১
একজন মুসলিমের চারিত্রিক গুণাবলি
লেখকঃ ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ, ড. আদেল আশ-শিদ্দী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
৭. প্রতিবেশীর প্রতি সুন্দরতম ব্যবহার:
প্রতিবেশীর প্রতি সুন্দরতম ব্যবহার হচ্ছে ইসলামী চরিত্রের অন্যতম। প্রতিবেশী হচ্ছে সে সব লোক যারা তোমার বাড়ীর আশেপাশে বসবাস করে। যে তোমার সবচেয়ে নিকটবর্তী সে সুন্দর ব্যবহার ও অনুগ্রহের সবচেয়ে বেশি হকদার। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَبِٱلۡوَٰلِدَيۡنِ إِحۡسَٰنٗا وَبِذِي ٱلۡقُرۡبَىٰ وَٱلۡيَتَٰمَىٰ وَٱلۡمَسَٰكِينِ وَٱلۡجَارِ ذِي ٱلۡقُرۡبَىٰ وَٱلۡجَارِ ٱلۡجُنُبِ وَٱلصَّاحِبِ بِٱلۡجَنۢبِ﴾ [ النساء : ٣٦ ]
“আর মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার কর, নিকটাত্মীয়, ইয়াতীম, মিসকীন নিকটতম প্রতিবেশী ও পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীর প্রতিও”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৩৬]
এতে আল্লাহ নিকটতম ও দূরবর্তী প্রতিবেশীর প্রতি সদ্ব্যবহার করতে ওসিয়ত করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَا زَالَ يُوصِينِي جِبْرِيلُ بِالْجَارِ، حَتَّى ظَنَنْتُ أَنَّهُ سَيُوَرِّثُهُ»
“জিবরীল আমাকে প্রতিবেশীর ব্যাপারে ওসিয়ত করছিল, এমনকি আমি ধারণা করছি যে প্রতিবেশীকে ওয়ারিশ বানিয়ে দিবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬০১৪; সহীহ মুসলিম মুসলিম, হাদীস নং ২৬২৫।]
অর্থাৎ আমি মনে করেছিলাম যে ওয়ারিশদের সাথে প্রতিবেশীর জন্য মিরাসের একটি অংশ নির্ধারিত করে দেবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু যর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে লক্ষ্য করে বলেন,
«يَا أَبَا ذَرٍّ إِذَا طَبَخْتَ مَرَقَةً، فَأَكْثِرْ مَاءَهَا، وَتَعَاهَدْ جِيرَانَكَ»
“হে আবু যর! যখন তুমি শুরবা পাক কর তখন পানি বেশি করে দাও, আর তোমার প্রতিবেশীদের অঙ্গিকার পূরণ কর”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৬২৫।] প্রতিবেশীর পার্শ্বোবস্থানের হক রয়েছে যদিও সে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের প্রতি অবিশ্বাসী কাফির হয়।
﴿وَبِٱلۡوَٰلِدَيۡنِ إِحۡسَٰنٗا وَبِذِي ٱلۡقُرۡبَىٰ وَٱلۡيَتَٰمَىٰ وَٱلۡمَسَٰكِينِ وَٱلۡجَارِ ذِي ٱلۡقُرۡبَىٰ وَٱلۡجَارِ ٱلۡجُنُبِ وَٱلصَّاحِبِ بِٱلۡجَنۢبِ﴾ [ النساء : ٣٦ ]
“আর মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার কর, নিকটাত্মীয়, ইয়াতীম, মিসকীন নিকটতম প্রতিবেশী ও পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীর প্রতিও”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৩৬]
এতে আল্লাহ নিকটতম ও দূরবর্তী প্রতিবেশীর প্রতি সদ্ব্যবহার করতে ওসিয়ত করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَا زَالَ يُوصِينِي جِبْرِيلُ بِالْجَارِ، حَتَّى ظَنَنْتُ أَنَّهُ سَيُوَرِّثُهُ»
“জিবরীল আমাকে প্রতিবেশীর ব্যাপারে ওসিয়ত করছিল, এমনকি আমি ধারণা করছি যে প্রতিবেশীকে ওয়ারিশ বানিয়ে দিবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬০১৪; সহীহ মুসলিম মুসলিম, হাদীস নং ২৬২৫।]
অর্থাৎ আমি মনে করেছিলাম যে ওয়ারিশদের সাথে প্রতিবেশীর জন্য মিরাসের একটি অংশ নির্ধারিত করে দেবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু যর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে লক্ষ্য করে বলেন,
«يَا أَبَا ذَرٍّ إِذَا طَبَخْتَ مَرَقَةً، فَأَكْثِرْ مَاءَهَا، وَتَعَاهَدْ جِيرَانَكَ»
“হে আবু যর! যখন তুমি শুরবা পাক কর তখন পানি বেশি করে দাও, আর তোমার প্রতিবেশীদের অঙ্গিকার পূরণ কর”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৬২৫।] প্রতিবেশীর পার্শ্বোবস্থানের হক রয়েছে যদিও সে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের প্রতি অবিশ্বাসী কাফির হয়।