১
সৃজনশীল ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার ব্যবহার একটি ভূমিকা
লেখকঃ নুমান বিন আবুল বাশার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
চিন্তা-পদ্ধতি
চিন্তা জীবন্ত-মানুষের অবিচ্ছেদ্য প্রক্রিয়া বটে কিন্তু বিভিন্ন ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ও পদক্ষেপের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় তা খুবই জটিলতাপূর্ণ কাজ। এটাই বাস্তবতা। স্নায়ুবিদদের অভিন্ন মত, মনুষ্য ব্রেইন আল্লাহর বিশাল জগতে সবচেয়ে জটিল বস্তু। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, ঐ সমস্ত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ও পদক্ষেপ যুক্তি-তর্কবিদদের ম্যারপ্যাচ, দার্শনিকদের কূটতার্কিকতা এড়িয়ে পুরোপুরি নাগালে আনা অসম্ভব। নিচে যুক্তিবিদ ও দার্শনিকদের প্রবর্তিত চিন্তা-পদ্ধতির অবকাঠামো সংক্ষেপে বিবৃত করা হল।
১- বিভিন্ন কাঠামোতে উত্তেজনা উদ্রেককারীর বিদ্যমানতা, যার দিকে আমাদের বিবেক-বুদ্ধি আমাদের অনুভূতি শক্তিগুলোর মাধ্যমে আকৃষ্ট হয়। যে সমস্ত কারণ অনুভূতি শক্তির ওপর প্রভাব ফেলে তা নিম্নে উদ্ধৃত হল।
- অভ্যন্তরীণ কারণাদি : যেমন মোটিভ বা কর্ম-প্রেরণা, মূল্যবোধ এবং আগ্রহ-অনুরাগ।
- বাহ্যিক কারণাদি : যেমন উত্তেজনা উদ্রেককারী, এর ধরন-প্রকৃতি, শক্তি, তার অবস্থান ও আধুনিকত্বের সর্বশেষ পজিশন।
২- স্মৃতি ও কল্পনা শক্তির সহায়তায় মনে-মগজে ঐ উত্তেজনা উদ্রেককারীকে এমন সাংকেতিক চিহ্নাদিতে রুপায়ন যা বিবেক আয়ত্ত করতে পারে। (সাংকেতিক চিহ্নাদি যথা ব্যক্তিবর্গ, বস্তুসমূহ, অর্থসমূহ, উপলব্ধি, অনুভূতি।)
৩- সুনির্দিষ্ট রেজাল্টে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্যে চিহ্নগুলোর ব্যবহারে বিবেক-বুদ্ধিকে সক্রিয় করা। মানসিক প্রক্রিয়ার আলোকে মনুষ্য বিবেক নিম্নরূপে বিভক্ত করা যায়।
- সচেতন বিবেক-বুদ্ধি : এদ্বারা বিভিন্ন বস্তু ও তথ্যাদি হৃদয়ঙ্গম, এগুলোর সংরক্ষণ ও হিতকর পদ্ধতিতে পারস্পরিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করণ, হ্যাঁ বা না সূচক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভবপর হয়।
- অবচেতন বিবেক-বুদ্ধি : যা অনিচ্ছাকৃত, স্বতঃস্ফূর্ত কর্মাবলি নিয়ন্ত্রণ করে, ঘটনাবলি সঞ্চয় করে এবং মানুষকে অভ্যস্ত ক্রিয়াসমূহ সম্পাদন করার প্রতি অনুপ্রাণিত করে।
উল্ল্যেখ্য যে, সচেতনা ও অবচেতনার মাঝে রয়েছে পরস্পর সম্পর্ক, একটা আরেকটার পরিপূরক।
১- বিভিন্ন কাঠামোতে উত্তেজনা উদ্রেককারীর বিদ্যমানতা, যার দিকে আমাদের বিবেক-বুদ্ধি আমাদের অনুভূতি শক্তিগুলোর মাধ্যমে আকৃষ্ট হয়। যে সমস্ত কারণ অনুভূতি শক্তির ওপর প্রভাব ফেলে তা নিম্নে উদ্ধৃত হল।
- অভ্যন্তরীণ কারণাদি : যেমন মোটিভ বা কর্ম-প্রেরণা, মূল্যবোধ এবং আগ্রহ-অনুরাগ।
- বাহ্যিক কারণাদি : যেমন উত্তেজনা উদ্রেককারী, এর ধরন-প্রকৃতি, শক্তি, তার অবস্থান ও আধুনিকত্বের সর্বশেষ পজিশন।
২- স্মৃতি ও কল্পনা শক্তির সহায়তায় মনে-মগজে ঐ উত্তেজনা উদ্রেককারীকে এমন সাংকেতিক চিহ্নাদিতে রুপায়ন যা বিবেক আয়ত্ত করতে পারে। (সাংকেতিক চিহ্নাদি যথা ব্যক্তিবর্গ, বস্তুসমূহ, অর্থসমূহ, উপলব্ধি, অনুভূতি।)
৩- সুনির্দিষ্ট রেজাল্টে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্যে চিহ্নগুলোর ব্যবহারে বিবেক-বুদ্ধিকে সক্রিয় করা। মানসিক প্রক্রিয়ার আলোকে মনুষ্য বিবেক নিম্নরূপে বিভক্ত করা যায়।
- সচেতন বিবেক-বুদ্ধি : এদ্বারা বিভিন্ন বস্তু ও তথ্যাদি হৃদয়ঙ্গম, এগুলোর সংরক্ষণ ও হিতকর পদ্ধতিতে পারস্পরিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করণ, হ্যাঁ বা না সূচক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভবপর হয়।
- অবচেতন বিবেক-বুদ্ধি : যা অনিচ্ছাকৃত, স্বতঃস্ফূর্ত কর্মাবলি নিয়ন্ত্রণ করে, ঘটনাবলি সঞ্চয় করে এবং মানুষকে অভ্যস্ত ক্রিয়াসমূহ সম্পাদন করার প্রতি অনুপ্রাণিত করে।
উল্ল্যেখ্য যে, সচেতনা ও অবচেতনার মাঝে রয়েছে পরস্পর সম্পর্ক, একটা আরেকটার পরিপূরক।