১
আত্মশুদ্ধি
লেখকঃ খালেদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-মুসলেহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
ষষ্ঠ ঔষধ: বেশি বেশি আখিরাতের কথা স্মরণ করা:
কারণ, আখিরাত সম্পর্কে গাফিল থাকা হচ্ছে, কল্যাণ ও সাওয়াবের কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী এবং যাবতীয় ফিতনা ও অকল্যাণ আনয়নকারী। এ কারণেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«زوروا القبور فإنها تذكركم الموت»
“তোমরা কবর যিয়ারত করো। কারণ, কবর যিয়ারত তোমাদেরকে মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দিবে।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ৮৭৬।]
ইবন মাজাহ’র অন্য এক বর্ণনায় আছে:
«فإنها تزهد في الدنيا، وتذكر الآخرة»
“কবর যিয়ারত তোমাদেরকে দুনিয়াবিমুখ করবে এবং আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিবে।” [সুনান ইবন মাজাহ, হাদীস নং ১৫৭১।]
অন্তরের জন্য কবর যিয়ারত, আখিরাত ও মৃত্যুর স্মরণের চেয়ে অন্য কিছু অধিক উপকারী বিষয় নেই। কারণ, আখিরাত ও মৃত্যুর স্মরণ হলো প্রবৃত্তির দমন ও নিয়ন্ত্রণকারী এবং গাফলতি ও অসতর্কতা থেকে জাগরণকারী। এ কারণেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশি বেশি স্বাদ, সুখ, উপভোগ এর ধ্বংসকারী (আখিরাত ও মৃত্যুর) কথা স্মরণ করার নির্দেশ প্রদান করেছেন।
«زوروا القبور فإنها تذكركم الموت»
“তোমরা কবর যিয়ারত করো। কারণ, কবর যিয়ারত তোমাদেরকে মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দিবে।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ৮৭৬।]
ইবন মাজাহ’র অন্য এক বর্ণনায় আছে:
«فإنها تزهد في الدنيا، وتذكر الآخرة»
“কবর যিয়ারত তোমাদেরকে দুনিয়াবিমুখ করবে এবং আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিবে।” [সুনান ইবন মাজাহ, হাদীস নং ১৫৭১।]
অন্তরের জন্য কবর যিয়ারত, আখিরাত ও মৃত্যুর স্মরণের চেয়ে অন্য কিছু অধিক উপকারী বিষয় নেই। কারণ, আখিরাত ও মৃত্যুর স্মরণ হলো প্রবৃত্তির দমন ও নিয়ন্ত্রণকারী এবং গাফলতি ও অসতর্কতা থেকে জাগরণকারী। এ কারণেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশি বেশি স্বাদ, সুখ, উপভোগ এর ধ্বংসকারী (আখিরাত ও মৃত্যুর) কথা স্মরণ করার নির্দেশ প্রদান করেছেন।