১
সৃজনশীল ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার ব্যবহার একটি ভূমিকা
লেখকঃ নুমান বিন আবুল বাশার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
ওহী বিশুদ্ধ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ করে
পবিত্র কুরআনে বিভিন্ন আয়াত রয়েছে, যা মানুষকে চিন্তা ও গবেষণার প্রতি উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যোগায়। বিবেক ও বিবেকবানের মর্যাদা বৃদ্ধি করে। পবিত্র কুরআনে ফিকর অর্থাৎ চিন্তাবোধক ধাতুটি বিভিন্নরূপে বিশটি স্থানে উল্লেখ করা হয়েছে। নিচে কতিপয় উদাহরণ দেওয়া হল।
আল্লাহ তায়ালার বাণী :—
كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمُ الْآَيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُونَ . البقرة : 219
এভাবে, আল্লাহ তোমাদের জন্য নিদর্শনাবলী সুস্পষ্টরূপে ব্যক্ত করেন, যাতে তোমরা চিন্তা কর। [আল-বাকারা : ২১৯]
أَوَلَمْ يَتَفَكَّرُوا فِي أَنْفُسِهِمْ . الروم : 8
তারা কি নিজেদের ব্যাপারে চিন্তার দ্বারস্থ হয় না [রূম : ৮]
فَاقْصُصِ الْقَصَصَ لَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُونَ . الأعراف :176
তুমি বৃত্তান্তু বিবৃত কর, যাতে তারা চিন্তা করে। [আল-আরাফ ১৭৬]
এছাড়া ভিন্ন ধাতু হতে নির্গত কিছু শব্দ ও শব্দগুচ্ছ এসেছে, যা চিন্তা ও চিন্তাবৃত্তির গুরুত্ব প্রমাণ করে। নিম্নে এর কিছু নমুনা পেশ করা হল -
আল্লাহ তায়ালা বলেন :—
إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلَافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ لَآَيَاتٍ لِأُولِي الْأَلْبَابِ ﴿190﴾ الَّذِينَ يَذْكُرُونَ اللَّهَ قِيَامًا وَقُعُودًا وَعَلَى جُنُوبِهِمْ وَيَتَفَكَّرُونَ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ . آل عمران :190-191
আকাশমণ্ডল ও পৃথিবী সৃষ্টিতে, দিবস ও রাত্রির বিবর্তনে নিদর্শনাবলী রয়েছে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য, যারা বসে ও শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে, চিন্তা করে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি সম্বন্ধে । [আলে-ইমরান ১৯০-১৯১]
كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ آَيَاتِهِ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ . البقرة : 242
এভাবেই, আল্লাহ তাঁর নিদর্শনাসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা উপলব্ধি করতে পার। [আল-বাকারা ২৪২]
انْظُرْ كَيْفَ نُصَرِّفُ الْآَيَاتِ لَعَلَّهُمْ يَفْقَهُونَ . الأنعام :65
দেখ, আমি কিরূপে বিভিন্ন প্রকারে আয়াতসমূহ বিবৃত করি, যাতে তারা অনুধাবন করে। [আন-আম : ৬৫]
يُؤْتِي الْحِكْمَةَ مَنْ يَشَاءُ وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُو الْأَلْبَابِ . البقرة 269
তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমত প্রদান করেন এবং হিকমত প্রদান করা হয়েছে যাকে, লাভ করেছে সে প্রভূত কল্যাণ। এবং বোধসম্পন্ন লোকেরাই শুধু শিক্ষা গ্রহণ করে। (বাকারা : ২৬৯)
আল্লাহ তায়ালার বাণী :—
كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمُ الْآَيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُونَ . البقرة : 219
এভাবে, আল্লাহ তোমাদের জন্য নিদর্শনাবলী সুস্পষ্টরূপে ব্যক্ত করেন, যাতে তোমরা চিন্তা কর। [আল-বাকারা : ২১৯]
أَوَلَمْ يَتَفَكَّرُوا فِي أَنْفُسِهِمْ . الروم : 8
তারা কি নিজেদের ব্যাপারে চিন্তার দ্বারস্থ হয় না [রূম : ৮]
فَاقْصُصِ الْقَصَصَ لَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُونَ . الأعراف :176
তুমি বৃত্তান্তু বিবৃত কর, যাতে তারা চিন্তা করে। [আল-আরাফ ১৭৬]
এছাড়া ভিন্ন ধাতু হতে নির্গত কিছু শব্দ ও শব্দগুচ্ছ এসেছে, যা চিন্তা ও চিন্তাবৃত্তির গুরুত্ব প্রমাণ করে। নিম্নে এর কিছু নমুনা পেশ করা হল -
আল্লাহ তায়ালা বলেন :—
إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلَافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ لَآَيَاتٍ لِأُولِي الْأَلْبَابِ ﴿190﴾ الَّذِينَ يَذْكُرُونَ اللَّهَ قِيَامًا وَقُعُودًا وَعَلَى جُنُوبِهِمْ وَيَتَفَكَّرُونَ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ . آل عمران :190-191
আকাশমণ্ডল ও পৃথিবী সৃষ্টিতে, দিবস ও রাত্রির বিবর্তনে নিদর্শনাবলী রয়েছে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য, যারা বসে ও শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে, চিন্তা করে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি সম্বন্ধে । [আলে-ইমরান ১৯০-১৯১]
كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ آَيَاتِهِ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ . البقرة : 242
এভাবেই, আল্লাহ তাঁর নিদর্শনাসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা উপলব্ধি করতে পার। [আল-বাকারা ২৪২]
انْظُرْ كَيْفَ نُصَرِّفُ الْآَيَاتِ لَعَلَّهُمْ يَفْقَهُونَ . الأنعام :65
দেখ, আমি কিরূপে বিভিন্ন প্রকারে আয়াতসমূহ বিবৃত করি, যাতে তারা অনুধাবন করে। [আন-আম : ৬৫]
يُؤْتِي الْحِكْمَةَ مَنْ يَشَاءُ وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُو الْأَلْبَابِ . البقرة 269
তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমত প্রদান করেন এবং হিকমত প্রদান করা হয়েছে যাকে, লাভ করেছে সে প্রভূত কল্যাণ। এবং বোধসম্পন্ন লোকেরাই শুধু শিক্ষা গ্রহণ করে। (বাকারা : ২৬৯)