১
একজন মুসলিমের চারিত্রিক গুণাবলি
লেখকঃ ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ, ড. আদেল আশ-শিদ্দী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
৫. মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার:
মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার উত্তম চরিত্রের অন্যতম। আর এটা তাদের হক মহান হওয়ার কারণে, যে হক আল্লাহ হকের পর। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَٱعۡبُدُواْ ٱللَّهَ وَلَا تُشۡرِكُواْ بِهِۦ شَيۡٔٗاۖ وَبِٱلۡوَٰلِدَيۡنِ إِحۡسَٰنٗا﴾ [ النساء : ٣٦ ]
“আর তোমরা আল্লাহ ইবাদত কর, তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরীক করো না এবং মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার কর”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৩৬]
আল্লাহ তা‘আলা তাদের আনুগত্য, তাদের প্রতি দয়া ও বিনয় এবং তাদের জন্য দো‘আ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَٱخۡفِضۡ لَهُمَا جَنَاحَ ٱلذُّلِّ مِنَ ٱلرَّحۡمَةِ وَقُل رَّبِّ ٱرۡحَمۡهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرٗا ٢٤﴾ [ الاسراء : ٢٤ ]
“তাদের উভয়ের জন্য তোমার দয়াবনতির ডানা অবনত করে দাও এবং বল, হে আমার রব তাদের প্রতি আপনি করুণা করুন তারা যেভাবে আমাকে ছোট বেলায় লালন-পালন করেছে”। [সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ২৪]
«جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنْ أَحَقُّ النَّاسِ بِحُسْنِ صَحَابَتِي؟ قَالَ : «أُمُّكَ» قَالَ : ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ : «ثُمَّ أُمُّكَ» قَالَ : ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ : «ثُمَّ أُمُّكَ» قَالَ : ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ : «ثُمَّ أَبُوكَ»
“এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে জিজ্ঞেস করল: “হে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার উত্তম সাহচর্যের সবচেয়ে বেশি অধিকারী ব্যক্তি কে? তিনি বললেন: তোমার মা। অতঃপর জিজ্ঞেস করল তারপর কে? তিনি উত্তর দিলেন: তোমার মা। অতঃপর জিজ্ঞেস করল তার পর কে? তিনি উত্তর দিলেন তোমার মা। অতঃপর জিজ্ঞেস করল তার পর কে? উত্তর দিলেন: তোমার পিতা”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৯৭১; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৪৮।]
মাতা-পিতার প্রতি এ সদ্ব্যবহার ও দয়া অনুগ্রহ অতিরিক্ত বা পূর্ণতা দানকারী বিষয় নয় বরং তা হচ্ছে সকল মানুষের ওপর ইজমার ভিত্তিতে ফরযে আইন।
﴿وَٱعۡبُدُواْ ٱللَّهَ وَلَا تُشۡرِكُواْ بِهِۦ شَيۡٔٗاۖ وَبِٱلۡوَٰلِدَيۡنِ إِحۡسَٰنٗا﴾ [ النساء : ٣٦ ]
“আর তোমরা আল্লাহ ইবাদত কর, তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরীক করো না এবং মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার কর”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৩৬]
আল্লাহ তা‘আলা তাদের আনুগত্য, তাদের প্রতি দয়া ও বিনয় এবং তাদের জন্য দো‘আ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَٱخۡفِضۡ لَهُمَا جَنَاحَ ٱلذُّلِّ مِنَ ٱلرَّحۡمَةِ وَقُل رَّبِّ ٱرۡحَمۡهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرٗا ٢٤﴾ [ الاسراء : ٢٤ ]
“তাদের উভয়ের জন্য তোমার দয়াবনতির ডানা অবনত করে দাও এবং বল, হে আমার রব তাদের প্রতি আপনি করুণা করুন তারা যেভাবে আমাকে ছোট বেলায় লালন-পালন করেছে”। [সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ২৪]
«جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنْ أَحَقُّ النَّاسِ بِحُسْنِ صَحَابَتِي؟ قَالَ : «أُمُّكَ» قَالَ : ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ : «ثُمَّ أُمُّكَ» قَالَ : ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ : «ثُمَّ أُمُّكَ» قَالَ : ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ : «ثُمَّ أَبُوكَ»
“এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে জিজ্ঞেস করল: “হে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার উত্তম সাহচর্যের সবচেয়ে বেশি অধিকারী ব্যক্তি কে? তিনি বললেন: তোমার মা। অতঃপর জিজ্ঞেস করল তারপর কে? তিনি উত্তর দিলেন: তোমার মা। অতঃপর জিজ্ঞেস করল তার পর কে? তিনি উত্তর দিলেন তোমার মা। অতঃপর জিজ্ঞেস করল তার পর কে? উত্তর দিলেন: তোমার পিতা”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৯৭১; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৪৮।]
মাতা-পিতার প্রতি এ সদ্ব্যবহার ও দয়া অনুগ্রহ অতিরিক্ত বা পূর্ণতা দানকারী বিষয় নয় বরং তা হচ্ছে সকল মানুষের ওপর ইজমার ভিত্তিতে ফরযে আইন।