১
একজন মুসলিমের চারিত্রিক গুণাবলি
লেখকঃ ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ, ড. আদেল আশ-শিদ্দী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
১৫. চারিত্রিক পবিত্রতা:
ইসলামী চরিত্রের আর একটি অন্যতম দিক হচ্ছে চারিত্রিক পবিত্রতা। এ চরিত্র মানুষের সম্মান সংরক্ষণ এবং বংশে সংমিশ্রণ না হওয়ার দিকে পৌঁছে দেয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿وَلۡيَسۡتَعۡفِفِ ٱلَّذِينَ لَا يَجِدُونَ نِكَاحًا حَتَّىٰ يُغۡنِيَهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضۡلِهِ﴾ [ النور : ٣٣ ]
“যারা বিবাহের সামর্থ্য পায় না তারা যেন চারিত্রিক পবিত্রতা গ্রহণ করে আল্লাহ তার অনুগ্রহে তাদেরকে সম্পদশালী করা পর্যন্ত”। [সূরা আন-নূর, আয়াত: ৩৩]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«اضْمَنُوا لِي سِتًّا مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَضْمَنْ لَكُمُ الْجَنَّةَ : اصْدُقُوا إِذَا حَدَّثْتُمْ، وَأَوْفُوا إِذَا وَعَدْتُمْ، وَأَدُّوا إِذَا اؤْتُمِنْتُمْ، وَاحْفَظُوا فُرُوجَكُمْ، وَغُضُّوا أَبْصَارَكُمْ، وَكُفُّوا أَيْدِيَكُمْ»
“তোমরা আমার জন্য ছয়টি বিষয়ের যিম্মাদার হও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের যিম্মাদার হব, যখন তোমাদের কেউ কথা বলে সে যেন মিথ্যা না বলে। যখন তার কাছে আমানত রাখা হয় তখন যেন খেয়ানত না করে, যখন প্রতিশ্রুতি দেয় তা যেন ভঙ্গ না করে, তোমরা তোমাদের দৃষ্টি অবনত কর, তোমাদের হস্তদ্বয় সংযত কর, তোমাদের লজ্জাস্থান হিফাযত কর”। [মুসনাদে আহমাদ: ৫/৩২৩। হাদীসটি তাবারানী বর্ণনা করে হাসান বলেছেন।]
ইসলামের এ সব চরিত্রে এমন কিছু নেই যা অপছন্দ করা যায়, বরং এসব এমন সম্মান যোগ্য ও মহৎ চারিত্রাবলী যা প্রত্যেক নিষ্কলুষ স্বভাবের অধিকারীর সমর্থন লাভ করে। মুসলিমগণ যদি (আজ) এ মহৎ চরিত্র ধারণ করত তাহলে সর্বত্র থেকে তাদের নিকট মানুষ আগমন করত এবং দলে দলে আল্লাহর দীনে তারা প্রবেশ করত যেভাবে প্রথম যুগের মুসলিমদের লেন-দেন ও চরিত্রের কারণে যেভাবে মানুষ ইসলামে প্রবেশ করেছিল।
সমাপ্ত
﴿وَلۡيَسۡتَعۡفِفِ ٱلَّذِينَ لَا يَجِدُونَ نِكَاحًا حَتَّىٰ يُغۡنِيَهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضۡلِهِ﴾ [ النور : ٣٣ ]
“যারা বিবাহের সামর্থ্য পায় না তারা যেন চারিত্রিক পবিত্রতা গ্রহণ করে আল্লাহ তার অনুগ্রহে তাদেরকে সম্পদশালী করা পর্যন্ত”। [সূরা আন-নূর, আয়াত: ৩৩]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«اضْمَنُوا لِي سِتًّا مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَضْمَنْ لَكُمُ الْجَنَّةَ : اصْدُقُوا إِذَا حَدَّثْتُمْ، وَأَوْفُوا إِذَا وَعَدْتُمْ، وَأَدُّوا إِذَا اؤْتُمِنْتُمْ، وَاحْفَظُوا فُرُوجَكُمْ، وَغُضُّوا أَبْصَارَكُمْ، وَكُفُّوا أَيْدِيَكُمْ»
“তোমরা আমার জন্য ছয়টি বিষয়ের যিম্মাদার হও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের যিম্মাদার হব, যখন তোমাদের কেউ কথা বলে সে যেন মিথ্যা না বলে। যখন তার কাছে আমানত রাখা হয় তখন যেন খেয়ানত না করে, যখন প্রতিশ্রুতি দেয় তা যেন ভঙ্গ না করে, তোমরা তোমাদের দৃষ্টি অবনত কর, তোমাদের হস্তদ্বয় সংযত কর, তোমাদের লজ্জাস্থান হিফাযত কর”। [মুসনাদে আহমাদ: ৫/৩২৩। হাদীসটি তাবারানী বর্ণনা করে হাসান বলেছেন।]
ইসলামের এ সব চরিত্রে এমন কিছু নেই যা অপছন্দ করা যায়, বরং এসব এমন সম্মান যোগ্য ও মহৎ চারিত্রাবলী যা প্রত্যেক নিষ্কলুষ স্বভাবের অধিকারীর সমর্থন লাভ করে। মুসলিমগণ যদি (আজ) এ মহৎ চরিত্র ধারণ করত তাহলে সর্বত্র থেকে তাদের নিকট মানুষ আগমন করত এবং দলে দলে আল্লাহর দীনে তারা প্রবেশ করত যেভাবে প্রথম যুগের মুসলিমদের লেন-দেন ও চরিত্রের কারণে যেভাবে মানুষ ইসলামে প্রবেশ করেছিল।
সমাপ্ত