১
সৃজনশীল ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার ব্যবহার একটি ভূমিকা
লেখকঃ নুমান বিন আবুল বাশার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
স্মরণে আনার স্তরসমূহ
১- উপরের বিবরণ মোতাবেক স্মৃতিশক্তির যে কোন এক প্রকারে সংরক্ষণের জন্য অবধারিত তথ্যকে স্থান দেওয়া। তথ্যগুলোকে স্থান প্রদান যেন সবসময় সুসংহতভাবে সম্পন্ন হয়।
২ - বিশেষ সংকেতের মাধ্যমে ঐ তথ্যকে প্রতীকীকরণ, প্রয়োজনের মূহূর্তে যাতে সং‡কত ব্যবহারের মাধ্যমে সহজে উপস্থিত করা সম্ভব হয়।
এটাকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তথ্য প্রতীকীকরণ সূক্ষ্ম ও সুস্পষ্টভাবে সম্পাদিত হলে তা অনায়াসে দীর্ঘ সময় সংরক্ষিত রাখা ও অতি অল্প-সময়ে উপস্থিত করা সম্ভব হবে।
আপনার কি স্মরণ হচ্ছে কাবীল এবং হাবীলের মাঝে কে কার হত্যাকারী? আপনি মাঝে মাঝে দ্রুত স্মরণে আনতে পারবেন এবং মাঝে মাঝে দ্রুত স্মরণে আনতে পারবেন না অথবা একেবারে স্মরণে আনতে পারবেন না। কিন্তু আপনি যদি সূক্ষ্মরূপে আপনার তথ্যাবলি প্রতীকীকরণে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন যেমনঃ আপনি আপনার প্রথম শ্রবণে বা পড়ায় কাবীলেই হত্যাকারী একথা অবগতিতে আপনি মনে মনে বলে উঠলেন কাবীলই হত্যাকারী .. ক, ক (ক অক্ষর দ্বারা আরম্ভ করে) তখন আপনি কি বিশ্বাস করেন আপনি এ তথ্য ভুলে যাবেন ?
আরেকটি উদাহরণ নিন, আপনি আপনার বন্ধুর নতুন নম্বর শোনার পর তা লজিকেল রূপে প্রতীকীকরণে চিন্তা করলেন, ধরে নিন নম্বরটা হচ্ছে ১৫৪৫/২৪০ আপনার নিকট প্রথমে এ-নম্বর কঠিন মনে হবে, কিন্তু আপনি যদি বলেন ২৪০ হচ্ছে ইমাম আহমদের মৃত্যুর এক বছর আগে, ১৫৪৫ এবং দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের মধ্যে ব্যবধান হচ্ছে ৪০০ বছর !! অনুরূপ তারিখের ক্ষেত্রে প্রত্যেক শতাব্দীতে নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করতে পারবে।
মানসিক চিত্রগুলো কাজে লাগানোই হচ্ছে প্রতীকীকরণের উত্তম পদ্ধতি। উদাহরণ স্বরূপ : ধরে নিন, আপনি লাইব্রেরী থেকে একটি কলম ও একটি খাতা কেনার ইচ্ছা করেছেন। আপনার ছোট শিশুর জন্য দোকান থেকে একটি রুটি, একটি কুস্তা ও একটি খেলনা কেনার ইচ্ছা করেছেন তখন আপনি মনে মনে কল্পনা করবেন যে নাস্তার পর শিশু খেলনা বিষয়ে লিখবে।
৩- স্মৃতি-সেলগুলোতে তথ্যাদি সংরক্ষণ করা। উল্লেখ্য যে, প্রতি মানবীয় স্মৃতিতে দশ বিলিয়ন সেল রয়েছে। প্রত্যেকটি সেল এক লক্ষ তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। অধুনা বিশেষ গবেষণা প্রমাণ করে যে, সাধারণত মানুষ পনের ট্রিলিয়ন তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। অতএব, মহান আল্লাহ কত বড় সুমহান! আমরা আমাদের শক্তি সম্পর্কে কতইনা অজ্ঞ।
৪- সাংকেতিক চিহ্নের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্যের সন্ধান করা।
২ - বিশেষ সংকেতের মাধ্যমে ঐ তথ্যকে প্রতীকীকরণ, প্রয়োজনের মূহূর্তে যাতে সং‡কত ব্যবহারের মাধ্যমে সহজে উপস্থিত করা সম্ভব হয়।
এটাকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তথ্য প্রতীকীকরণ সূক্ষ্ম ও সুস্পষ্টভাবে সম্পাদিত হলে তা অনায়াসে দীর্ঘ সময় সংরক্ষিত রাখা ও অতি অল্প-সময়ে উপস্থিত করা সম্ভব হবে।
আপনার কি স্মরণ হচ্ছে কাবীল এবং হাবীলের মাঝে কে কার হত্যাকারী? আপনি মাঝে মাঝে দ্রুত স্মরণে আনতে পারবেন এবং মাঝে মাঝে দ্রুত স্মরণে আনতে পারবেন না অথবা একেবারে স্মরণে আনতে পারবেন না। কিন্তু আপনি যদি সূক্ষ্মরূপে আপনার তথ্যাবলি প্রতীকীকরণে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন যেমনঃ আপনি আপনার প্রথম শ্রবণে বা পড়ায় কাবীলেই হত্যাকারী একথা অবগতিতে আপনি মনে মনে বলে উঠলেন কাবীলই হত্যাকারী .. ক, ক (ক অক্ষর দ্বারা আরম্ভ করে) তখন আপনি কি বিশ্বাস করেন আপনি এ তথ্য ভুলে যাবেন ?
আরেকটি উদাহরণ নিন, আপনি আপনার বন্ধুর নতুন নম্বর শোনার পর তা লজিকেল রূপে প্রতীকীকরণে চিন্তা করলেন, ধরে নিন নম্বরটা হচ্ছে ১৫৪৫/২৪০ আপনার নিকট প্রথমে এ-নম্বর কঠিন মনে হবে, কিন্তু আপনি যদি বলেন ২৪০ হচ্ছে ইমাম আহমদের মৃত্যুর এক বছর আগে, ১৫৪৫ এবং দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের মধ্যে ব্যবধান হচ্ছে ৪০০ বছর !! অনুরূপ তারিখের ক্ষেত্রে প্রত্যেক শতাব্দীতে নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করতে পারবে।
মানসিক চিত্রগুলো কাজে লাগানোই হচ্ছে প্রতীকীকরণের উত্তম পদ্ধতি। উদাহরণ স্বরূপ : ধরে নিন, আপনি লাইব্রেরী থেকে একটি কলম ও একটি খাতা কেনার ইচ্ছা করেছেন। আপনার ছোট শিশুর জন্য দোকান থেকে একটি রুটি, একটি কুস্তা ও একটি খেলনা কেনার ইচ্ছা করেছেন তখন আপনি মনে মনে কল্পনা করবেন যে নাস্তার পর শিশু খেলনা বিষয়ে লিখবে।
৩- স্মৃতি-সেলগুলোতে তথ্যাদি সংরক্ষণ করা। উল্লেখ্য যে, প্রতি মানবীয় স্মৃতিতে দশ বিলিয়ন সেল রয়েছে। প্রত্যেকটি সেল এক লক্ষ তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। অধুনা বিশেষ গবেষণা প্রমাণ করে যে, সাধারণত মানুষ পনের ট্রিলিয়ন তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। অতএব, মহান আল্লাহ কত বড় সুমহান! আমরা আমাদের শক্তি সম্পর্কে কতইনা অজ্ঞ।
৪- সাংকেতিক চিহ্নের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্যের সন্ধান করা।