১
সৃজনশীল ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার ব্যবহার একটি ভূমিকা
লেখকঃ নুমান বিন আবুল বাশার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
সদা মনোযোগ ধরে রাখার জন্য নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।
মনোযোগীতা ও অমনোযোগীতা উভয়টা মানুষের অভ্যাস হিসেবে পরিগণিত। মনোযোগীতার অভ্যাসকে ধরে রাখতে হবে। চিন্তা-বৃত্তি থেকে বিমুখকারী সমস্ত চিন্তা-ভাবনা রোধে দৃঢ়প্রত্যয়ী ও সচেষ্ট হতে হবে।
আপনাকে আক্রান্ত করার পূর্বেই এ থেকে পরিপূর্ণ রূপে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। আপনার নেত্র যেন এদিক সেদিক দৃষ্টিপাতকারী ও পর্যবেক্ষণকারী না হয়। আপনার কর্ণ যেন বিক্ষিপ্ত আওয়াজসমূহর প্রতি ওৎ পেতে থাকার যন্ত্রে পরিণত না হয়।
আপনি যা চিন্তা করবেন তা নিয়ে পরিতুষ্ট থাকবেন। অতঃপর চিন্তা-বৃত্তির জন্যে উপযুক্ত সময় চয়ন করবেন।
আপনি আপনার দেহ ও চিন্তাকে ঢিল দিবেন। কেউ কেউ বলে, ঢিল না দেওয়াই মনোযোগিতার উত্তম পন্থা। এখানে বিশুদ্ধ মত হচ্ছে, এ ক্ষেত্রে মানুষ ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ করে, সুতরাং আপনি আপনার জন্য অধিক উপযুক্ত দিকটা বেছে নিন।
উল্লেখ্য যে, মনোযোগহীনতার জটিল ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যাক্তিদের মনোযোগ সৃষ্টির সহায়ক হিসেবে এক বিশেষ পন্থা অবলম্বন করা যায় আর তা হচ্ছে কলম ধরে চিন্তা ভাবনায় যা আসে তা লেখতে থাকা।
এটা একটি পরিক্ষিত পন্থা- সচেতন ব্যাক্তিরা যেটা ব্যবহার করে দেখেছেন। এর উপকারিতার প্রশংসা করেছেন। ভাল রেজাল্টের কথা উল্লেখ করেছেন। কোন কোন সময় বিশেষ পরিস্থিতিতে স্বীয় চিন্তা-ভাবনা লিপিবদ্ধ করার জন্য কলম হাতে নিয়ে বসলে সবেগে চিন্তা আসতেই থাকে, সে সময় হাত থেকে কলম রেখে দেয়া এবং চিন্তা প্রক্রিয়ায় নিজকে ব্যস্ত রাখা উচিত। যখন সবেগতা কমে যায় তখন কলম নিয়ে লেখা আরম্ভ করা এটাই নিয়ম।
আপনাকে আক্রান্ত করার পূর্বেই এ থেকে পরিপূর্ণ রূপে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। আপনার নেত্র যেন এদিক সেদিক দৃষ্টিপাতকারী ও পর্যবেক্ষণকারী না হয়। আপনার কর্ণ যেন বিক্ষিপ্ত আওয়াজসমূহর প্রতি ওৎ পেতে থাকার যন্ত্রে পরিণত না হয়।
আপনি যা চিন্তা করবেন তা নিয়ে পরিতুষ্ট থাকবেন। অতঃপর চিন্তা-বৃত্তির জন্যে উপযুক্ত সময় চয়ন করবেন।
আপনি আপনার দেহ ও চিন্তাকে ঢিল দিবেন। কেউ কেউ বলে, ঢিল না দেওয়াই মনোযোগিতার উত্তম পন্থা। এখানে বিশুদ্ধ মত হচ্ছে, এ ক্ষেত্রে মানুষ ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ করে, সুতরাং আপনি আপনার জন্য অধিক উপযুক্ত দিকটা বেছে নিন।
উল্লেখ্য যে, মনোযোগহীনতার জটিল ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যাক্তিদের মনোযোগ সৃষ্টির সহায়ক হিসেবে এক বিশেষ পন্থা অবলম্বন করা যায় আর তা হচ্ছে কলম ধরে চিন্তা ভাবনায় যা আসে তা লেখতে থাকা।
এটা একটি পরিক্ষিত পন্থা- সচেতন ব্যাক্তিরা যেটা ব্যবহার করে দেখেছেন। এর উপকারিতার প্রশংসা করেছেন। ভাল রেজাল্টের কথা উল্লেখ করেছেন। কোন কোন সময় বিশেষ পরিস্থিতিতে স্বীয় চিন্তা-ভাবনা লিপিবদ্ধ করার জন্য কলম হাতে নিয়ে বসলে সবেগে চিন্তা আসতেই থাকে, সে সময় হাত থেকে কলম রেখে দেয়া এবং চিন্তা প্রক্রিয়ায় নিজকে ব্যস্ত রাখা উচিত। যখন সবেগতা কমে যায় তখন কলম নিয়ে লেখা আরম্ভ করা এটাই নিয়ম।