ সংযোগ স্থাপন সম্ভব।

৫- মনে মনে এ বিশ্বাস পোষণ করা যে, বিশুদ্ধ ও সূক্ষ্ম চিন্তার প্রত্তুৎপন্নমতিত্ত এক ধরণের দক্ষতা, যা মানুষের জ্ঞানব্রতী আচরণ আহরণ করতে পারে, এবং একধরণের অভ্যাস যা নির্মাণ করে নিরবচ্ছিন্ন ও ক্রমাগত অনুশীলন। সাথে সাথে কোরআনের এ ঘোষণার প্রতি বিশ্বাস পোষণ করতে হবে-

إِنَّ اللَّهَ لَا يُغَيِّرُ مَا بِقَوْمٍ حَتَّى يُغَيِّرُوا مَا بِأَنْفُسِهِمْ . الرعد : 11

আল্লাহ কোন সমপ্রদায়ের অবস্থা পরিবর্তন করেন না যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থা নিজেরাই পরিবর্তন করে [রাদ : ১১]