১
একজন মুসলিমের চারিত্রিক গুণাবলি
লেখকঃ ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ, ড. আদেল আশ-শিদ্দী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
২. আমানতদারিতা:
মুসলিমদের যে সমস্ত ইসলামী চরিত্রের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে আরেকটি হচ্ছে আমানতসমূহ তার অধিকারীদের নিকট আদায় করে দেওয়া। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِنَّ ٱللَّهَ يَأۡمُرُكُمۡ أَن تُؤَدُّواْ ٱلۡأَمَٰنَٰتِ إِلَىٰٓ أَهۡلِهَا﴾ [ النساء : ٥٨ ]
“নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তার হকদারদের নিকট আদায় করে দিতে”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৫৮]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সম্প্রদায়ের নিকট ‘আল-আমীন’ উপাধী লাভ করেছিলেন, তারা তাঁর নিকট তাদের সম্পদ আমানত রাখতো। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর অনুসারীদের মুশরিকরা কঠোরভাবে নির্যাতন শুরু করার পর যখন আল্লাহ তাকে মক্কা থেকে মদীনা হিজরত করার অনুমতি দিলেন তিনি আমানতের সমস্ত মাল তার অধিকারীদের নিকট ফিরিয়ে দেওয়া ব্যতীত হিজরত করেন নি, অথচ তারা সকলেই কাফির ছিল; কিন্তু ইসলাম তো আমানত তার অধিকারীদের নিকট ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছে যদিও তারা কাফির হয়।
﴿إِنَّ ٱللَّهَ يَأۡمُرُكُمۡ أَن تُؤَدُّواْ ٱلۡأَمَٰنَٰتِ إِلَىٰٓ أَهۡلِهَا﴾ [ النساء : ٥٨ ]
“নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তার হকদারদের নিকট আদায় করে দিতে”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৫৮]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সম্প্রদায়ের নিকট ‘আল-আমীন’ উপাধী লাভ করেছিলেন, তারা তাঁর নিকট তাদের সম্পদ আমানত রাখতো। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর অনুসারীদের মুশরিকরা কঠোরভাবে নির্যাতন শুরু করার পর যখন আল্লাহ তাকে মক্কা থেকে মদীনা হিজরত করার অনুমতি দিলেন তিনি আমানতের সমস্ত মাল তার অধিকারীদের নিকট ফিরিয়ে দেওয়া ব্যতীত হিজরত করেন নি, অথচ তারা সকলেই কাফির ছিল; কিন্তু ইসলাম তো আমানত তার অধিকারীদের নিকট ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছে যদিও তারা কাফির হয়।